ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে পানি, সিলেট-চট্টগ্রামে বন্যার শঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ১০টি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং আরও ৪টি পয়েন্ট সতর্ক সীমায় অবস্থান করছে। এর ফলে দুই বিভাগের ৭টি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে বিষয়টি জানা গেছে।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং উজানের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ সিলেট বিভাগের ৪টি প্রধান নদীর ৬টি স্টেশন এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্ট, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার সদর পয়েন্ট, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্ট এবং খোয়াই নদীর বল্লা ও হবিগঞ্জ সদর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এছাড়া এই বিভাগের কুশিয়ারা নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর স্টেশন বর্তমানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হচ্ছে, যা যেকোনো সময় আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল তথা চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান সদর ও দোহাজারী (চট্টগ্রাম) পয়েন্ট এবং মাতামুহুরী নদীর লামা (বান্দরবান) ও চিরিঙ্গা (কক্সবাজার) পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলার হালদা নদীর পানি পাঁচপুকুরিয়া পয়েন্টে সতর্ক সীমায় অবস্থান করছে।

নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘লোকলজ্জার ভয়ে’ সীমান্ত পাড়ি কিশোরীর, ফিরল এক বছরের সন্তান নিয়ে
দালালের মাধ্যমে এক বছর আগে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল ১৩ বছরের বাংলাদেশি এক কিশোরী। ভারতে গিয়ে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয় সে।  সেখানে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এক বছরের কারাবাস শেষে সন্তানসহ দেশে ফিরেছে ওই কিশোরী। তার মতোই ভারতে পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশের শিকার আরও ১৫ কিশোর–কিশোরীসহ মোট ১৮ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফেরে।  ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ‘রাষ্ট্রীয় ট্রাভেল পারমিট’–এর মাধ্যমে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। সবাইকে পুনর্বাসনের জন্য বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’–এর জিম্মায় হস্তান্তর করেছে। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার এ বি এম মুহিত হোসেন বলেন, ‘ভারত থেকে ফেরত আসা নারী ও শিশুদের বেনাপোলে আমাদের সংস্থার একটি নিজস্ব শেল্টার হোমে (নিরাপদ আশ্রয়) রাখা হয়েছে। তাদের প্রাথমিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সুবিধাজনক সময়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ ইমিগ্রেশন পুলিশ ও মানবাধিকার সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা এক বছরের সন্তানসহ এক কিশোরীর জীবনকাহিনি অত্যন্ত করুণ। মাত্র ১৩ বছর বয়সে খুলনার নিজ এলাকায় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে। পরে সামাজিক লজ্জা ও লোকলজ্জার ভয়ে দালালের মাধ্যমে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়।  সেখানে পৌঁছানোর কিছুদিনের মধ্যেই সে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে ভারতের একটি স্থানীয় এনজিওর সহায়তায় সন্তানসহ ওই কিশোরীকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়। দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার পর রাষ্ট্রীয় পারমিটের ভিত্তিতে বুধবার তাকে অন্যদের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতের বন্দিদশা থেকে ফেরত আসা ১৮ জনের মধ্যে মাত্র দুজন প্রাপ্তবয়স্ক। বাকি ১৬ জনই শিশু–কিশোর।  তিনি বলেন, ফেরত আসা শিশুদের অনেকেরই মা–বাবা বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক রয়েছেন। আবার কারও কারও মা–বাবা আগে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরে এলেও সন্তানেরা ভারতের কলকাতার বিভিন্ন শেল্টার হোমে আটকা পড়েছিল। বুধবার সমন্বিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
‘লোকলজ্জার ভয়ে’ সীমান্ত পাড়ি কিশোরীর, ফিরল এক বছরের সন্তান নিয়ে
ছেলেকে কোলে নেওয়া হলো না মতিউরের
দেশে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ মতিউর রহমান (২৫)। প্রবাসে যাওয়ার তিন মাসের মাথায় তার একটি ছেলেসন্তান হয়। সেই ছেলেকে কোলে নেওয়ার আগে সৌদিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
ছেলেকে কোলে নেওয়া হলো না মতিউরের
বিদ্যুতের খুঁটিতে ধীরগতিতে চলছে মহাসড়কের কাজ, ভোগান্তিতে জনতা
বিদ্যুতের খুঁটি সময়মতো সরানো না হওয়ায় ধীরগতিতে চলছে সাতক্ষীরা সদর থেকে শ্যামনগরের ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজ। এতে একদিকে সড়ক সম্প্রসারণ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে খুঁটি সরানোর সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা।
বিদ্যুতের খুঁটিতে ধীরগতিতে চলছে মহাসড়কের কাজ, ভোগান্তিতে জনতা
২ বছর ধরে সরকারি গাছ ‘গিলছে’ দুর্বৃত্তরা, নাম বলতে সাহস পায় না কেউ
বগুড়ার ধুনটে গত দুই বছর ধরে রাতের আঁধারে সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে কাটা গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করলেও এখন পর্যন্ত জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
২ বছর ধরে সরকারি গাছ ‘গিলছে’ দুর্বৃত্তরা, নাম বলতে সাহস পায় না কেউ
ঘুমন্ত শাশুড়িকে কোপালেন নববধূ, দায় গেল ‘জিনের ঘাড়ে’
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিয়ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী যুবকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুত্রবধূ আকলিমা আক্তারকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘুমন্ত শাশুড়িকে কোপালেন নববধূ, দায় গেল ‘জিনের ঘাড়ে’
আরও পড়ুন
ঘুমন্ত শাশুড়িকে কোপালেন নববধূ, দায় গেল ‘জিনের ঘাড়ে’
চট্টগ্রামে অন্ধকারে ৭০ পরিবার
প্রবাসে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে মারা গেলেন বড় ভাইও
ফটিকছড়িতে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ৫ গ্রাম