ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ

কলমাকান্দায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ২

নেত্রকোনা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ভুয়া তথ্য ও জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দুই রোহিঙ্গার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরির ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুলসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পরপরই কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. মঞ্জুরুল মিয়া ও চাকরিচ্যুত কম্পিউটার অপারেটর কাঞ্চন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় গত রাতে থানায় মামলা হয়েছে। পরে আজ ভোরে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় আসামিরা হলেন- উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রংছাতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল (৬৪), উপজেলা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. মঞ্জুরুল মিয়া (২৫), নির্বাচন অফিসের চাকরিচ্যুত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাঞ্চন মিয়া (২৯), আরিফ মিয়া (৩৪) ও স্ক্যানিং অপারেটর স্মরণ সরকার হীরা (৩০), উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামের ওমর আলী (৪৯) এবং একই গ্রামের মোকসেদ আলী (৪৪)। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগের দিন বুধবার দুই রোহিঙ্গার এনআইডি তৈরির বিষয়ে আরটিভি অনলাইনে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর ‘আঁতুড়ঘর’ কলমাকান্দা নির্বাচন অফিস শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে জাল কাগজপত্র তৈরি করে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ও এনআইডি পেতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নির্বাচন অফিসের কয়েকজন আউটসোর্সিং কর্মী এবং স্থানীয় কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান গত ২ মার্চ বদলি হয়ে কলমাকান্দায় যোগ দেন। এর আগে কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তির ভোটার নিবন্ধন নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে গত ২৯ মার্চ ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তদন্তের নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ৩১ মার্চ তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের ভিত্তিতে ২০ জুলাই কলমাকান্দা নির্বাচন অফিসের কয়েকজন আউটসোর্সিং কর্মীর বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে রোহিঙ্গাকে ভোটার তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। ওই দিন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাঞ্চন মিয়া ও আরিফ মিয়া এবং স্ক্যানিং অপারেটর স্মরণ সরকার হীরাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্বাচন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই কয়েকজনের ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ নেওয়া এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন সার্ভারে তথ্য আপলোডের কাজ করেন। পরে ভোটার তালিকার তথ্য যাচাই করতে গিয়ে অসংগতি ধরা পড়ে। সরেজমিনে যাচাইয়েও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভোটার হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে বলে দাবি করেন বাদী।

সর্বশেষ নূর হালিমা ও মুজিবুর রহমানের এনআইডি তৈরির ঘটনায় নির্বাচন অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৯ জুলাই সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট হওয়ার ঘটনাতেও পরিচ্ছন্নতাকর্মী মঞ্জুরুলের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাদী।

এ বিষয়ে রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমাদের ওয়েবসাইটে ওই দুজনের তথ্য নেই। বাইরে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন করে নিয়েছে তারা।

যেভাবে সামনে আসে ঘটনা

এর আগে গত বুধবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দা দেখিয়ে নূর হালিমা (২৫) ও মুজিবুর রহমান নামে দুই রোহিঙ্গার এনআইডি তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে নূর হালিমার এনআইডি গত ১১ আগস্ট হস্তান্তর করা হয়। মুজিবুর রহমানের এনআইডির তথ্য নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে আপলোড করা হলেও বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সেটি হস্তান্তর করা হয়নি।

বিষয়টি জানতে সরেজমিন অনুসন্ধানে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের শান্তিনগর গ্রামে গেলে ওমর আলী জানান, নূর হালিমা নামে তার কোনো মেয়ে নেই।

সংবাদ প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ে। এর পরদিনই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা থানায় মামলা করেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অযত্নে সৌন্দর্য হারাচ্ছে চাকিরপশার বিলের পদ্মের মেলা
বিলজুড়ে থইথই পানি। তার বুক চিরে মাথা তুলে আছে সারি সারি পদ্ম। কোথাও গোলাপি, কোথাও সাদা। বাতাসে দুলছে ফুল আর গোলাকার পাতা। দূর থেকে মনে হয়, সবুজের মাঝে যেন কেউ ছড়িয়ে দিয়েছে রঙিন ফুলের চাদর। হারিয়ে যেতে বসা সেই চেনা সৌন্দর্য দেখতে এখন প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার বিল যেন ফিরে পেয়েছে তার পুরোনো রূপ। একসময় রাজারহাটসহ কুড়িগ্রামের বিভিন্ন বিল-ঝিলে বর্ষা ও শরতে এমন পদ্মের সমারোহ ছিল। বিলের পানি, পদ্মফুল আর দেশি মাছ ছিল এ অঞ্চলের প্রকৃতির স্বাভাবিক দৃশ্য। কালের বিবর্তনে জলাভূমি কমেছে, অনেক বিলের তলদেশ শুকিয়ে গেছে। খরা, অনাবৃষ্টি, অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার ও জলাভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করে চাষাবাদের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে পদ্মের আবাসস্থল। সেই হারানো সৌন্দর্যের স্মৃতি এখনো ধরে রেখেছে চাকিরপশার বিল। পদ্মের শুধু সৌন্দর্যই নয়, রয়েছে অর্থনৈতিক গুরুত্বও। ফুলের পাশাপাশি পদ্মের ডাঁটা সবজি হিসেবে এবং ফলের ভেতরের বাদামি বীজ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। স্থানীয়ভাবে ওই বীজ পদ্মখোঁচা নামে পরিচিত। পদ্মফুলের চাহিদা থাকায় বিলসংলগ্ন অনেক দরিদ্র মানুষ ফুল, ডাঁটা ও ফল বিক্রি করে আয় করেন। দুর্গাপূজাতেও পদ্মফুলের রয়েছে বিশেষ ব্যবহার। তবে এই সৌন্দর্য বেশিদিন থাকবে না বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে অনেকে বিল থেকে পদ্মফুল তুলে সংরক্ষণ করছেন। কেউ কেউ প্রতিদিন ফুল তুলে বাজারে বিক্রি করছেন। ফলে দ্রুত কমছে ফুটন্ত পদ্মের সংখ্যা। খরা, অনাবৃষ্টি, অতিরিক্ত কীটনাশক, বিলের তলদেশ শুকিয়ে যাওয়া ও জলাভূমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় পদ্মফুল হারিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে কমছে জলাভূমির জীববৈচিত্র্যও। চাকিরপশার বিলের পদ্ম তাই শুধু ফুল নয়—এ অঞ্চলের হারিয়ে যেতে বসা প্রকৃতির এক জীবন্ত স্মৃতি। স্থানীয় বাসিন্দা মনিরা বেগম বলেন, খালি ফুল নয়, এর লতাও এখানকার মানুষ সবজি হিসেবে খায়। পদ্মের ফুল, পদ্মখোঁচা খাওয়া হয়। হিন্দুদের পূজাতেও লাগে। এটি অনেক উপকারী গাছ। স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন স্থানে এই পদ্মফুলের চাহিদা অনেক। পদ্মফুলের প্রতিটি অংশই বিক্রি হয়। ফুলগাছের ডাঁটা সবজি হিসেবে, ফুল সৌন্দর্যবর্ধনে এবং ফল খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পদ্মফুল, ফল ও ডাঁটা বিক্রি করে এই এলাকার অনেক দরিদ্র মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। মাহবুবুর রহমান বলেন, দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয় পদ্মফুল। এবার আসন্ন দুর্গাপূজার কারণে স্থানীয় অনেকে বিলের পদ্মফুল তুলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করছেন। কেউ কেউ বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রতিদিন ফুল তুলছেন। এ কারণে বেশিদিন এই সৌন্দর্য দেখা যাবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। স্কুলশিক্ষার্থী তাসনিম জানায়, তাঁরা বিল থেকে ফুল তুলে মালা গাঁথে। মালা, ফুল ও পদ্মখোঁচা বিক্রি করে এবং নিজেরাও খায়। রাজারহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি সরকার অরুণ যদু বলেন, একসময় উপজেলার সব বিলেই বছরজুড়ে বর্ণিল পদ্মফুল ও দেশি মাছের সমারোহ ছিল। পদ্মফুল ও মাছ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেক দরিদ্র মানুষ। কালের আবর্তে তা এখন হারানো অতীত মাত্র। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও পরিবেশবিদ মির্জা মো. নাসির উদ্দিন আরটিভিকে বলেন, রাজারহাটের চাকিরপশার বিলে ফুটে থাকা পদ্মফুল যে রূপ ও শোভা ধারণ করেছে, তা দেখতে এ সময়ে পর্যটনপ্রেমীরা সেখানে ছুটে যাচ্ছেন। আরটিভি/এমএইচজে
অযত্নে সৌন্দর্য হারাচ্ছে চাকিরপশার বিলের পদ্মের মেলা
তাড়াশে স্কুলে অভিভাবক ও মা সমাবেশ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের কুন্দাশন উচ্চ বিদ্যালয়ে শনিবার দিনব্যাপী অভিভাবক ও মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তাড়াশে স্কুলে অভিভাবক ও মা সমাবেশ
সদরপুরে নজরুল বর্ষ উদযাপন, দুই সাহিত্য সাময়িকীর মোড়ক উন্মোচন
সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে ফরিদপুরের সদরপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে নজরুল বর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য পত্রিকা কল্পলোক-এর পঞ্চম এবং ইংরেজি সাহিত্য সাময়িকী দি ক্রিয়েটিভ মাইন্ড-এর দ্বিতীয় প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
সদরপুরে নজরুল বর্ষ উদযাপন, দুই সাহিত্য সাময়িকীর মোড়ক উন্মোচন
‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে লংগদুতে যুবদলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
নানা অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের মনগড়া অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের রাঙামাটির লংগদু উপজেলা শাখার সদস্য সচিব সৈয়দ ইউনুছকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা যুবদল। আনীত সব অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত নেতা সৈয়দ ইউনুছ।
‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে লংগদুতে যুবদলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
মা ইলিশ সংরক্ষণে মেঘনা নদীতে অভিযান, ৫০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে ধ্বংস
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর নুনেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
মা ইলিশ সংরক্ষণে মেঘনা নদীতে অভিযান, ৫০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে ধ্বংস
আরও পড়ুন
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাছে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর ‘আঁতুড়ঘর’ কলমাকান্দা নির্বাচন অফিস
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
কাশেমের অপকর্ম লুকাতে স্ত্রীর অভিনব প্রস্তাব