ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
ছবি: আরটিভি

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি সাধারণ খাতের বরাদ্দের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

প্রধান অতিথি ছিলেন সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথি বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জেলা পরিষদের অর্থ জনগণের অর্থ। তাই বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের চেক তুলে দেওয়া হয়।

এদিকে, হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে উন্নয়ন সহায়তা হালুয়াঘাটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে বাইসাইকেল, শিক্ষা বৃত্তি এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার সকালে রাংড়া পাড়ার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং বিকেলে জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এসব সহায়তা বিতরণ করেন।

বিজন কান্তি সরকার বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সল আহমেদসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদিআরবের ৩০ কেজির পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে হয়ে গেলে ১৯ কেজি!
সৌদিআরব থেকে পাঠানো ২৯.৯০ কেজি মালামাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসে হয়ে গেলে ১৯.৭০ কেজি। সরকারী ডাক বিভাগে আসা এই পার্সেলের প্রাপক ওজনে কম দেখে সেটি গ্রহনে আপত্তি করলে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার।
সৌদিআরবের ৩০ কেজির পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে হয়ে গেলে ১৯ কেজি!
হত্যার হুমকি পেলেন যুবদল নেতা, চিঠিতে লেখা ‘জয় বাংলা’  
যুবদলের ওই নেতার বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে রেখে যাওয়া হয়েছে কাফনের কাপড়, আগরবাতি ও গোলাপজল। সেইসঙ্গে রেখে যাওয়া হয়েছে এক চিঠি, যাতে লেখা— ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। 
হত্যার হুমকি পেলেন যুবদল নেতা, চিঠিতে লেখা ‘জয় বাংলা’  
মেয়ের জন্মদিনের কেক কিনতে যান বাবা, অতঃপর...
চাঁদপুরে মেয়ের জন্মদিনের কেক কিনতে গিয়ে বাসের চাপায় বাবা আল আমিন (৪০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। 
মেয়ের জন্মদিনের কেক কিনতে যান বাবা, অতঃপর...
মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল তাজমিনের সঙ্গে, ধরা পড়ল সিসিটিভি ফুটেজে
কুমিল্লার লালমাইয়ে ফসলি জমি থেকে গলায় গামছা পেঁচানো জান্নাতুল তাজমিন (১৫) নামে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা গেছে, বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে নামে তাজমিন। এরপর হোটেলের পশ্চিম পাশে কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যায় সে। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলে। এ সময় দোকানিকে তাকে কিছু একটা দেখাতে বা কোনো দিক নির্দেশ করতে দেখা যায়। এতে আরও দেখা গেছে, দোকানের সামনে কিছু একটা দেখানোর পর তাজমিন সেখান থেকে সরে অন্য পাশে যায়। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা যায়। তবে এলাকা ছাড়ার পর তাজমীন কোন পথে গিয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তার চলাচলের পথ এবং সম্ভাব্য যাতায়াতের মাধ্যম নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদিকে ঘটনা স্থলের কিছুটা দূরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। তবে জব্দ করা অটোরিকশাটির সঙ্গে তাজমীনের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকার আবদুল আলীমের মেয়ে। তারা কুমিল্লা শহরের রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। সেই বাসা থেকে ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে যায় তাজমিন। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হলো তার মরদেহ। তাজমিন কুমিল্লা শহরের ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনা স্থলে দেখা গেছে, লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নির্জন পাকা সড়ক। সড়কের দুপাশ জুড়ে বিস্তৃত সবুজ মাঠ। সড়কটির মধ্যবর্তী স্থানের দুপাশে অন্তত ৪ থেকে ৫টি ধানক্ষেতে দৌড়াদৌড়ির চিহ্ন দেখা গেছে। ক্ষেতের মধ্যে থাকা মাথা তোলা ধানগাছ এলোমেলো হয়ে আছে। দেখেই বুঝা যাচ্ছে তাজমিন জীবন বাঁচাতে হত্যাকারীদের হাত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সড়কের একপাশে ধানক্ষেতে পড়েছিল সিএনজি চালিত অটোরিকশা। পরে সেটিকে স্থানীয়রা টেনে সড়কের ওপর তোলেন। স্থানীয় জগতপুর গ্রামের বাসিন্দা তমাল বনিক জানান, সকালে কাঁচিকাটা-হরিশ্চর বাজার পাকা সড়কের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে সড়ক থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে ফসলি জমিতে গিয়ে আইলের পাশে এক কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার গলায় গামছা পেঁচানো এবং মুখ মাটিতে চেপে রাখা ছিল। নিহতের বাবা আবদুল আলীম জানান, ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় তাজমিন। এরপর বিভিন্ন সময় ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা জানায়। বুধবার রাত পৌনে ২টার দিকে তাজমিন তাকে মেসেজের পাশাপাশি লাইভ লোকেশন পাঠায় এবং সেখানে এসে তাকে নিয়ে যেতে বলে। তখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে ভোরে ঘুম থেকে উঠে মেসেজ দেখতে পান। লাইভ লোকেশনে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা দেখতে পান তিনি। সদর দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লা ফেরদৌস জানান, ৪ অক্টোবর কুমিল্লা শহরে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় জান্নাতুল তাজমিন। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, সেদিন সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যায়। পরদিন ৫ অক্টোবর কুমিল্লায় ফিরে আবার ভোররাতে কক্সবাজার যায়। ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে। এরপর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সহকারী পুলিশ সুপার আরও জানান, উদ্ধার করা সিএনজির ভেতর থেকে একটি ভ্যানিটি ব্যাগ ও জামা পাওয়া গেছে। নিহতের বাবা জামা দেখে সেটি জান্নাতের বলে শনাক্ত করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মরদেহটি প্রথমে অজ্ঞাত ছিল। পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের বয়স আনুমানিক ১৫ বছর। তার গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, আমরা ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছি। তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় ঘাতকদের আটক করতে অভিযান পরিচালনা করছি। শিগগিরই ঘাতকদের আটক করা হবে। আরটিভি/টিআর
মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল তাজমিনের সঙ্গে, ধরা পড়ল সিসিটিভি ফুটেজে
কিশোর গ্যাংবিরোধী পুলিশের অভিযানে আটক ২৫২
কুমিল্লা জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কিশোর গ্যাংবিরোধী পুলিশের অভিযানে আটক ২৫২
আরও পড়ুন
১৩ মাসের শিশুকে দুই লাখে বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫
মুখে কাপড় বেঁধে নারী শ্রমিককে দলবদ্ধ ধর্ষণ, অতঃপর...
তিন ঘণ্টার ‘ট্রাক জার্নিতেই’ কাঁচা পেঁপে পেকে হলুদ!
ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর কৃষক হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন