ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

দুই বছরের নাতিকে শূন্যে তুলে আছাড়, দাদি গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই বছরের নাতিকে মাটিতে আছড়ে ফেলার অভিযোগে মুক্তা বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দেউলভোগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার মুক্তা বেগম উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের কাননীসার গ্রামের তোফায়েল খানের স্ত্রী। তিনি শিশুটির দাদি। শিশুটির নাম নাফিন খান (২)। তার বাবা নিরব খান।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে কাননীসার গ্রামের তোফায়েল খানের বাড়ির উঠানে পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে মুক্তা বেগম তার দুই বছরের নাতি নাফিন খানকে দুই হাত দিয়ে তুলে মাটিতে আছড়ে ফেলেন। এতে শিশুটির কোমরে আঘাত লাগে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। এরপর শিশুটির মা সোনালী আক্তার গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে এ ঘটনায় মামলা করা হয়।

শিশুটির মা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তার শাশুড়ি মুক্তা বেগম বিভিন্ন সময় তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। ঘটনার দিন ছেলেকে মাটিতে আছড়ে ফেলার পর কান্নার শব্দ শুনে তিনি তাকে উদ্ধার করেন।

শ্রীনগর থানার পুলিশ জানায়, মামলার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় শনিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেউলভোগ এলাকা থেকে মুক্তা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইউসুফ সাগর বলেন, শিশুকে এভাবে মাটিতে আছড়ে ফেলার ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও অমানবিক। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউনিয়ন নির্বাচনে দলের কেউ মুনাফিকি করলে ক্ষমা করবেন না প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পেছনে কাজ করতে হবে, এই পথে কেউ অন্তরায় হয়ে থাকলে সে দল থেকে ছিটকে পড়বে।
ইউনিয়ন নির্বাচনে দলের কেউ মুনাফিকি করলে ক্ষমা করবেন না প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী
পণ্য খালাসে বাধা, ২০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ
ঢাকার ধামরাইয়ে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় পণ্য লোড-আনলোড (বোঝাই ও খালাস) কার্যক্রমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা ও বকশিশ আদায় করতে না পারায় শ্রমিকদের একটি অংশকে উসকানি দিয়ে এ অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনার নেপথ্যে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় দুই নেতার প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান। এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ বিষয়ে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারখানার পণ্য লোড-আনলোডের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজ’-এর কিছু শ্রমিকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যবাহী ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বকশিশ ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি কারখানা কর্তৃপক্ষ অননুমোদিতভাবে টাকা আদায়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর জেরে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা প্রথমে কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কাজে ফিরলেও এক-তৃতীয়াংশ লোকবল নিয়ে ধীরগতিতে কাজ শুরু করেন। এতে কারখানার স্বাভাবিক পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং প্রায় ২০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ নতুন ভেন্ডর (ঠিকাদার) নিয়োগ দিলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের কাজ বন্ধ করতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এর জেরে সোমবার বিকেলে ওই ভেন্ডরের শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নেমে আসেন। এ সময় তারা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে, কাজ চালু রাখার জন্য নতুন ভেন্ডরের কয়েকজন শ্রমিক কাজ করতে গেলে সোমবার দুপুরে তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ বিষয়েও নতুন ভেন্ডর কর্তৃপক্ষ ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওই অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কাদের নামের এক শ্রমিক সর্দারকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এ ঘটনার নেপথ্যে থেকে ইন্ধন জোগাচ্ছেন মেসার্স এম. এম. এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মোজাম্মেল হক ও স্থানীয় কুশুন্দিয়া এলাকার ইউপি সদস্য মো. ঈমান আলী। এই ব্যক্তিরা নতুন ভেন্ডরকে সরিয়ে দিয়ে পুনরায় নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. মামুনে বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নতুন ভেন্ডরের কর্মীদের কারখানা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন এবং নিজের লোকজন দিয়ে কাজ চালু রাখার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ভেন্ডরকে বাদ দেওয়ার শর্তেই কেবল তাদের শ্রমিকেরা পুরোদমে কাজ করতে রাজি আছেন। সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, শ্রমিক বা চালকদের ওপর শারীরিক নিগ্রহের মতো অনভিপ্রেত ঘটনা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার পরিপন্থী। একটি সুনির্দিষ্ট চক্রের অযৌক্তিক কর্মবিরতি ও ধীরগতির কারণে কারখানার উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আমরা কারখানার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর্মরত প্রত্যেকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছি। একই সঙ্গে উৎপাদন সচল রাখতে আইনানুগ পন্থায় বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কর্তৃপক্ষের একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। একটি স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
পণ্য খালাসে বাধা, ২০ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ
দুর্গন্ধ পেয়ে ঘরের ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিতেই এলাকাবাসীর ‘চোখ কপালে’
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভাড়া বাসার একটি কক্ষ থেকে রাসেল আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ডাইনকিনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাসেল ওই এলাকার ফরহাদ হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ওই কক্ষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির নাকে দুর্গন্ধ আসে। পরে সন্দেহ হলে তিনি আশপাশের লোকজনকে নিয়ে ঘরের ছিদ্র দিয়ে ভেতরে তাকান। এ সময় তারা মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় রাসেলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত রাসেল আহমেদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলায়। আরটিভি/টিআর
দুর্গন্ধ পেয়ে ঘরের ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিতেই এলাকাবাসীর ‘চোখ কপালে’
শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান সোহরাব, অতঃপর...
নোয়াখালীর হাতিয়ায় চার বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সোহরাব উদ্দিন (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে গ্রেপ্তার সোহরাবকে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে সোমবার ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হাতিয়া পৌরসভা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার সোহরাব উদ্দিন হাতিয়ার চরকৈলাশ এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সোহরাব বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তাকে উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সোহরাবকে তার বাড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার কোনো ঘটনা তার জানা নেই। আরটিভি/টিআর
শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান সোহরাব, অতঃপর...
‘সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো, এগুলোরে কুত্তার মতো পেটানো দরকার’
সম্প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে ইশরাক হোসেনের অবস্থানকে সমর্থন করে সাংবাদিকদের সমালোচনা করে ইসলামী বক্তা ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেছেন, তার পিস্তল উঁচিয়ে ধরার পদ্ধতিটা খারাপ ছিল, উদ্দেশ্য মহৎ ছিল। আর সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশে সাংবাদিকগুলো। এগুলোকে কুত্তার মতো পোটানো দরকার। তারা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ইতিবাচক দিক প্রচার করেনি।
‘সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো, এগুলোরে কুত্তার মতো পেটানো দরকার’
আরও পড়ুন
শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান সোহরাব, অতঃপর...
ঢাকায় আওয়ামী লীগের আরও তিন নেতা ধরা
চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে গিয়েই প্রতিবেশীদের ‘চোখ কপালে’
১৯ মামলার আসামি আন্তঃজেলা গরুচোরের প্রধান গ্রেপ্তার