
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশু (৭) শিক্ষার্থীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সুজন মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার কালামপুর খাজাডেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক সুজন মিয়া উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের ভূলুয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল ওই শিশু শিক্ষার্থী। পথিমধ্যে সুজন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে সড়কের পাশের একটি জঙ্গলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয় এবং শ্লীলতাহানি করা হয়। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত সুজনকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত যুবককে হেফাজতে নেয়।
এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক শিশুকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। মাস কয়েক আগেও একই ধরনের একটি ঘটনায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দুই মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মৌচাক ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা দেওয়ান পাপ্পু বলেন, ওই যুবকের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন হয়রানির বহু পুরোনো অভিযোগ রয়েছে। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে সে আবারও একই অপরাধে জড়ালো। আমরা এই অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম (পিপিএম বার) জানান, শিশু নির্যাতনের অভিযোগে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে রেখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আরটিভি/এসএস


