ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

৯৬ বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট খরচের টাকা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পকেটে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খরচ বাবদ গত জুন মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় মন্ত্রণালয়। সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা ফেরত নিয়ে নিজেদের পকেটে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুদকে অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন যোগদানের পর থেকেই অফিস পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতা ও আর্থিক অনিয়ম করে আসছেন। বিদ্যালয়ে সরকারি বরাদ্দের টাকা নিয়ে নয়ছয়, প্রেষণ, পরীক্ষা পরিচালনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ঘুষ-দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইসলামপুর উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খরচ বাবদ গত জুন মাসে সাড়ে ১০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ আসে। সেই টাকা জুন মাসে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করা হয়। এরপর জুলাই মাসে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলে সংশ্লিষ্ট গুচ্ছের তিনজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ওই টাকা ফেরত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত না দিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজেদের পকেটে রেখে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুদ্ধ শিক্ষকরা প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেন। পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর কাছেও বিচার প্রার্থী হন তারা।

আরও পড়ুন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১৮ থেকে ২০টিতে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। বাকিগুলোত সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।

মরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার বলেন, তার বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খরচ বাবদ গত জুন মাসে ১০ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জুলাই মাসে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ সরকারের রাজস্ব খাতে জমা দেওয়ার কথা বলে তার গুচ্ছের সব প্রতিষ্ঠানের পুরো টাকা ফেরত নিয়েছেন।

পূর্বকান্দারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের ভাষ্য, প্রতি মাসে তার প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট বাবদ এক হাজার টাকা খরচ হয়। গত জুনের শেষ দিকে ইন্টারনেট খরচ বাবদ তাকে ১০ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু গত ১১ জুলাই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন-অর-রশীদ রাজস্ব খাতে জমা দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে পুরো টাকা ফেরত নেন।

ধনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল হক, বেলগাছা ঘোনাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমীন ও আলাই পূর্বপাড়ার প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫০০ টাকা করে ফেরত নেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দিপা রানী গোপ।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের ইসলামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ মাসুদুর রহমান রাজা বলেন, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৯৬টি বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা করে বরাদ্দ আসে। আয়কর ও ভ্যাট বাদে বিল-ভাউচার নিয়ে সাড়ে ১০ হাজার টাকা প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে শিক্ষকদের দেওয়া টাকা গত জুলাই মাসে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ফেরত নেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন। আইএসপি নামে একটি বেসরকারি
সংস্থাকে ইন্টারনেট সংযোগের কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বাঘরদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা আইএসপি কর্তৃপক্ষ সংযোগ দিতে টালবাহানা ও কালক্ষেপণ করে। যে কারণে বিকল্পভাবে নিজের ব্যক্তিগত টাকায় ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে ব্যবহার করছেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) হারুন-অর-রশীদ, আব্দুল হামিদ ও দিপা রানী গোপের সঙ্গে। তারা জানান, শিক্ষকদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া টাকার একটা অংশ ইন্টারনেট কোম্পানিকে দেওয়া হবে। এর চেয়ে বেশি কিছু জানাতে অপাগতা প্রকাশ করেন তারা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নেই। তবে ৯৬টি বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বাবদ শিক্ষকদের দেওয়া টাকা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

জামালপুর জেলা প্রাথমিক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আহসানের ভাষ্য, সরকারি বরাদ্দের টাকা সরাসরি উপজেলায় আসে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই তা খরচ করেন। সরকারি টাকা তছরুপসহ অফিস কর্মকর্তাদের কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষকদের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো চাপাতি দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা মামলার প্রধান আসামি ও মূল পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নগরীর সোনাডাঙা ও সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন— মো. ইব্রাহিম গাজী। গ্রেপ্তার মিরাজ (৩৯) নগরীর হাজী মহসিন রোড এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। ইব্রাহিম গাজীর (৪২) বাড়ি নগরীর টুটপাড়ার সরকারপাড়া এলাকায়। এসআরবি-৬-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদে বৃহস্পতিবার স্পেশাল কোম্পানির একটি দল নগরীর সোনাডাঙা থানার কলাবাগান এলাকা এবং খুলনা সদর থানার টুটপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এসআরবি-৬ খুলনার উপ-অধিনায়ক ও স্পেশাল কোম্পানির কমান্ডার মেজর মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজের বিরুদ্ধে কেএমপির আড়ংঘাটা ও সদর থানায় গুরুতর আঘাত, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার সহযোগী ইব্রাহিম গাজীর বিরুদ্ধেও খুলনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। গত ৯ অক্টোবর গভীর রাতে খুলনা জেলার সার্কেল অফিসে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম (৪৩) রিকশাযোগে পুলিশ ক্লাবে যাচ্ছিলেন। পথে নগরীর সদর থানার কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পৌঁছালে তিনজন অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে।  এ সময় ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর উপর্যুপরি কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আওয়াল হোসেন খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আরটিভি/এসআর  
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা এক দিন বয়সী এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা শিশুটিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশগঞ্জ এলাকায় সমীরের বাড়ির গলির পেছনে ড্রেনের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে মহেশগঞ্জ বাজার এলাকায় পথচারীরা নবজাতক কন্যাশিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতকের পরিচয় ও তার মা-বাবার সন্ধান বের করার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
সড়কে বাইক চালাচ্ছিলেন প্রেমিকা পিছনে বসা ছিল প্রেমিক, অতঃপর...
যশোরের চৌগাছায় ঘুরতে বেরিয়ে মোটরসাইকেল ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে অয়ন হোসেন (২২) ও মিথিলা খাতুন (১৭) নামে প্রেমিক প্রেমিকার মৃত্যু হয়েছে।
সড়কে বাইক চালাচ্ছিলেন প্রেমিকা পিছনে বসা ছিল প্রেমিক, অতঃপর...
যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ
জামালপুরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে কলেজে যোগদান করতে পারেননি জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়সংলগ্ন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন শেরপুর নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অগণতান্ত্রিক বিচার, শিক্ষার্থীদের হুমকি প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। পরে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের টানা এক মাসের আন্দোলনের পর গত ১২ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর নার্সিং কলেজ থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা তার যোগদানের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কলেজের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদান করতে আসেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে দেখে ‘ভুয়া’, ‘দুর্নীতিবাজ’, ‘লোভী’, ‘ধান্দাবাজ’, ‘মিথ্যাবাদী’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পাশাপাশি তাকে কলেজে প্রবেশে বাধা দেন তারা। শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে দীর্ঘ সময় কলেজের সামনে অবস্থান করতে হয় মাকসুদা ইয়াসমিনকে। পরে দুপুর ২টার দিকে কলেজে প্রবেশ করতে না পেরে গেট থেকেই ফিরে যান তিনি। এ বিষয়ে জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন তার বদলির বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। আরটিভি/টিআর
যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ
ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরির ঘটনায় আটক ৪
রাজশাহীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চলন্ত কাভার্ড ভ্যান থেকে ক্রিকেটারদের আটটি লাগেজ চুরির ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। 
ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরির ঘটনায় আটক ৪
আরও পড়ুন
যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ
জামালপুরে জ্যান্ত পাখি খাওয়া সেই ‘বাজিখোর’ গ্রেপ্তার
৫০০ টাকার বাজিতে জীবন্ত শালিক ছিঁড়ে খেলেন কাঁচা মাংস, অতঃপর...
জামালপুরে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার