ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

এক বাড়িকে সুবিধা দিতে ৪১ লাখ টাকার সেতু!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নে একটি বাড়ির সামনে ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের পর প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

ধুলিয়া ইউনিয়নের মন্নান গাজী বাড়ির সামনে জামালকাঠি খালের ওপর নির্মিত হয়েছে সেতুটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি বাড়ির বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ওই স্থানে তুলনামূলক কম ব্যয়ে আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করেও যাতায়াতের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আলিফ হোসেন বলেন, মন্নান গাজী বাড়িতে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) থাকেন। তার তদবিরে বাড়ির সামনে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। একটি বাড়ির লোকজনের সুবিধার জন্য এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে সেতু নির্মাণ করা ঠিক হয়নি। ওখানে কম খরচে একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করা যেত। এখানে সরকারি টাকার অপচয় করা হয়েছে।

তবে মন্নান গাজী বাড়ির বাসিন্দা আবুল গাজী জানান, তাদের বাড়িতে সাতটি ঘরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন মানুষ বসবাস করেন। তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ হওয়ায় তারা উপকৃত হয়েছেন।

সেতুটির নির্মাণকাজ করা ঠিকাদার মো. আমির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার জানার কথা না। আমি টেন্ডারে কাজ পেয়েছি এবং কাজ শেষ করেছি। এটা সংশ্লিষ্টরা ভালো বলতে পারবেন।

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পগুলো তার দায়িত্ব নেওয়ার আগে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কারণে প্রকল্প নির্বাচন কীভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে পারবেন না।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা
পরিবারসহ কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়ে পাঁচ দিন পর ফেরার পথে বাসে তল্লাশি চালিয়ে বরিশালের কেডিসি বস্তির পাঁচ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে আগের মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা
নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে জালে ইলিশ ‘হাসলেও’ জেলেদের চোখে পানি
গত কয়েক দিন ধরে বলেশ্বর নদীতে তুলনামূলক ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরছে। এতে জেলে, পাইকার ও আড়তদারদের মধ্যে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। তবে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। এতে একদিকে শেষ সময়ে ইলিশ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে জেলেদের মধ্যে, অন্যদিকে দীর্ঘ সময় কর্মহীন থাকার চিন্তায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ঋণগ্রস্ত অনেক জেলে।
নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে জালে ইলিশ ‘হাসলেও’ জেলেদের চোখে পানি
মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে।
মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই নিয়ে বিধবার ভুয়া কাবিননামা তৈরি, অতঃপর...
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবা নারীর টিপসই নিয়ে এফিডেভিট ও জাতৗয় পরিচয়পত্র দিয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।  পাটুলী গ্রামের এক নারীর স্বামী মারা যান প্রায় এক যুগ আগে। প্রায় চার বছর আগে তার দ্বিতীয় ছেলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় এলাকার আব্দুল কদ্দুছকে তার উকিল শ্বশুর করা হয়। এই সুবাদে তাদের বাড়িতে যাতয়াত ছিল আব্দুল কুদ্দুছের। স্থানীয় আব্দুস ছাত্তারের মাধ্যমে মাঝে মধ্যে ওই বিধবা নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেন তিনি। প্রতিবারই বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দিতেন ওই নারী।  প্রায় দেড় মাস আগে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলেন আব্দুস ছাত্তার। কৌশলে তার দোকানে নিয়ে নিরক্ষর ওই নারীর কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট ছবি নেন। কয়েকদিন পর একটি খাতায় দুটি টিপসইও নেন ছাত্তার। সম্প্রতি আব্দুল কুদ্দুছের সঙ্গে ওই বিধবা নারীর বিয়ের একটি এফিডেভিট ও কাবিননামার কাগজ দেখিয়ে গ্রামের মানুষের মাঝে প্রচার করা হয়। পরে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও সভাপতির কাছে বিচার দেন ভুক্তভোগী নারী।  গত সোমবার সন্ধ্যায় পাটুলী গ্রামে শালিস বসে। শালিসে নারীর মুখ থেকে বিস্তারিত শোনেন উপস্থিত লোকজন। কিন্তু শালিসে অভিযুক্ত ছাত্তার উপস্থিত না থাকায় আবারও আগামীকাল বুধবার শালিস হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, হতদরিদ্র ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে এফিডেভিট ও ভুয়া কাবিননামা করেছেন আব্দুর কুদ্দুছ। পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী অফিসের সীল যুক্ত একটি কাবিননামায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য ও ৫০ হাজার টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। কাবীননামায় স্বাক্ষী হিসেবে আব্দুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম রয়েছে। অথচ তারা কেউ বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন।  কাবীননামায় স্বাক্ষীরা বলেন, আব্দুস ছাত্তার টাকার বিনিময়ে এই কাজ করেছেন। তার সঙ্গে আব্দুল হেকিম মাস্টার নামে একজন জড়িত রয়েছেন। শালিসে আব্দুস ছাত্তারকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও তিনি আসেননি। ভুক্তভোগী নারী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে একদিন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নিয়েছেন ছাত্তার। আরেকদিন ফোন দিয়ে ছাত্তারের দোকেনে নিয়ে কাগজে টিপসই নিয়েছেন। এখন গ্রামে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন আমাকে কদ্দুছ বিয়ে করেছেন। আমার পাঁচ সন্তান ও নাতনি রয়েছে, গ্রামে মানুষের মাঝে মুখ দেখাতে পারছি না। আমি বিচার চাই। বিয়ের কাবিনে সাক্ষী হিসেবে নাম উল্লেখ থাকা আব্দুল মান্নান ও সাইফুল ইসলাম জানান, ওই বিয়ের বিষয়ে কিছুই জানতেন না তারা। আব্দুস ছাত্তার টাকার বিনিময়ে এসব করেছেন। তার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন আব্দুল হেকিম মাস্টার নামে আরেক ব্যক্তি। পৌরসভার ১, ২ ও ৩ ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, তার সীল ও স্বাক্ষর জাল করে কাবিননামাটি করেছেন কেউ। বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক বলেন, ‘আমার বিএনপির কেউ ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে এমন কিছুর সত্যতা পাইনি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সোহাগের ভাষ্য, ভুক্তভোগী নারীর সম্মানহানীর বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই নিয়ে বিধবার ভুয়া কাবিননামা তৈরি, অতঃপর...
চরফ্যাশন হাসপাতালের প্রধান সহকারীর সম্পদের অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে অভিযোগ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারীর পদে থাকা মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চাকরির আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তার নামে-বেনামে থাকা এসব সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হাসিব নামে এক ব্যক্তি। এছাড়া ভোলা সিভিল সার্জন বরাবরও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
চরফ্যাশন হাসপাতালের প্রধান সহকারীর সম্পদের অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে অভিযোগ
আরও পড়ুন
পটুয়াখালীর চর বিজয় দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি
দস্যুতার অভিযোগে ৯ জেলে আটক
স্কুল চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়ল একের পর এক শিক্ষার্থী, ঘটনা কী
পবিপ্রবিতে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পলাতক যুবক