ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

হঠাৎ ধসে পড়ল স্কুল ভবন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খুলনার কয়রার গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ঝুঁকিপূর্ণ দুই তলা অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনের অংশ ধসে পড়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ভবনটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদ ও পিলারে বড় বড় ফাটল, খসে পড়ছিল পলেস্তারা, বেরিয়ে এসেছিল রড। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পড়ত পানি। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু কার্যাদেশ জারি না হওয়ায় নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই দুইতলা ভবনের বড় অংশ ধসে পড়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে খুলনার কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে। ধসে পড়া ভবনটিতে মাধ্যমিকের ক্লাস হতো।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলের দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই সময় শিক্ষার্থী-শিক্ষক কেউ ভবনে ছিলেন না। এতে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে ভবনটি ধসে পড়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) থেকে পাশের একতলা ভবনে মাধ্যমিক ও কলেজ— দুই শাখার ক্লাস একসঙ্গে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ উপকূলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা অ্যাকাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হওয়ায় ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে সেখানে পাঠদান চলতে থাকে।

ভবনধসে প্রাণহানি না হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পাচ্ছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার। তিনি জানান, শুক্রবার ছুটির দিনে ভবনের বড় অংশ ধসে পড়ায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক গোলাম রসুল বলেন, শুক্রবার ভবন ভেঙে পড়েছে, সেদিন স্কুল বন্ধ ছিল। ক্লাস চলাকালে ভবনটি ধসে পড়লে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এখন আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, মাধ্যমিকে বর্তমানে ২৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, শিক্ষক ১৯ জন এবং ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন। ধসে পড়া ভবনে তাদের আর ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না। পাশের একতলা ভবনে এত দিন শুধু কলেজ শাখার ক্লাস হতো। এখন একই ভবনে মাধ্যমিক ও কলেজ— দুই শাখার ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ভোগান্তি হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় ধরনের কোনো ঘূর্ণিঝড় হলে বড় বিপদে পড়তে হবে স্থানীয় লোকজনকে। কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি বিদেশরঞ্জন মৃধা বলেন, ভবন ধসে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয় নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু এবং বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

নতুন ভবন নির্মাণের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ধসে পড়া নিয়ে কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবন ধসে পড়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।

জানা গেছে, গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর আবার দরপত্র (টেন্ডার) সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি মূলত ২০১৭–১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর (সয়েল লেয়ার)–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়েছে। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে আবারও টেন্ডার সম্পন্ন করা হয়েছে।

খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় মিস্ত্রী জানান, প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যাবে। পাশাপাশি পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে। তবে এখনো কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) জারি হয়নি। কার্যাদেশ জারি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণকাজ শুরু হবে। দরপত্রে ঠিকাদারের দেওয়া দর অনুযায়ী প্রকল্পের চূড়ান্ত ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারি হালট দখল করে পার্ক নির্মাণের অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সরকারি হালট ও অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি সম্পত্তি) দখল করে গেট ও পার্ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে পুস্পধারা হাউজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, গেট নির্মাণের সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার বাধা দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের সুযোগে আবারও নির্মাণকাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।
সরকারি হালট দখল করে পার্ক নির্মাণের অভিযোগ
একা পেয়ে শিশুর ‘সর্বনাশ’ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বৃদ্ধ, অতঃপর...
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৬৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের খিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া (৬৪)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে একা পেয়ে একটি নির্জন স্থানে অবস্থিত নতুন নির্মাণাধীন ভবনে ধর্ষণের চেষ্টা চালান অভিযুক্ত ব্যক্তি। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
একা পেয়ে শিশুর ‘সর্বনাশ’ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বৃদ্ধ, অতঃপর...
মাদক ও জুয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মাদক ও জুয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
২৫ কেজি ধানের শীষে ব্যতিক্রমী সোনালি দুর্গাপ্রতিমা
কৃষকের মাঠজুড়ে দোল খাওয়া সোনালি ধানের শিষ এবার শোভা পাচ্ছে দুর্গাপ্রতিমার অবয়বে। প্রায় ২৫ কেজি ধানের শিষ দিয়ে সাজানো হয়েছে ছয়টি প্রতিমা। ব্যতিক্রমী এই শিল্পকর্ম তৈরির প্রস্তুতি নিতে হয়েছে ছয় মাস ধরে। কুমিল্লার লালমাইয়ে ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে কৃষি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে এমন আয়োজন করেছে স্থানীয় যুব সংগঠন ত্রিনয়নী যুব সংঘ। লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর গৌর নিতাই সেবাশ্রম পূজামণ্ডপে দেখা মিলেছে ব্যতিক্রমী এই দুর্গাপ্রতিমার। মাটির তৈরি প্রতিমার শরীরজুড়ে নিপুণভাবে বসানো হয়েছে পাকা ধানের শিষ। সোনালি ধানের আবরণে প্রতিমাগুলো পেয়েছে ভিন্নধর্মী রূপ, যা সহজেই নজর কাড়ছে দর্শনার্থীদের। প্রথমে মাটি দিয়ে প্রতিমার অবয়ব তৈরি করা হয়। এরপর কয়েক ধাপে শরীরের বিভিন্ন অংশে বসানো হয় ধানের শিষ। ছয়টি প্রতিমা সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ২৫ কেজি ধানের শিষ। দীর্ঘ প্রস্তুতি, ধৈর্য আর শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ফুটে উঠেছে এই ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম। প্রতিমা তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন শিল্পী সঞ্জয় পাল ও তার দল। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন সংগঠনের সদস্যরাও। আয়োজকেরা জানান, লালমাইয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে কৃষি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। কৃষকের পরিশ্রমে উৎপাদিত সোনালি ফসলের প্রতি সম্মান জানানো এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধর্মীয় উৎসবের আয়োজনে তুলে ধরতেই তাঁদের এই উদ্যোগ। আয়োজকদের দাবি, চট্টগ্রাম বিভাগে প্রথমবারের মতো ধানের শিষ দিয়ে দুর্গাপ্রতিমা সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। তাদের প্রত্যাশা, ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা দেখতে পূজার দিনগুলোতে বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করবেন। আরটিভি/টিআর
২৫ কেজি ধানের শীষে ব্যতিক্রমী সোনালী দুর্গাপ্রতিমা
খুলনায় ১৫১ পূজামণ্ডপে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদান
খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৫১টি পূজামণ্ডপে ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে খুলনা জেলা পরিষদ ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হকের পক্ষ থেকে এসব চেক বিতরণ করা হয়। খুলনা জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাহমিদা হক বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা আমাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। এ জন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরঋণী। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমরা আপনাদের পাশে আছি। প্রধানমন্ত্রীও সব সময় আপনাদের পাশে আছেন। প্রধান বক্তা এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেন, আমাদের কাছে সংখ্যালঘু বলে কোনো শব্দ নেই। এ ধারণা মুছে ফেলতে হবে। আমরা একে অপরের ভাই, বোন ও বন্ধু। আমরা সবাই বাংলাদেশি। ঐক্যবদ্ধভাবে যার যার ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সার্বিক সহযোগিতা করবেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খুলনা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১৫১টি পূজামণ্ডপে প্রতিটিতে সাত হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংসদ সদস্য ফাহমিদা হকের পক্ষ থেকে ২৭টি পূজামণ্ডপে প্রতিটিতে পাঁচ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অনুদানের পরিমাণ ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির নেতা ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহসভাপতি আশরাফুল আলম নান্নু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম এমদাদুল হক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ এবং পুলিশের ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলী। এ সময় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাস, সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী শেখর দে এবং পৌরসভা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বাবুরাম মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। আরটিভি/টিআর
খুলনায় ১৫১ পূজামণ্ডপে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদান
আরও পড়ুন
খুলনায় ১৫১ পূজামণ্ডপে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদান
খুলনার হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে চাই: কেসিসি প্রশাসক
খুবিতে জলবায়ু সাংবাদিকতা ও এআইয়ের নৈতিক ব্যবহারবিষয়ক ফেলোশিপের সমাপনী
পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২