ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে শিক্ষার্থীসহ নিখোঁজ ৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
ছবি: আরটিভি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক ঘটনায় পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে ডুবে তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী সংলগ্ন আলিমনগর ঘাট এবং মহানন্দা নদীর রাবার ড্যাম এলাকায় এ দুটি ঘটনা ঘটে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছেন।

নিখোঁজরা হলেন- সদর উপজেলার সুন্দরপুর রউফ হাজীপাড়া এলাকার জেম আলীর ছেলে রিফাত (১৬), ইসলামপুর ইউনিয়নের চরতেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭) এবং পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুরের রুহুল আমিনের ছেলে মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০)। রিফাত ও রাসেল সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে স্কুল ছুটির পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে আলিমনগর ঘাটে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে রিফাত ও রাসেল। গোসলের একপর্যায়ে তারা নদীর গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সাইফুল হাসান শুভ জানান, রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর কোনো সন্ধান মেলেনি।

অন্যদিকে, একই সময়ে সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর রাবার ড্যাম এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০)। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, পদ্মা ও মহানন্দা— উভয় নদীতেই নিখোঁজ তিনজনের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং স্থানীয়রা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ তিনজনের কাউকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
হলের কক্ষে নোট রেখে নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থী, থানায় জিডি
সারাদিন নিখোঁজ থাকার পর রাতে প্রতিবেশীর ঘরে মিললো শিশুর নিথর দেহ
দুধকুমার নদে গোসলে নেমে ভেসে গেল ৮ বছরের শিশু
নিখোঁজের চার দিন পর কলেজছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার