শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রায়হান তালুকদারকে (২৮) ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ দল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার বিকেলে যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রায়হান তালুকদার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রানীসার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই রায়হান আত্মগোপনে ছিলেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে গোসাইরহাট থানা পুলিশের একটি দল ও র্যাব-১০-এর একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাগেরপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রানীসার এলাকায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় কিশোরী স্থানীয় একটি বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করছিল। ওইদিন সন্ধ্যায় পুকুরঘাটে কাজ করার সময় রায়হান কিশোরীর মুখ চেপে ধরে পাশের একটি পানের বরজে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
পরে কিশোরীকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যান তিনি। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা কিশোরীকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন এবং পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ আগস্ট গোসাইরহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। মামলার পর থেকেই রায়হান পলাতক ছিলেন।
গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন, মামলা দায়েরের পর আসামি আত্মগোপনে চলে যান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ দল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোসাইরহাট থানায় নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরটিভি/এসএস




