ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলগেটে বাবার মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেও না মেলায় জেলগেটে শেষবারের মতো বাবার মরদেহ দেখেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা শাহরুখ খান। সন্তানকে শেষ দেখা দেখাতে কারাফটকে বাবার মরদেহ নিয়ে যান স্বজনরা। এ সময় জেল গেটে সৃষ্টি হয় এক হৃদয় বিদারক ঘটনার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে নগরীর নিউ সার্কুলার রোডের নিজ বাসা থেকে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শাহরুখের আইনজীবী মিজানুর রহমান মিন্টু গণমাধ্যমকে বলেন, শাহরুখকে প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।

শাহরুখের ভাই সালমান খান জানান, তার ভাইকে প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপরে একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে জানান, প্যারোলে মুক্তি হবে না। সন্তানকে দেখানোর জন্য মরদেহ কারাগারে নিতে হবে। পরে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তার বাবার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারাগারে ভেতরে তাদের মাত্র ৫ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও জানান, তার ছোট ভাই শাহরুখ খানকে ৫ আগস্টের পরে ৮টি মামলায় আসামি করা হয়। এসব মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হন। গ্রেফতারের পর তাকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।

বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপমা ফারিসা প্যারোলে মুক্তির আবেদন পাওয়ার কথা স্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, ডিসি স্যার বলেছেন আসামি শাহরুখের স্বজনদের কারাফটকে লাশ নিয়ে দেখা করানোর ব্যবস্থা করাতে। ডিসি স্যারের কথাটাই স্বজনদের আমি বলেছি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কলকাতা থেকে দেশে ফিরল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম গ্রেপ্তার
কলকাতায় মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন
রাঙ্গামাটিতে জেলা ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১২