ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পল্লি বিদ্যুতের ডিজিএম-এরবিরুদ্ধে ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
ছবি : আরটিভি

সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, সুনির্দিষ্ট নীতিমালার চরম লঙ্ঘন এবং আর্থিক অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বৈদ্যুতিক খুঁটি (পিলার) স্থাপন ও স্থানান্তরের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের তীর যশোর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ (নড়াইল)-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) হাওলাদার মো. রুহুল আমিনের দিকে।

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এবং ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে দুটি স্থানে অবৈধভাবে দুটি খুঁটি স্থাপন এবং অন্য একটি স্থানের বিদ্যুৎ সংযোগের খুঁটি সরিয়ে ফেলার এই ঘটনায় নড়াইল জুড়ে তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সীমানা ঘেঁষে এবং পাইকবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ববিতা বেগমের বসতবাড়িতে সরকারি নিয়ম অমান্য করে দুটি নতুন বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানো হয়েছে। একইসঙ্গে আগ্রাহাটি এলাকা থেকে একটি পুরনো বৈদ্যুতিক খুঁটি সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ও বেআইনিভাবে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

স্থানীয় অধিবাসীদের মতে, কোনো ধরনের বৈধ দাপ্তরিক অনুমোদন, নিরাপত্তা সমীক্ষা কিংবা নকশা ছাড়পত্র ছাড়াই এসব খুঁটি স্থাপন করা হয়।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর সরাসরি দাবি, এই সম্পূর্ণ বেআইনি প্রক্রিয়ার মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন ডিজিএম হাওলাদার মো. রুহুল আমিন। তার প্রত্যক্ষ মদদে এবং তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিচয়দানকারী পাইকবাড়ী গ্রামের বাশার কাজী নামক এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়। একটি প্রভাবশালী চক্রের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতেই সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে দ্রুততম সময়ে এই খুঁটিগুলো বসানো ও স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় যশোর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-২ (নড়াইল)-এর জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আনন্দ কুমার পাল সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। তদন্ত শেষে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও তথ্য সংগ্রহ করেছি। প্রাথমিক তদন্তে নিয়মবহির্ভূত খুঁটি স্থাপন ও স্থানান্তরের সুস্পষ্ট অনিয়ম ও প্রমাণের সত্যতা পাওয়া গেছে। আমি ইতোমধ্যই তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করেছি। প্রশাসনিক বিধিমালা ও আইন অনুযায়ী শিগগিরই পরবর্তীতে দাপ্তরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

এদিকে আনীত সমস্ত অভিযোগ ও অনৈতিক লেনদেনের দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মূল অভিযুক্ত ডিজিএম হাওলাদার মো. রুহুল আমিন। তিনি বলেন, বাশার কাজী আমার আত্মীয় হওয়ার সুবাদে তার বাড়িতে আমার যাতায়াত থাকতে পারে, তবে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা অনৈতিক সুবিধার সঙ্গে আমি জড়িত নই। যেসব স্থানে অবৈধভাবে দুটি খুঁটি বসানো হয়েছে, সেগুলো দ্রুততম সময়ে উচ্ছেদ ও অপাসারণ করা হবে। এ ছাড়া আগ্রাহাটিতে অবৈধভাবে খুঁটি স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে নিয়মিত আইনি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে ডিজিএম রুহুল আমিনের এমন বিতর্কিত ও ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড জনসম্মুখে উন্মোচিত হওয়ার পর ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসানো খুঁটিগুলো উচ্ছেদ করার জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, কোনো লোকদেখানো বা পাতানো তদন্ত নয় বরং সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ ও উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত মূল হোতা ডিজিএমসহ সিন্ডিকেটের সবার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে সরকারি অর্থে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে ব্যবহারের অপেক্ষায় পড়ে আছে। প্রায় ১৩ কোটি টাকা খরচে তৈরি সেতুটির দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নেই। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষকেও নদী পার হতে হচ্ছে স্থানীয়ভাবে বানানো কাঠের সিঁড়ি বেয়ে।  ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এর দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার, প্রস্থ ১৩ মিটার। নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে।  কিন্তু সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ না থাকায় এটি এখনো কার্যত অচল। সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও জনগণ এর কোনো সুফল পাচ্ছে না। উল্টো সেতুর অবকাঠামো ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে। সেতুটি চালু না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ধরে অনেক দূরের পথ ঘুরে যেতে হয়। কিন্তু এই বিকল্প পথ সময়সাপেক্ষ তো বটেই, নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড় ও বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া এই সড়কের দৈর্ঘ্য ১৭ কিলোমিটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায়ও এখানে বনদস্যুদের উৎপাত চলে। যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে মানুষকে জিম্মি করার ঘটনা এখানে নতুন নয়। অনেক সময় যাত্রীদের গভীর বনে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। দস্যুদের গুলিতে হতাহতের ঘটনাও কম ঘটেনি।  এই ঝুঁকির কারণে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অর্থাৎ রাতে হঠাৎ কারও অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে এলাকার মানুষের হাতে তেমন কোনো বিকল্পই থাকে না। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সংযোগ সড়ক ছাড়াই সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে। মানুষ সেতুতে ওঠানামা করছেন কাঠের সিঁড়ি দিয়ে। স্থানীয় কৃষক সাদেকুর রহমান জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য গত জুলাই মাসে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সিঁড়ি বানানো হয়েছে। এলাকার উৎপাদিত ফসল এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগীদেরও ঝুঁকি নিয়ে এই সিঁড়ি দিয়ে সেতুতে তুলতে হয়।  তার আশঙ্কা, সিঁড়িটি ভেঙে গেলে পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তিন ইউনিয়নের মানুষের সুবিধার জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু বানালেও তা কোনো কাজে আসছে না। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে শিক্ষার্থীরা। ঈদগড়ের স্কুলশিক্ষার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ জানায়, প্রতিদিন দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই সিঁড়ি দিয়ে সেতু পার হয়ে ঈদগাঁও ও রামু সদরের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যায়। বৃষ্টি হলে ভেজা কাঠের সিঁড়ি পার হওয়া বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। তার প্রশ্ন, এত দিনেও কেন সেতুটি চালু হলো না। একটি আনুষ্ঠানিক সংযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রতিদিন শিশু-কিশোরদের এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে, এটি প্রশাসনের জন্যও ভাবনার বিষয়। স্থানীয়রা মনে করেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বাসিন্দা আবুল কালাম ও আবদুর রহিমের মতে, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঠিকাদারের অবহেলার কারণেই সেতুটি পাঁচ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। ব্যবহার না হওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে জনগণের করের টাকায় তৈরি একটি সম্পদ অযত্নে ক্ষয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের ডাকাতি কমে আসবে। তখন হাজারো মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন, যাতায়াত খরচও অনেক কমবে। অর্থাৎ সেতুটি শুধু যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেই নয়, এলাকার নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংযোগ সড়ক না হওয়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধিরা বেশ কয়েকটি বাধার কথা বলছেন। ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জানান, সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর পড়েছে। এতে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ওপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যান। এতে প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে। ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সেতুটি দ্রুত চালুর জন্য তৎপরতা চলছে। তাঁর ভাষ্য, সেতু চালু করা এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আগের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর আশ্বাস, নতুন ঠিকাদার নিয়োগের পর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে এলাকাবাসীর কাছে এই আশ্বাস নতুন নয়। পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করা মানুষের মনে প্রশ্ন, নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কত সময় লাগবে। এর মধ্যে জমি-জটিলতার সমাধান না হলে নতুন ঠিকাদারও একই বাধার মুখে পড়তে পারেন। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দরপত্র আহ্বান যথেষ্ট নয়।  জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি আগে নিষ্পত্তি করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। না হলে ১৩ কোটি টাকার এই সেতু আরও কিছুদিন কাঠের সিঁড়ির ওপর ভর করেই কোনোরকমে টিকে থাকবে, আর ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হবে হাজারো মানুষকে। আরটিভি/এসআর
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই: কেসিসি প্রশাসক
সোমবার (১২ অক্টেবর) বিকেলে কেসিসির শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই: কেসিসি প্রশাসক
প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে রাস্তা বন্ধ, ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে রাস্তা না থাকায় ঘরের অংশ ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে আব্দুল সালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তির লাশ দাফন করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  আব্দুল সালাম কালিহাতী উপজেলার বিলপালিমা গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে। শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় তিনি মারা যান। রাতে কোনোভাবে স্বজনরা তার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতেই দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে সকালে লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন বলেন, কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় প্রতিবেশীদের রাস্তা বের করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেননি। মৃত সালামের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ জানান, এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হলে রোববার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে কবরস্থানে লাশ নেওয়ার সময় চলাচলের রাস্তা না থাকায় স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হন। পরে রাস্তার মাঝখানে থাকা ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে দেন তারা। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর সহায়তায় পরে কবরস্থানে লাশ দাফন করা সম্ভব হয়েছে। তার ভাইয়ের জানাজা শনিবার রাতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লাশ নেওয়ার রাস্তা না থাকায় রোববার সকাল ১১টায় দাফন করতে হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের জেরে প্রায় দুই বছর ধরে বিলপালিমা গ্রামের মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন। বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহজালাল জানান, প্রতিপক্ষরা রাস্তার মাঝখানে ঘর তুলেছিল। ঘর থাকায় লাশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘর ভেঙে রাস্তা তৈরি করেন। এরপর লাশ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়। এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছেন। লাশ দাফন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’ আরটিভি/এসআর
প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে রাস্তা বন্ধ, ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরীপুর ইউনিয়নের হরিপুর মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
পঞ্চগড়ের মেঘমুক্ত আকাশে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা
পঞ্চগড়ের মেঘমুক্ত আকাশে উঁকি দিতে শুরু করেছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম ও পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
পঞ্চগড়ের মেঘমুক্ত আকাশে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা
আরও পড়ুন
৭০% কাজ শেষ, এর মাঝেই বাতিল হলো নবগঙ্গা সেতুর চুক্তি
এস এম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী: প্রথম দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
নড়াইলে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী