ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদরাসায় পড়তে অনীহা, ছয়তলা ভবনের কার্নিশে পা ঝুলিয়ে বসেছিল শিশু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
জানালার কার্নিশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসেছিল শিশুটি। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর পাগলা মিয়া সড়কের একটি বহুতল ভবনের ছয়তলার কার্নিশ থেকে মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ‌‘মা ভিলা’ নামের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। বাবা-মা জোর করে মাদরাসায় রেখে যাওয়ায় সে এমনটি করেছিল বলে জানিয়েছে শিশুটি।

উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইয়াসমিন আক্তার (১০)। সে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

ইয়াসমিন ওই ভবনের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত পরিচালিত ‘দারুন নাজাত মহিলা মাদরাসা’র চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি ভবনের বাইরের অংশে জানালার কার্নিশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসেছিল। তাকে এ অবস্থায় দেখে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অক্ষত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন

স্থানীয়দের অনেকে শিশুটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হওয়াকে ‘অলৌকিক’ ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।

উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু ইয়াসমিন জানায়, এই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করতে তার ভালো লাগে না। আজ সকালেও তার বাবা-মা জোর করে তাকে রেখে যান। মাদরাসা থেকে বের হওয়ার বা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার উপায় না পেয়ে সে এমন পথ বেছে নিয়েছিল।

ফেনী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়। শিশুটিকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটি তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মিরসরাই সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ ও গরু জব্দ
শিকলে বেঁধে মাদরাসার শিশুকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার