
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধূলিহর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে পিভিসি পাইপ স্থাপন এবং একটি মৎস্য ঘেরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সংঘটিত এই হামলায় ঘেরের বিপুল পরিমাণ ফলজ গাছও কেটে ফেলা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক জয়নাল আবেদীনের অভিযোগ, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে এই তাণ্ডব চালানো হয়, যাতে তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন জানান, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৮ বিঘা জমিতে তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মাছ চাষ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে ঘেরটি দখলের চেষ্টা করছিলেন জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর। জয়নালের অভিযোগ, এলাকায় জলাবদ্ধতা না থাকলেও সেই অজুহাতে আব্দুস সবুর ও তাঁর ভাইপোদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাতের আঁধারে ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। তারা ঘেরে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি আইলের বিভিন্ন গাছ কেটে তছনছ করে এবং বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া ওই স্থানে কালভার্ট বা পিভিসি পাইপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করেই এক্সেভেটর দিয়ে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানো হয়।
ভুক্তভোগীর ভাই ওমর ফারুক এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও লুটপাট বা ভাঙচুরের বিষয়ে কিছু জানেন না। তিনি চলে আসার পর কী ঘটেছে তা তিনি বলতে পারবেন না।
আরটিভি/ এসকেডি




