
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজন নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের অবসান হয়েছে। সেখানে ‘অশ্লীলতা হবে না’ শর্তে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এ সমঝোতা হয়।
বৈঠকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, কলেজের মূল ক্যাম্পাসে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না। সেখানে শুধু নবীনবরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠে। তবে সেখানে ‘অশ্লীলতা হবে না’ শর্তে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা আব্দুল খালেক বলেন, ‘অশ্লীলতা হবে না’ এই শর্তে দক্ষিণ ক্যাম্পাসের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। সরকারি কলেজের মূল মাঠে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না বলেও জানান তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হয়েছে। নবীনবরণ ও আলোচনা সভা মূল ক্যাম্পাসে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দক্ষিণ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, কলেজের লোকজন ও মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে আলোচনার পর একটি সমঝোতা হয়েছে।
এর আগে, নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনের বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। পরে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
বৈঠকের পর কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফেসবুক পেজে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে কোনো ধরনের কনসার্ট হবে না। সেখানে শুধু নবীনবরণ অনুষ্ঠান হবে। একই সঙ্গে নবীনবরণ, বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে মতামত দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/এমএ


