কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নীলু ড্রাইভার নামে এক বাড়ির কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হরিণহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী জেলা থেকে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ময়না বেগম। পরে হরিণহাটি এলাকায় লেহাজ উদ্দিনের বাসা ভাড়া নিয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তারা। ওই দম্পতি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাদের কিশোরী মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে।
বুধবার সকালে প্রতিদিনের মতো বাবা-মা কাজে এবং কিশোরী মাদরাসায় চলে যায়। দুপুরে মাদরাসা ছুটি শেষে কিশোরী বাসায় ফিরে আসে। এ সময় বাড়ির কেয়ারটেকার নীলু ড্রাইভার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে গামছা দিয়ে কিশোরীর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে।
পরবর্তীতে কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। বিকেলে কারখানা থেকে বাসায় ফিরে ময়না বেগম ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে মেয়েকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
পরে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী কিশোরীকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশও হাসপাতালে উপস্থিত হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই কেয়ারটেকার তাদের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েক দিন আগে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করা হয়েছিল।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আরটিভি/এমএম



