ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চলন্ত ট্রেনে আবারও পাথর নিক্ষেপ, গুরুতর আহত যাত্রী

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
রেলের পুরনো ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবারও চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় মোহাম্মদ আজাদ (৩০) নামে এক যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (২৮ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের কাছে কলেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ট্রেনের যাত্রী আকিব জাবেদ জানান, আহত মোহাম্মদ আজাদ সিলেট থেকে ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেসের ‘ঢ’ বগিতে যাত্রা করছিলেন। ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে পৌঁছানোর আগমুহূর্তে কলেজপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর জানালার কাঁচ ভেঙে তার মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ট্রেনের ভেতরেই লুটিয়ে পড়েন। পরে সহযাত্রীরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এ ঘটনার পর পুরো ট্রেনজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Capture

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্তে আশপাশের এলাকায় তদন্ত চলছে।

তিনি আরও বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে র‍্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরপরও দুষ্কৃতকারীরা এমন অপরাধ ঘটিয়ে চলেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত শুরু করেছে রেলওয়ে পুলিশ।

আরও পড়ুন

এর আগে, গত ২১ জুন রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেসে পৈরতলা এলাকায় বাইরে থেকে ছোড়া পাথরের আঘাতে নাইমুল হাসান নামে এক যাত্রী আহত হন। গুরুতর জখম হওয়ায় তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছিল।

এ ছাড়া গত ২৪ জুন রাতে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী একটি ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে গুরুতর আহত হন আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাস। পাথরের আঘাতে তার ডান চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের পরও চোখটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

একের পর এক চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় রেলযাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে। যাত্রীরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং রেলপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
রাতের আঁধারে টর্চ জ্বালিয়ে কিছকি ও আক্কার বাড়ির সংঘর্ষ
চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৩০
অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা