ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

হতদরিদ্র বৃদ্ধার বাড়ি দখলের জন্য ৩ বছর ধরে প্রতিবেশীর নির্যাতন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
ভুক্তভোগী বৃদ্ধা আলতামুন্নেসা ও তার বাড়িতে ছোঁড়া ইট-পাটকেল : ছবি আরটিভি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে হতদরিদ্র বৃদ্ধা আলতামুন্নেসার তিন শতাংশ বসতভিটার জায়গা ছেড়ে দিতে চাপ সৃষ্টি এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী খোরশেদ মিয়া ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। এবার বাড়িতে ছোঁড়া ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন ওই বৃদ্ধা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ২নং চৌমুহনী ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামে, খায়রুল মিয়ার বাড়ির পাশে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে আলতামুন্নেসা তার বাড়িতে ছোড়া ইট-পাটকেলের কিছু অংশ ব্যাগে করে নিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেন এবং ভিডিও বার্তা দেন।

ভুক্তভোগী বৃদ্ধা জানান, শুক্রবার রাতে শৌচাগারে যাওয়ার সময় ছোঁড়া একটি ইটের আঘাত তার পায়ে লাগে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরও ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন বলে জানান ওই বৃদ্ধা।

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত প্রায় তিন বছর ধরে তাকে বসতভিটা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হয়রানি করা হচ্ছে। বাড়ির পাশে বিপজ্জনক জিনিসপত্র রাখা, টয়লেটের আশপাশে ময়লা-গোবর ফেলা এবং বিভিন্নভাবে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি বলে দাবি তার।

জানা গেছে, ২০২৩ সালেও আলতামুন্নেসার বাড়িতে হয়রানির অভিযোগ ওঠে। তখনকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম ফয়সাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত করেছিলেন। এরপর কিছুদিন পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও সম্প্রতি আবারও বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধা।

আলতামুন্নেসা একজন নারী শ্রমিক। ক্ষেত-খামারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। তার কোনো পুত্রসন্তান নেই। একমাত্র মেয়েও বিধবা। অত্যন্ত কষ্ট করে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ।

ভুক্তভোগী আলতামুন্নেসা বলেন, এই দেশে কি কোনো বিচার নেই? আমি আর কত জায়গায় গেলে বিচার পাব জানি না। আমার বাড়ি দখলের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি নিরাপদে নিজের বাড়িতে থাকতে চাই।

আরও পড়ুন

অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সবকিছু সাজানো।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মচারী খাইরুল মিয়া বলেন, টিনের চালে বিভিন্ন ফল পড়ার মতো শব্দ হতে পারে। আমার সামনেও একটি পড়েছে। ঢিল দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমি বিষয়টি দেখব।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল মিয়া বলেন, চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ব্যবহার করে কিছু দুষ্ট লোক এসব কাজ করছে। এর একটি ফয়সালা হওয়া দরকার। বিষয়টি আমার আওতার বাইরে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

বৃদ্ধা আলতামুন্নেসা তার বসতভিটায় নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
ডাব চুরি করতে নারকেলগাছে উঠেছিলেন এক যুবক।
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দাঁড়িয়ে আছে তিনতলা ভবন। কক্ষে কক্ষে সাজানো চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রস্তুত শয্যা, চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য রয়েছে ডরমিটরি। এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে জেনারেটরও। কিন্তু নেই চিকিৎসক। এ অবস্থা ঝিনাইদহ জেলার চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। অভিযোগ রয়েছে, উদ্বোধনের আট বছর পরও চিকিৎসক সংকটের কারণে এসব কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের গর্ভবতী নারীরা। কাছের এসব কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে তাদের ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তের বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকি। তবে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা ঝিনাইদহের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এসব হাসপাতাল। ২০১৮ সালে উদ্বোধনের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, গ্রামের নারীরা নিরাপদ মাতৃত্বসেবা পাবেন, জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবাও মিলবে। কিন্তু আট বছরেও সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। ভবন ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বড় একটি অংশ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার শৈলকুপা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দুধসর। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। পরিকল্পনা ছিল, এ কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, প্রসূতি ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটে এত দিনেও প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। একই চিত্র ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা এবং শৈলকুপার কাঁচেরকোল গ্রামে নির্মিত অন্য তিনটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও। তিনতলা ভবন, শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সেবা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালগুলো নির্মাণের সময় যে আশার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসববেদনা ওঠা নারী কিংবা অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হলে পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে চারটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এসব হাসপাতালের বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতাল তিনতলাবিশিষ্ট। চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন কক্ষ। দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, হাসপাতাল আছে, ভবন আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকলে মানুষ কীভাবে সেবা পাবে? গর্ভবতী নারী কিংবা শিশুর অসুস্থতার সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগে। ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মোজাম্মেল করিম বলেন, হাসপাতালগুলো চালু থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচলের দ্বিতীয় দিনে তিনটি জাহাজে করে ১ হাজার ৫৫৪ জন পর্যটক দ্বীপটির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। এদিন নতুন করে আরও দুটি জাহাজ যুক্ত হওয়ায় তিনটি জাহাজে পর্যটক পরিবহন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে মৌসুমের প্রথম যাত্রা শুরু করে এমভি বারো আউলিয়া। শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। জাহাজ পরিচালনাকারী সূত্রে জানা গেছে, এমভি বারো আউলিয়ায় ৬১৯ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৩৮৭ জন এবং এমভি টেকনাফে ৫৪৮ জন পর্যটক রয়েছেন। তাদের দুপুরের মধ্যে দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত অনুমোদিত তিনটি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করবে। এসব জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০০ জন। এ বছর প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি থাকায় প্রয়োজনে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণ চালুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। এদিকে শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। ঢাকার উত্তরা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, ভ্রমণপিপাসু মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজের টিকিটের দাম আরও কমানো উচিত। এবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচল নিষিদ্ধ। সামুদ্রিক প্রাণী, প্রবাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিসাধন থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে। আরটিভি/টিআর
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
আরও পড়ুন
জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন থেকে তেল চুরি, মাটির নিচে মিলল গোপন ট্যাংক
হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭ বিষধর সাপ উদ্ধার
মেয়েশিশুকে চার বছর যৌন নির্যাতন করেন এই নারী, অতঃপর...
মদ-সিগারেটের লোভ দেখিয়ে কিশোরকে ২১ বার ‘ব্যবহার’ করেন এই বৃদ্ধা, অতঃপর...