ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হাসিমুখে ৫ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন মা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক গৃহবধূ একসঙ্গে পাঁচটি সন্তান জন্ম দিয়েছেন। মা ও নবজাতক সবাই বর্তমানে সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। একসঙ্গে পাঁচ নবজাতককে বুকে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন মা মাসুমা আক্তার। দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। এর আগে গত ৫ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সি-সেকশন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাসুমার কোলজুড়ে আসে তিন মেয়ে ও দুই ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা গত ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সফলভাবে তিনি পাঁচটি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে এবং দুইজন মেয়ে।

চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, একসঙ্গে পাঁচটি সন্তানের জন্ম অত্যন্ত বিরল ঘটনা। সাধারণত এমন ক্ষেত্রে শিশুদের ওজন কম থাকে এবং নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেয়। তবে এই ক্ষেত্রে পাঁচটি শিশুর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি, যা আশাব্যঞ্জক। প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচক লক্ষণ। মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসক দল নিয়মিতভাবে তাদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করছেন।

এ বিরল ঘটনার খবর দ্রুতই স্থানীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফলে কাজল মিয়ার বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন উৎসুক মানুষ। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ নবজাতকদের একনজর দেখতে ছুটে আসছেন। এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে উল্লেখ করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই পরিবারটির জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে এমন বিরল ঘটনার সফল চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রশংসাও করছেন অনেকে।

তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, মা ও নবজাতকদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তারা আপাতত গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে আগ্রহী নন। পরিবারের সদস্যরা এই সময়টিতে চিকিৎসা ও বিশ্রামকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক সন্তানের জন্মের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। তাই এ ধরনের ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, দেশের চিকিৎসা খাতেও জটিল পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক নম্বরসংবলিত পিলারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভবন নির্মাণের সময় কেউ আইনবহির্ভূত কাজ করলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় অনেকেই বাধা দিচ্ছেন। সরকারের এ ধরনের কাজে যারা বাধা দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সকাল থেকে রাজশাহী নগরীতে চলমান এবং উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর তিনি ‘আরডিএ প্রান্তিক আবাসিক এলাকা’র উদ্বোধন করেন এবং সেখানকার একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ ছাড়া, রুয়েটের সামনে থেকে রাজশাহী বাইপাস সড়ক পর্যন্ত সংযোগ সড়ক ও ফ্লাইওভারের উদ্বোধন শেষে সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন মন্ত্রী। এ সময় আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, আরডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, উন্নত বিশ্বের শহরগুলোর মতো রাজশাহীর প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়কে নম্বর প্রদানের লক্ষ্যে নম্বরসংবলিত পিলার স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। অচিরেই পুরো নগরীতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। আরটিভি/টিআর
ভবন নির্মাণে অনিয়ম হলে আইনের আওতায় আনা হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
বরিশাল ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের’ যাত্রা শুরু
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে বরিশালে মহিলাদের জন্য পৃথক একটি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’। বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় স্থাপিত ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’ রোববার (১১ অক্টোবর) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের সর্বপ্রথম ক্লাস শুরু হয়। বরিশাল বিভাগে এই প্রথম ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি এ দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। অধ্যক্ষ, ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর কাফট ইন্সট্রাক্টরসহ ১১ জন শিক্ষক, ৬ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ মোট ১৭ জন ও ৪৭ জন ছাত্রী নিয়ে এ ইনস্টিটিউট যাত্রা শুরু করেছে। এ দুই বিভাগে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ১শ’ টি। বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় পরেশ সাগর মাঠের প্রবেশদ্বারের উত্তর পাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করা হয়েছে। ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনার কাজ শুরু হয়। যার প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ৫৫ কোটি টাকা। দৃষ্টিনন্দন প্রবেশ পথে একটি আকর্ষণীয় ৬ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, উত্তর পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট বিশাল একাডেমিক ভবন ও দক্ষিণ পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট আরেকটি একাডেমিক ওয়ার্কশপ ভবন রয়েছে। ভবন ৩টিতে লিফট এর ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া ৪ তলা বিশিষ্ট ২শ’ আসনের ছাত্রীনিবাস, ৫ তলা বিশিষ্ট ২০ ইউনিটের শিক্ষক ডরমেটরি ও ৩ তলা বিশিষ্ট ৬ ইউনিটের স্টাফ কোয়াটার, ১ তলা বিশিষ্ট অধ্যক্ষের বাসভবন, নিজস্ব বিদ্যুতের সাব স্টেশন ও অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবস্থা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’র অধ্যক্ষ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ এস. এম সামছুন নাহার। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম সামছুন নাহার বলেন, একাডেমিক ওয়ার্কশপ, বিদ্যুতের সাব স্টেশন ও শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে। তিনি জানান, বর্তমানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি দিয়ে শুরু হলেও আরো দুটি কোর্স আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে চালু করা হবে। এতে আরো ১শ’ শিক্ষার্থী এখানে ভর্তির সুযোগ পাবে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস.এম সামছুন নাহার আরো বলেন, বর্তমান সরকার নারী বান্ধব। নারী শিক্ষা প্রসারে নতুন প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ প্রতিষ্ঠানে প্রথম বর্ষের দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও বিভাগ চালু করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে নিজে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। এতে যেমন শিক্ষার্থীরা নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবে, তেমনি অন্যকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। জানতে চাইলে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ বরিশাল বিভাগে এটাই প্রথম। এ ইনস্টিটিউটের ৬টি বহুতল ভবন, একটি একতলা ভবন, শহীদ মিনার, বিদ্যুৎ সাব স্টেশন, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ, ড্রেন, দুটি অত্যাধুনিক প্রবেশ গেট, বাউন্ডারি ওয়াল এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে প্রতিষ্ঠিত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি আরো জানান, শহীদ মিনার, একাডেমিক ওয়ার্কশপ ও বিদ্যুতের সাব স্টেশন ভবন নির্মাণের অসমাপ্ত কাজ চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে। ‘সরকারি মহিলা পলিটেনিক ইনস্টিটিউটে’ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা থেকে আসা আয়শা আক্তার আর্কিটেকচার টেকনোলজি বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী তার প্রথম ক্লাস অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, মনোরম পরিবেশ ও শিক্ষকমন্ডলীর আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার জীবনের নতুন অধ্যায় সূচিত হল। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম বলেন, এ ইনস্টিটিউটে প্রবেশে আমার মনে অন্য রকম এক আনন্দ, উচ্ছ্বাস অনুভব হচ্ছে। নতুন ক্লাসে শিক্ষকদের আন্তরিকতা আমাকে উজ্জীবিত করেছে। শিক্ষাবিদ মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, মেয়েদের জন্য কারিগরি শিক্ষা কেবল একটি শিক্ষাপদ্ধতি নয় বরং এটি তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার সবচেযে শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে, কারণ সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির তুলনায় এ শিক্ষার মাধ্যমে সরাসরি কর্মমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা । তিনি বলেন, একজন নারী যখন কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন তিনি কেবল অন্যের অধীনে চাকরি করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং নিজের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন। একই সঙ্গে সমাজে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। আরটিভি/টিআর
বরিশাল ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের’ যাত্রা শুরু
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার উত্তর দেয়ানা এলাকার হোসেন শাহ রোডের ২১২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার কুমিল্লার ৪ স্কুলছাত্রী, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাবার মোবাইল ফোন ও মায়ের সোনার অলঙ্কার নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রীকে হবিগঞ্জ থেকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণির এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠার পর পরিবারের অজান্তে গত ১২ অক্টোবর সকালে ওই চার শিক্ষার্থী স্কুলের অনুষ্ঠানের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু তারা ক্লাসে উপস্থিত হয়নি। বিষয়টি জানার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত করে। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পাশাপাশি দেশের সব থানায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের ছবি ও তথ্য পাঠানো হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, নিবিড় অনুসন্ধানের একপর্যায়ে গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুনারুঘাট থানা-পুলিশের সহযোগিতায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকা থেকে ওই চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুদের বয়স আট থেকে বারো বছরের মধ্যে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ কম ছিল। তারা নিয়মিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং টিকটকে ভিডিও আপলোড করত। এসব মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে কয়েকজন ছেলের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে ওঠে। তবে পরিচিত ওই ছেলেদের প্রকৃত ঠিকানা সম্পর্কে তারা জানত না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুল ধারণা ও ফ্যান্টাসিতে বিভ্রান্ত হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও উপার্জনের উদ্দেশে তারা বাসা থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ও সোনার অলঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কুমিল্লার টাউন হল সুপার মার্কেটের বাহার মোবাইল মার্কেটে পরিবারের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চার হাজার টাকায় বিক্রি করে তারা। সেই টাকা নিয়ে প্রথমে ঢাকায় গেলেও পরিকল্পনা সফল না হওয়ায়, এক শিক্ষার্থীর দাদাবাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। হবিগঞ্জে পৌঁছে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে তারা। তবে প্রকৃত ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় ওই সিএনজিচালক রাত ২টার দিকে চার শিশুকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যান। ইতোমধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিক্রি করা মোবাইল ফোন এবং সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া চার শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি/টিআর
বাবা-মায়ের ফোন ও সোনা বিক্রি করে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাবার কবর জিয়ারত করতেন জাকির হোসেন (৬২)। এ ছাড়া কোনো উপলক্ষে কিংবা বাবাকে মনে পড়লেই তিনি বাবার কবরের সামনে যেতেন। তবে এটি আর এখন সম্ভব নয়। 
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
আরও পড়ুন
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৯ ইউনিট
গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
ফেরি করে মাদক বিক্রি, ক্রেতার বদলে মিলল ‘যমের দেখা’