ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্তান ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৯:১০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মানরা গ্রামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী কন্যা সন্তান, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী প্রবাসী মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, তিনি সৌদি আরবে অবস্থানকালে একই গ্রামের যুবক সাফিনের সঙ্গে তার স্ত্রী ফারজানা আক্তারের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে গত ৭ মে তাদের কন্যা সন্তানকে নিয়ে ফারজানা পালিয়ে যান।

মঙ্গলবার (১২ মে) মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের কাছে মাহবুবুর রহমান জানান, তার স্ত্রী ঘর থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ও আড়াই থেকে তিন ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ বছর আগে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ওমর ফারুকের মেয়ে ফারজানা আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে মাহবুবুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান মাহবুব। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

পরিবারের দাবি, প্রবাসে থাকার সুযোগে একই গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে সাফিনের সঙ্গে ফারজানার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। বিষয়টি একাধিকবার ফারজানার পরিবারকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গত ৭ মে ফারজানা তার স্বামীর পাঠানো ৫০ হাজার টাকা, এনজিও ঋণের জন্য তোলা আরও ৫ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে কন্যা সন্তান মায়মুনা আক্তার মারিয়াকে সঙ্গে করে প্রেমিক সাফিনের হাত ধরে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মাহবুবুর রহমানের বাবা আবুল বাশার বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় পুত্রবধূ ফারজানা আক্তার ও সাফিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আবুল বাশার বলেন, ৫ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো আমার নাতনি ও ছেলের বউয়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমার ছেলে প্রবাসে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

এদিকে মাকসুদ আহমেদ জানান, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, অতঃপর...
পঞ্চগড়ের বোদায় কথা আছে বলে এক নারী মোটরসাইকেল থামানোর পর চালককে মারধর, টাকা ও মোটরসাইকেল লুটের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, অতঃপর...
আ.লীগের সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আ.লীগের সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দুই বছর ধরে চলছে পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট। বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার মিটার নষ্ট থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। নষ্ট মিটার সময়মতো পরিবর্তন না হওয়ায় অনেক গ্রাহককে গড় বিলের আওতায় রাখা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক, সেচ ও শিল্প খাতে উপজেলায় গ্রাহকের সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। প্রায় দুই বছর আগে থেকে মিটারের সংকট শুরু হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সময়ের সঙ্গে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। গত বছর নষ্ট মিটারের সংখ্যা ছিল ৬ হাজারের বেশি, যা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। কেন্দুয়া সাউধপাড়া এলাকার গ্রাহক নয়ন মিয়ার অভিযোগ, মিটার নষ্ট হওয়ার পর পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেও দীর্ঘদিনেও প্রতিকার মিলছে না। প্রতি মাসে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে। কোনো কোনো মাসে আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। একদিকে বাড়তি বিলের চাপ, অন্যদিকে মিটার পরিবর্তনের জন্য মাসের পর মাস বিদ্যুৎ অফিসে ধরনা দিতে হচ্ছে তাঁদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক জানান, মিটার নষ্ট হওয়ার পর অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য নিয়ে গড় বিল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর সেই হিসাবেই মাসিক বিল তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মিটার পরিবর্তন না হওয়ায় গড় বিল ব্যবস্থাই এখন অনেকের জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই বিদ্যুৎ অফিসে এসে অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকেরা। অতিরিক্ত বিল নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। গ্রাহকদের দাবি, দ্রুততম সময়ে নষ্ট মিটার পরিবর্তন করে প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতে বিল নির্ধারণ করা হোক। কেন্দুয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, মিটার সরবরাহ পাওয়ার পর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় সেচ ও শিল্প গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে মিটার পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগির এ পরিস্থিতির অবসান হবে। আরটিভি/টিআর
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা হাসান রিমি নামে দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ। নিহত রিমি উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান। নিহতের স্বজনেরা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হামে আক্রান্ত রিমিকে চিকিৎসার জন্য চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখানো হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও ও ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তাঁরা। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। তবে সে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, শিশুর মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, নিহত শিশুর স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে নিহত শিশুর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
সোমবার (৫ অক্টোবর) ৪৯তম বিসিএসের বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান হলো নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান সোহেল রানার।
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
আরও পড়ুন
কুবি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অংশীজনদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় 
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত
মাদরাসাছাত্রীকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা, কিশোর গ্যাং সদস্য আটক
কুমিল্লায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু