
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদরাসার বেড়ায় ইট লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সানি ব্যাপারী (১৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবি সদরদী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সানি ওই এলাকার আতিয়ার রহমান ব্যাপারীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৈডুবি সদরদী এলাকায় অবস্থিত হযরত ফাতেমাতুয যাহরা (রাঃ) মহিলা মাদরাসার বেড়ায় ইট লাগানোকে কেন্দ্র করে জিসান (১১) নামে এক শিশুকে চড় মারেন মাদরাসার পরিচালক মনি ব্যাপারী ওরফে মনিরুজ্জামান। পরে বিষয়টি শিশু জিসান তার বাবা বশার মাতুব্বরকে জানায়। এ নিয়ে বশার মাতুব্বর মনি ব্যাপারীর কাছে জানতে গেলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এতে সানিসহ ৭-৮ জন আহত হন। গুরুতর আহত সানিকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে মনি ব্যাপারী ও সবুজ ব্যাপারীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সানির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার চাচা সাইদুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার পর সানিকে ভাঙ্গা হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে সানির সঙ্গে ঢাকায় যাওয়া ব্যক্তির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তিনি এখনও মৃত্যুর বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত হতে পারেননি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আরটিভি/এসএস


