
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে নাজেরা বিভাগের এক শিশুশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকসহ মাদরাসার এক পরিচালককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মির্জাপুর নতুন বাইপাসসংলগ্ন মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদরাসায় বিষয়টি জানাজানি হয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওই মাদরাসার নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয়। কয়েক মাস ধরে তার পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাতের সমস্যা দেখা দিলে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানো হয়। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৮ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে মাদরাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে যান তার মা।
পরদিন ১০ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, সেখানে চিকিৎসকের মাধ্যমে শিশুটির সঙ্গে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি তারা জানতে পারেন। পরে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মো. আল-আমীনের নাম জানায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এরপর শুক্রবার সকালে শিশুটির মা ও স্বজনরা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. আল-আমীন (২৪) এবং মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মো. মনিরুজ্জামান (৫১)-কে হেফাজতে নিয়ে থানায় যায়।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদরাসার পরিচালককে হেফাজতে নিয়ে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এসকে


