ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনা মারা গেলেও তার লাশ আনার মতো লোক নেই: রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

আওয়ামী লীগ আর কখনো রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নিষিদ্ধ ও পচে-গলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই দলের নেতারা আর দেশে ফেরার সুযোগ পাবে না। দেশের জনগণ তাদের চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনকি শেখ হাসিনা মারা গেলেও তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো শেখ পরিবারের কোনো সদস্য আর অবশিষ্ট নেই।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেঁতুলতলা মায়াধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যমান জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি এখন একটি জাতীয় সমস্যা, যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন। কিন্তু জামায়াত সংকট সমাধানে সহায়তার হাত না বাড়িয়ে ‘লংমার্চের’ নামে ‘লংড্রাইভ’ শুরু করেছে। ১৯৯৬ সালে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে জামায়াত যেভাবে আওয়ামী লীগকে পাশে টেনে নিয়েছিল, ঠিক একইভাবে বর্তমান জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে তারা অপশক্তিকে আবারও মাঠে নামার সাহস জোগাচ্ছে।

জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাসুদ নিজেকে বিরাট শক্তির অধিকারী বা ‘হ্যাডমওয়ালা’ দাবি করে বলেছেন- তার শক্তির খবর নাকি শেখ হাসিনাও জানতেন। জামায়াত নেতারা দেশের সেনাবাহিনী কিংবা কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মানতে চান না, কারণ তাদের চালিকাশক্তি হলো একটি ‘গুপ্ত বট বাহিনী’। এই সাইবার বাহিনীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের চরিত্রহননের নিকৃষ্ট খেলায় মেতে উঠেছেন।

মাঠপর্যায়ে সার সংকট ও কৃষকদের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশে বাস্তবে সারের কোনো ঘাটতি নেই। বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের আমলে নিয়োগ পাওয়া অসাধু ডিলাররা কৃত্রিমভাবে গুদামে সার মজুদ করে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং সার সরবরাহের পুরো কাঠামোটি নতুন করে পুনর্গঠন করবে। একই সঙ্গে তিনি এই সংকট চলাকালে মাঠের কৃষকদের কিছুটা ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানান।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাশেদ খাঁন।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কক্সবাজারে নারী পর্যটকের মৃত্যু
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গিয়ে ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার (১৮) নামের এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। 
কক্সবাজারে নারী পর্যটকের মৃত্যু
টাঙ্গাইলে ১৩৫৭ মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে টাঙ্গাইলের ১৩৫৭টি মণ্ডপে দেবী দুর্গার অনিন্দ্যসুন্দর রূপ ফুটিয়ে তুলতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে প্রতিমা শিল্পীদের কর্মব্যস্ততা। আর এ দুর্গোৎসব পালনে জেলার ঘরে ঘরে চলছে উৎসবের আমেজ।
টাঙ্গাইলে ১৩৫৭ মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই 
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টায় স্থানীয় রুপালি সী ফুডস লিমিটেডের সামনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই 
ট্রলির জন্য টাকা না দেওয়া ভোগান্তি, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চার বছরের একটি অসুস্থ শিশুকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর ট্রলির জন্য টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় সময়মতো ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩২ সেকেন্ডের এমন এক ভিডিওকে ঘিরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ‎সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন (৪)। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়ার জন্য স্ট্রেচার বা ট্রলি চাওয়া হলে কর্মচারীরা টাকার দাবি জানান। সেই টাকা দিতে না পারায় ট্রলি মেলেনি। বাধ্য হয়ে শিশুটিকে কোলে নিয়েই স্বজনদের ওয়ার্ডের দিকে ছুটতে হয়েছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এ সময় শিশুটির মুখে অক্সিজেনের মাস্ক লাগানো ছিল। একজন স্বজন কোলে শিশুটিকে নিয়ে দৌড়াচ্ছিলেন, আর অন্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইনের বোতল বহন করছিলেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। তবে ট্রলি না পাওয়ার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি বা মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও সচেতন মহলের অনেকে। তবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রোগীর স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয়। শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ অবস্থায় ট্রলিতে করে তাকে নেওয়া হলে আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় নার্সরা শিশুটিকে ট্রলিতে নিতে নিষেধ করেছিলেন। এ বিষয়ে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/টিআর
ট্রলির জন্য টাকা না দেওয়া ভোগান্তি, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু
ছেলের পর বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে রূপসার দুর্জনীমহল শহীদের মোড় ঢালী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ছেলের পর বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা
আরও পড়ুন
ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
বেঁচে থাকতেই কবর খুঁড়ে ‘চল্লিশার’ আয়োজন, এলাকায় চাঞ্চল্য
শৈলকুপায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান