ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসমত উল্লাহ (২২) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল ৩টার দিকে ক্যাম্প-৮ এর বি ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হাসমত উল্লাহ ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পের ব্র্যাক হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ডান হাতে দুটি গুলি লেগেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কর্মকর্তারা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

পুলিশ ও রোহিঙ্গা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নবী হোসেন বাহিনী নামে পরিচিত আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) এবং আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন (এআরও)-এর মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর জেরে গত ৫ মে ক্যাম্প-৭ এ এআরও কমান্ডার কেফায়েত উল্লাহ হালিম নিহত হন। পরদিন ৬ মে ক্যাম্প-৮ এ এআরও সদস্যদের গুলিতে নিহত হন নবী বাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মোহাম্মদ কামাল প্রকাশ ও নুর কামাল।

এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ক্যাম্প-৮ পশ্চিম অংশে ১০-১২ জন সশস্ত্র সদস্যের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক রোহিঙ্গা নেতা দাবি করেন, এআরও গ্রুপের সদস্যরা নবী হোসেন বাহিনীর আস্তানায় হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং ক্যাম্প এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
আরও পড়ুন
বাংলামোটরে গোলাগুলি, গুরুতর আহত ১
পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে তুমুল গোলাগুলি, ১৬ পুলিশসহ নিহত ৩১
বেলটাউনে একদিনে তিন জায়গায় গোলাগুলি, কিশোরসহ নিহত ৩
৪ হাজার টাকায় শিশুর পেটকে বানানো হলো ‘কুরিয়ার’, চালান হচ্ছিল ইয়াবা