ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাথা ও কবজিবিহীন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী, দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজাতে মাথা ও হাতের কবজিবিহীন গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানার উপপরিদর্শক নুর মোহাম্মদ।

গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম তারেক (২৬) মহেশখালী পৌরসভার দাসী মাঝিপাড়ার বাসিন্দা। নিহত শাহিদা আক্তার রিপা ওরফে মুন্নী (২৯) একই উপজেলার চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের জানারঘোনা এলাকায় দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে স্থানীয়রা একটি ময়লা-আবর্জনার ডোবায় বেডশিট মোড়ানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, ঘটনার ৪ থেকে ৫ দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিহতের মা বাদী হয়ে স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী পলাতক ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে ১৩ এপ্রিল রাতে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কক্সবাজারে আনা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানান, প্রায় ৬-৭ মাস আগে স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া তৃতীয় বিয়ে করায় দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এর জেরে তিনি পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন এবং পরে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন। পরিচয় গোপন করতে মরদেহের মাথা ও কবজি বিচ্ছিন্ন করে বাঁকখালী নদীর নতুন ব্রিজের নিচে ফেলে দেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও রসমালাইয়ের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে ভাড়া বাসা থেকে।

উপপরিদর্শক নুর মোহাম্মদ বলেন, বুধবার দিনব্যাপী গ্রেপ্তার আসামিকে নিয়ে বাঁকখালী নদীর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়, যেখানে নিহতের মাথা ও হাতের কবজি ফেলে দেয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে নিখোঁজ অংশ উদ্ধার করা যায়নি।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কক্সবাজার সৈকত বেলাভূমিতে ৫০ ফুটের প্লাস্টিক দানব
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
কেন ভুল সময়ে বাসে উঠেছিল তাজমিন
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের সময় জানালেন মন্ত্রী