উচ্চশিক্ষার জন্য রাশিয়ায় গিয়েছিলেন খালেকুজ্জামান অনিক। কিন্তু উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের আগেই তার নিথর মরদেহ দেশে ফিরল। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে, মৃত্যুর এক মাস পর তার মরদেহ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা ইউনিয়নের স্যাওড়াতলা গ্রামে নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
অনিক ওই গ্রামের কৃষক মানোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কে অবস্থিত সাউথ ইউরাল স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ তলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে মারা যান অনিক। তবে এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনিকের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর থেকেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। দুর্ঘটনার এক মাস পর অনিকের মরদেহ আজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের আর্তনাদে চারদিকের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে দুপুরের পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত অনিকের চাচা আলী হোসেন জানান, অনিক ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও ভদ্র স্বভাবের ছিল। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে দুই বছর আগে বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য রাশিয়ায় গিয়ে পরিবারের পাশাপাশি এলাকার মানুষেরও গর্বের কারণ হয়েছিলেন। চলতি বছরের ২১ জুন খবর আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচতলা ভবন থেকে পড়ে অনিকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সে কীভাবে পড়ল সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।
আরটিভি/ এসকেডি



