ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

রাজবাড়ীতে ১৩ মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম
ছবি : আরটিভি

রাজবাড়ী পৌর শহরের সজ্জনকান্দা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে পিয়ারুল (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত পিয়ারুল জেলার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে জানা গেছে। মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদসংলগ্ন রাজনের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পিয়ারুল সরদার রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বড় মুরারিপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে বের হওয়ার পর মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি পিয়ারুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. অনিক কুমার মণ্ডল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, পিয়ারুল সরদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। পিয়ারুলের বিরুদ্ধে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত চলছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্যের মৃত্যু
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সেনাসদস্যের নাম সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭)। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা সূত্রমতে, রঙ্গীখালী এলাকার গভীর পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালি নাগরিককে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল জিম্মি করে রেখেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ আভিযানিক দল গঠন করা হয়। যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সশস্ত্র মানবপাচারকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সেনাসদস্য তিতাস শেখের বাঁ কাঁধে গুলি লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও চার রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মানবপাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক এবং জিম্মি অবস্থায় থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশমাতৃকার সেবায় দায়িত্ব পালনকালে তরুণ সেনাসদস্যের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আরটিভি/টিআর
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্যের মৃত্যু
ময়মনসিংহে লোকালয় থেকে মেছোবাঘ উদ্ধার
ময়মনসিংহের ভালুকায় লোকালয় থেকে একটি মেছোবাঘ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ঝালপাজা গ্রামের শামীম মণ্ডলের বসতবাড়ির আঙিনা থেকে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। পরে মেছোবাঘটি দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ নভেম্বর) গভীর রাতে পশ্চিম ঝালপাজা এলাকার বাসিন্দা শামীম মণ্ডলের বসতবাড়ির আঙিনায় হঠাৎ একটি বন্যপ্রাণীর গর্জন শোনা যায়। বাঘের মতো দেখতে প্রাণীটি দেখে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের প্রতিবেশীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ছুটে আসেন। পরে গ্রামবাসী প্রাণীটিকে কোনো ধরনের আঘাত না করে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং কৌশলে অক্ষত অবস্থায় আটক করতে সক্ষম হন। লোকালয়ে মেছোবাঘ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শামীম মণ্ডলের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করেন। বাড়ির মালিক শামীম মণ্ডল বলেন, বুধবার গভীর রাতে হঠাৎ বাড়ির উঠানে অদ্ভুত গর্জন শুনতে পান তিনি। পরে টর্চলাইটের আলো ফেলতেই বাঘের মতো দুটি প্রাণীকে ওত পেতে বসে থাকতে দেখেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় কৌশলে একটি প্রাণী আটক করা সম্ভব হলেও অন্যটি পালিয়ে যায়। বাড়ির উঠানে বাঘ চলে আসায় রাতে তাঁরা খুব আতঙ্কে ছিলেন। তবে প্রাণীটির কোনো ক্ষতি না করে বন বিভাগের হাতে তুলে দিতে পেরে ভালো লাগছে। এ বিষয়ে হবিরবাড়ী বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোর্শেদ শাহিল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেছোবাঘটি উদ্ধার করে। পরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে প্রাণীটিকে অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
লোকালয় থেকে মেছোবাঘ উদ্ধার
আরও পড়ুন
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্যের মৃত্যু
টেকনাফে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত
সালমান শাহ হত্যা মামলা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী