ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হঠাৎ দৌলতদিয়ার মৌসুমীর ঘরে অভিযান, যা পাওয়া গেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ১০০ গ্রাম হেরোইন ও মাদক বিক্রির ছয় লাখ টাকা জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মৌসুমী আক্তার (২৯) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দৌলতদিয়ার পোড়াভিটা এলাকায় তার বসতঘরে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক ও টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার মৌসুমী আক্তার ওই এলাকার বাসিন্দা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌসুমী আক্তারের বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘর থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন ও নগদ ছয় লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

মামলার বাদী মো. আকবর হোসেন জানান, মৌসুমী আক্তারের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. রাসেল আলী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর দৌলতদিয়ায় মৌসুমী আক্তারের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হেরোইন ও নগদ টাকা জব্দ করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বারেক ব্যাপারীর বাদ্যযন্ত্রে তল্লাশি, লুকানো ছিল বিদেশি পিস্তল
যাত্রীবাহী বাসে একটি পুরোনো ভাঙা হারমোনিয়াম নিয়ে যাচ্ছিলেন মো. বারেক ব্যাপারী। হারমোনিয়ামের ভেতরে কৌশলে লুকানো ছিল দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাতটি গুলি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানার পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে বারেক ব্যাপারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি গুলি এবং অস্ত্র বিক্রির ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীটির অধিনায়ক মাসুদ রানা। এসআরবি জানায়, ৪৯ বছর বয়সী বারেক ব্যাপারীর বাড়ি পাবনা জেলায়, থাকেন ঈশ্বরদীতে। কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা রিয়াজ পরিবহনের একটি বাসে করে যাচ্ছিলেন। যমুনা সেতুর পূর্ব থানার পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় বাসটিতে তল্লাশি চালানোর সময় তার কথাবার্তা ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা পুরোনো হারমোনিয়ামের ভেতর থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, সাতটি গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। বারেককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, অস্ত্র দুটি মুন্সিগঞ্জের সুজন ব্যাপারী নামের এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল বারেকের। সুজন কুষ্টিয়া থেকে পিস্তল দুটি কিনেছেন বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসআরবি-১৪-এর টাঙ্গাইল ক্যাম্পের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১১-এর নারায়ণগঞ্জের একটি দল আজ সকাল সাতটার দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শিরোলই এলাকায় সুজন ব্যাপারীর বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে সুজন ব্যাপারী (৩২) ও তার বড় ভাই মনির হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, তিনটি মুঠোফোনসহ নগদ ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে অভিযানে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১১টি গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন, ৩টি মুঠোফোন ও ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। এসআরবি অধিনায়ক মাসুদ রানা বলেন, এ ঘটনায় টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানা ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। অস্ত্রগুলো কোথা থেকে এসেছে, কত দিন ধরে এ কাজে আটক ব্যক্তিরা জড়িত, সেসব বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে। আরটিভি/এসএস
বারেক ব্যাপারীর বাদ্যযন্ত্রে তল্লাশি, লুকানো ছিল বিদেশি পিস্তল
টঙ্গীর পর এবার সাভারে আগুন
গাজীপুরের টঙ্গীর পর এবার সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাদানী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
টঙ্গীর পর এবার সাভারে আগুন
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
গাজীপুর জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মোবারক হোসেন (৫৪)নামে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি গাজীপুর মহানগরীর ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘডুবি পূর্ব ইউনিট আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছিলেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মোবারক হোসেন গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার মেঘডুবি এলাকার বাসিন্দা। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মোবারক হোসেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কারাগারের ভেতরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে গাজীপুর জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার নূর মোহাম্মদ সোহেল জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে মোবারক হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলার বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি মোবারক হোসেনের জামিন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। বর্তমানে তার মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল এলাকা থেকে মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচার চালানো এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আরটিভি/টিআর
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মনিকা, অতঃপর...
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুণ্ড গ্রামে মনিকা খাতুন (১৯) নামে দুই সন্তানের এক জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিহত মনিকা খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট কামারকুণ্ড গ্রামের মতিয়ার রহমানের মেয়ে। তার স্বামী হাটগোপালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে নিশান। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন মনিকা। বুধবার দুপুর ২টার দিকে তিনি গলায় ফাঁস দেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের বাবা মতিয়ার রহমান জানান, বুধবার সকালে মেয়ে তার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি মাঠে গেলে মেয়ের আত্মহত্যার খবর পান। কী কারণে তার মেয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের কেউ বুঝতে পারছেন না। তবে তার মেয়ে কিছুটা রাগী স্বভাবের ছিলেন বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মনিকা খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মনিকা, অতঃপর...
আরও পড়ুন
পদ্মার নাব্যতা সংকটে দৌলতদিয়ার ৫ ঘাট বন্ধ
হঠাৎ দৌলতদিয়া গেল ৫ শিশু, অতঃপর...
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ