ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সতীনের কাছে যাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
বেলপুকুর থানা। ছবি : আরটিভি

রাজশাহীর পুঠিয়ায় আশরাফুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে পুঠিয়া উপজেলার মাহিন্দ্রা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আশরাফুলের দ্বিতীয় স্ত্রী রেখা খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত আশরাফুলকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল পুঠিয়ার তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় বাসের সহকারী। তারাপুরে তার প্রথম স্ত্রী থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য মাহিন্দ্রা বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। তবে মাঝেমধ্যে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতেও যেতেন আশরাফুল। এ নিয়ে দুই স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে। এই বিরোধের জেরে শনিবার ভোরে রেখা ব্লেড দিয়ে তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজশাহীর বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আশরাফুলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রামেকে নিয়ে যায়। তিনি বর্তমানে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে তাঁর দেখভালের জন্য প্রথম স্ত্রী সঙ্গে রয়েছেন।

ওসি আরও জানান, ঘটনার পরই দ্বিতীয় স্ত্রী রেখা খাতুনকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নানা প্রতিকূলতায় পাইকগাছায় আমন আবাদে ঘাটতি ১৫০ হেক্টর
খুলনার পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হওয়া, চারা রোপণের সময় বৃষ্টির ঘাটতি, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫০ হেক্টর জমিতে কম আবাদ হয়েছে। এর সঙ্গে উৎপাদন উপকরণের বাড়তি খরচ যুক্ত হওয়ায় ফসলের ফলন ও লাভ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন কৃষকেরা। পাশাপাশি কোনো কোনো কৃষক ধানের পরিবর্তে মাছ চাষে বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখছেন।
নানা প্রতিকূলতায় পাইকগাছায় আমন আবাদে ঘাটতি ১৫০ হেক্টর
পাইকগাছায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১৮ জন
খুলনার পাইকগাছায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
পাইকগাছায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১৮ জন
সাজেকের পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে সশস্ত্র তৎপরতা ও সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন।
সাজেকের পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ
পিরোজপুরে প্রবাসীর কেনা জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর কেনা জমি দখলের চেষ্টা, ঘরের বেড়া ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জমির মালিকানা দাবি করেছেন অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান। এদিকে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে পুলিশ। মামলার বাদী মো. মানিক মিয়া (৬৫) মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। মামলার আসামিরা হলেন ওই ইউনিয়নের আন্ধারমানিক এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. জালাল মিয়া (৬০) ও পৌরসভার বহেরাতলা এলাকার মো. রতন মিয়া (৫৫)। এ ছাড়া ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি মঠবাড়িয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমপি মামলা নম্বর ১৮৮/২০২৬ (মঠবাড়িয়া) হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে। আদালতে দাখিল করা অভিযোগ অনুযায়ী, মঠবাড়িয়া মৌজার ২১ নম্বর জে.এল.-ভুক্ত সাবেক ১৫৬ নম্বর খতিয়ানের ১১৫৬ নম্বর দাগের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। বাদীর দাবি, জমিটি তার ভোগদখলে ছিল। পরে তিনি জমিটি প্রবাসী জাহিদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ আগস্ট রাত ৮টা থেকে পরদিন রাত ২টার মধ্যে আসামিরা লোকজন নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা টিনের বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যান। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। এ সময় বাধা দিলে প্রবাসী জাহিদুলের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। মানিক মিয়া বলেন, নগদ অর্থের প্রয়োজনে তিনি জমিটি জাহিদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। জাহিদুল প্রবাসে থাকায় তার পক্ষে মামলা করেছেন বলে জানান তিনি। মুঠোফোনে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি মানিক মিয়ার কাছ থেকে কিনেছেন তিনি। জমি কেনার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে নিয়ম অনুযায়ী নামজারি সম্পন্ন করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। জাহিদুলের অভিযোগ, ১৪৪ ধারার আদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও জমিতে থাকা দুটি ঘর ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জমি কেনার পর থেকে তারা চাপ, হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জালাল মিয়া। তার দাবি, জমিটি তার নিজের। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছে এবং সালিশের রোয়েদাদে মানিক মিয়ার জমিটিতে কোনো স্বত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মানিক মিয়া নিজের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। জালাল মিয়া বলেন, মামলা হয়েছে। আদালতে দুই পক্ষই নিজেদের কাগজপত্র জমা দেবে। মামলার রায়ে যা নির্ধারিত হবে, তা তিনি মেনে নেবেন। মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, জমিটি নিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ রয়েছে। এ আদেশের বিরুদ্ধে জালাল উদ্দীন মামলা করেছিলেন। তবে উচ্চ আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়ে স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন বলে জানান তিনি। জমি নিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে। আরটিভি/টিআর
পিরোজপুরে প্রবাসীর কেনা জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
৫ বছরেও শেষ হয়নি ভবন নির্মাণ, জরাজীর্ণ ঘরেই মনপুরা পোস্ট অফিস
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় নিজস্ব ভবন না থাকায় বছরের পর বছর ধরে ভাড়া নেওয়া জরাজীর্ণ আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে একমাত্র প্রধান পোস্ট অফিসের কার্যক্রম। সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এ ঘরে সীমিত পরিসরে চলছে দাপ্তরিক কাজ। ফলে ব্যাহত হচ্ছে ডাক বিভাগের স্বাভাবিক কার্যক্রম, আর কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর সুযোগ না থাকায় এখনো অনেকটা সনাতন পদ্ধতিতেই চলছে পোস্ট অফিসটির কার্যক্রম। অন্যদিকে, জরাজীর্ণ ভবনে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও বিভিন্ন পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। রাতে একই ঘরের একাংশে তাদের থাকতে হয় বলেও জানিয়েছেন পোস্ট অফিসটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. আবু তাহের। তিনি জানান, স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় তাদের উদ্বেগ বেড়ে যায়। এসএসসি, এইচএসসি, সমমান ও ডিগ্রি পরীক্ষার উত্তরপত্র এ টিনশেডের ঘরেই রাখতে হয়। এ সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপত্রের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জানা গেছে, ২০০২ সালে নদীভাঙনের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে পোস্ট অফিসের তিনতলা ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। এরপর থেকে আর স্থায়ী ভবনে ফেরা হয়নি পোস্ট অফিসটির। স্থানীয় রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়ায় নেওয়া একটি আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে এর কার্যক্রম। দীর্ঘদিনের এ সংকট নিরসনে ২০২১ সালে পোস্ট অফিসের জন্য দেড়তলা পাকা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। ফলে নতুন ভবনে কার্যক্রম স্থানান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রত্যাশীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাওয়ার হাউস-সংলগ্ন ছোট একটি জরাজীর্ণ আধাপাকা টিনশেডের ঘরে চলছে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম। ভেতরে রয়েছে দুটি কাঠের টেবিল, দুটি ভাঙাচোরা আলমারি, চারটি চেয়ার এবং ডাক বিভাগের কিছু কাগজপত্র। ঘরটির সামনের অংশে দাপ্তরিক কাজ করা হয়, আর পেছনের অংশে রাত কাটান কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পোস্টমাস্টার, পোস্টম্যান ও প্যাকারম্যানকে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই সরকারি চিঠিপত্র গ্রহণ, বাছাই ও বিতরণের কাজ করতে দেখা গেছে। বর্তমানে চিঠিপত্র আদান-প্রদান ও সীমিত পরিসরে মানি অর্ডার-সংক্রান্ত কার্যক্রম ছাড়া অন্যান্য সেবা বন্ধ রয়েছে। ভবন ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি রয়েছে লোকবলসংকট। এতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। ডাক বিভাগের আওতায় চিঠি, পার্সেল, মানি অর্ডার ও ইলেকট্রনিক মানি অর্ডারসহ বিভিন্ন সেবা থাকলেও মনপুরা পোস্ট অফিসে এসব সেবার বেশির ভাগই পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় চিঠি ও পার্সেল পাঠাতে তারা বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসের ওপর নির্ভর করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডের ঘর হওয়ায় অনেকে পোস্ট অফিসে পার্সেল পাঠাতেও আগ্রহী নন। অন্যদিকে, মানি অর্ডারের খরচ বেশি মনে হওয়ায় আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ ও বিকাশের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করছেন তারা। এ বিষয়ে মনপুরা পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. আবু তাহের জানান, স্থায়ী পাকা ভবন না থাকায় আমরা কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছি না। এ ছাড়া লোকবলসংকটও রয়েছে। নতুন ভবনের নির্মাণকাজ চলমান। সেখানে আইসিটি কর্নার থাকবে। ভবনটি চালু হলে আধুনিক ও ডিজিটাল সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ডাক বিভাগের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মনপুরা পোস্ট অফিসের স্থায়ী ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করা গেলে দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দাদের ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি ডাকসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে। আরটিভি/টিআর
৫ বছরেও শেষ হয়নি ভবন নির্মাণ, জরাজীর্ণ ঘরেই মনপুরা পোস্ট অফিস
আরও পড়ুন
রুয়েটে কোডিং পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা
বিরল আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন রাবির প্রফেসর ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. অরুন কুমার 
রুয়েটে ফার্স্ট এইড ও ইমার্জেন্সি রেসপন্স ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
ছাত্রত্ব নেই তবুও বহিষ্কার, এটা হাস্যকর সুপারিশ: রাবি শিবির সভাপতি