ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মধ্যরাতে ইলেক্ট্রিশিয়ানকে ডেকে নিয়ে যান দুই ব্যক্তি, অতঃপর...

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
সফিক মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মধ্যরাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সফিক মিয়া (৪২) নামে এক ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, বিদ্যুতের ছেঁড়া তার মেরামতের কথা বলে তাকে ঘর থেকে নিয়ে যাওয়া হলেও, জেনে-শুনেই তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে আখাউড়া-চেকপোস্ট সড়কের দক্ষিণ ইউনিয়নের বঙ্গের চর মসজিদের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সফিক মিয়া আখাউড়া উপজেলার কেন্দুয়াই গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে হেলাল মিয়া ও জহিরুল ইসলাম বেকু (এক্সকেভেটর) দিয়ে বালু উত্তোলনের সময় বিদ্যুতের মেইন লাইনের তার ছিঁড়ে যায়। এরপর তারা সফিক মিয়াকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, ছেঁড়া তার মেরামতের সময় তাকে বেকুর বুমে তুলে উঁচুতে নেওয়া হলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাগিনা সোহাগ মিয়া বলেন, রাত ১টার দিকে হেলাল ও জহির আমার মামাকে জোর করে ঘর থেকে নিয়ে যায়। তারা বালু উত্তোলনের সময় নিজেরাই বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে ফেলেছিল। পরে সেই তার ঠিক করতে নিয়ে গিয়ে আমার মামাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি গাজীর বাজারে ফুটবল খেলা দেখছিলাম। তখন দেখি হেলাল ও জহির মোটরসাইকেলে করে সফিককে পূর্ব দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর আবার দেখি তাকে সিএনজিচালিত রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। পরে জানতে পারি, তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। হাসপাতালে গিয়ে দেখি চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে হেলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মুখে থাকা ভুক্তভোগী শিশুর বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সাংবাদিকদের পাঠানো এক খুদে বার্তায় তিনি এ কথা জানান। তবে তিনি কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্পষ্ট করেননি। বার্তায় রুমি বলেন, আমি আর এই দেশে নেই। এসব নিয়ে যা হয় হোক, যে যা খুশি বলুক, করুক আমার কোনো মন্তব্য নেই। আপনারা সবাই ভালো থাকেন।   বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, অনেক সাংবাদিক তার প্রকাশ করা ভিডিও থেকে কেটে সেটে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছেন। এর ফলে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। তবে তিনি আইনের কাছে সঠিক বিচার চেয়েছেন বলে জানান। রুমি বলেন, আমি এই দেশবাসীকে একটাই অনুরোধ করব, আপনাদের সঙ্গেও যদি এমন ঘটনা হয়, প্রতিবাদ অবশ্যই করবেন।  এর আগে, গত শুক্রবার গাজীপুরের টঙ্গীর আওচপাড়া এলাকায় অবস্থিত ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বহিরাগতদের নিয়ে প্রবেশ, শিক্ষককে মারধর, মাদরাসার অফিসকক্ষ ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মামলা হয়। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমাস হোসেন বাদী হয়ে শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। অন্যদিকে সাত বছর বয়সী ছাত্রীকে চুমু দেওয়া ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় গত রোববার গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক।  ঘটনাটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসা ভাঙচুর, টাকা লুট ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  আরটিভি/টিআর
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সড়কে ৬ষ্ঠ দিনের মতো অবরোধ চলছে।
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় কর্ণফুলি নদীতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গিয়ে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার একটি বাড়িতে সাড়ে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে শ্বশুর ও পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওই পরিবারের শোকের মাতম চলছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শ্বশুর এবং রোববার সকালে মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া শ্বশুরের নাম মো. মফিজুর রহমান (৭০)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় কৃষক ছিলেন তিনি। তার পুত্রবধূর নাম রাহিনা আক্তার (৩২)। তিনি মফিজুরের মেজ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে শ্বশুর এবং রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুত্রবধূ মারা যান। বৃদ্ধ মফিজুর রহমান পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। রাহিনা আক্তার তার মেঝ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মফিজ মিয়া স্নেহশীল একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি পরিবারের সবাইকে আগলে রাখতেন। পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারকে তিনি ও তার স্ত্রী আপন সন্তানের মতো ভালবাসতেন। শ্বশুর ও শাশুড়িকে নিজের বাবা-মায়ের মতোই ভালোবাসতেন রাহিনা। কামাল উদ্দিন বলেন, শনিবার রাত ১১টার দিকে মফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই পুত্রবধূ। আহাজারি করতে করতে গতকাল ভোরের দিকে জ্ঞান হারান তিনি। এরপর পল্লিচিকিৎসক ডেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যেই গতকাল (রোববার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গৃহবধূও মারা যান। তিনি আরও জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় আজিজিয়া কচ্ছপ মার্কেট জামে মসজিদ মাঠে শ্বশুর মফিজুর রহমানের জানাজা এবং  সন্ধ্যার পর পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারের  জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আরটিভি/টিআর
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
সিলেটে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি কার্যক্রমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ছাত্রলীগ কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে বাদ পড়া চারজনের একজন শাহ আলম হৃদয়কে ফের শুমারির কাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। 
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
আরও পড়ুন
১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, মায়ের মামলা
রাতের আঁধারে কৃষকের স্বপ্ন শেষ
থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা, পুলিশের জিডি
সরাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২