ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
ছবি : আরটিভি

মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা, মাদক ব্যবসা ও আসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ঘিওরকে মাদকমুক্ত করতে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করার লক্ষ্যে মানিকগঞ্জের ঘিওরে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৯ ঘটিকায় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার আব্দুল মজিদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন একাডেমি প্রাঙ্গণে ঘিওর উত্তরপাড়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে উত্তরপাড়া গ্রামের হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোহসিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা-তুল ইসলাম, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রসিকিউটর আরিফ মোর্শেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জাকির ইকবাল এবং ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহব্বত (কবির)।

মাদক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। এর ছোবলে তরুণদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবারে অশান্তি ও সামাজিক অবক্ষয় সৃষ্টি হয়। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে এলাকাবাসী মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জাকির ইকবাল বলেন, পুলিশ-প্রশাসন ও সকলের সাথে ঐক্য আমরা গ্রাম থেকে মাদক নির্মূল করবো, সেজন্য আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। পুলিশের প্রতি অনুরোধ রাতে যেনো টহল বৃদ্ধি করা হয় তাতে মাদক ব্যবসায়ীদের ঘুম হারাম হয়ে যাবে।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাশিতা-তুল ইসলাম বলেন, সবাই সহযোগিতা করলে সমাজ থেকে মাদক বিতাড়িত করা সম্ভব। তবে বাবা-মায়ের সচেতন হতে হবে সবার প্রথমে, সন্তানকে চোখে চোখে রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোহসিন বলেন, কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশ প্রশাসন ধরলে যেনো কেউ তদবির না করে সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো। সেটা আপনার সন্তান হলেও ছাড় পাবে না। আমরা পুলিশ এবং প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী বলেন,আমরা সকলে মিলে মাদক ব্যবসায়ীদের এমন অশান্তিতে রাখবো যেন তারা এই পথ থেকে দূরে সরে আসে। পাশাপাশি আমাদের নিজেদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, সমাজের সকল মা-বাবাদের সোচ্চার থাকতে হবে। সকলের সহযোগিতা থাকলে দ্রুত সমাজ থেকে মাদক নির্মূল হবে।

আয়োজকদের এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ঘিওরে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে স্থানীয় মানুষ আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সচেতন মহল।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় সৎমেয়েকে ধর্ষণের মামলায় জেল খাটার চার বছর পর স্ত্রীকে কুপিয়ে তার হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছেন স্বামী ওবায়দুল্লাহ সরকার (৪৫)। ধর্ষণ মামলার প্রতিশোধ নিতে মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে ওই নারীকে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার তারাকান্দা ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহ সরকার ওই গ্রামের তহুর উদ্দিন সরকারের ছেলে। তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ ওই নারীকে কুপিয়ে তার হাত বিচ্ছিন্ন করার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ওবায়দুল্লাহ আনুমানিক ২০ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। ঈদের সময় বাড়িতে আসতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওবায়দুল্লাহ তিনটি বিয়ে করেছেন। তার তৃতীয় স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে। ওই নারীর প্রথম স্বামী মারা গেলে ওবায়দুল্লাহ তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় ওই নারীর আগের স্বামীর ঘরে এক কিশোরী মেয়ে ছিল। ওবায়দুল্লাহ ওই নারীর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারী স্বামী ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই নারী তার কিশোরী মেয়েকে বাবার বাড়িতে রেখে বিদেশে চলে যান। বিদেশে যাওয়ার চার বছর পর সম্প্রতি ওই নারী দেশে ফেরেন। এদিকে, ওবায়দুল্লাহ জেল খেটে বের হন। জেল থেকে বের হয়ে প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মীমাংসার কথা বলে ওই নারীকে তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা উপজেলার ওই এলাকায় নিয়ে আসেন ওবায়দুল্লাহ। সন্ধ্যার পর মামলা-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে ওই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি। এ সময় দার কোপে ওই নারীর এক হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে ওই নারী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, আহত নারীর স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনেরা থানায় এলে মামলা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়ি নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
গাজীপুরে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলার কালিয়াকৈরে এ ঘটনা ঘটে। আটক রুহুল আমিন বাবু একই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে একটি পূজামণ্ডপের কাছে আয়োজিত মেলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ঘুরতে যায়। এ সময় তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। শিশুটির চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরটিভি/টিআর
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়িতে নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। একই সঙ্গে মহানগরী সংগঠন এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত ১৪ অক্টোবর মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মহানগরী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ দায়িত্ব পালন করবেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। এদিকে, ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমিরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে: এমপি সরোয়ার
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য এবং বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, কোনো পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। 
পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে: এমপি সরোয়ার
রাজবাড়ীতে ১৩ মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
রাজবাড়ী পৌর শহরের সজ্জনকান্দা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে পিয়ারুল (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত পিয়ারুল জেলার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে জানা গেছে। মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদসংলগ্ন রাজনের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পিয়ারুল সরদার রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বড় মুরারিপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে বের হওয়ার পর মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি পিয়ারুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. অনিক কুমার মণ্ডল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, পিয়ারুল সরদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। পিয়ারুলের বিরুদ্ধে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত চলছে। আরটিভি/টিআর
রাজবাড়ীতে ১৩ মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
আরও পড়ুন
মাদক ও জুয়া বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
লেবুর বস্তায় মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা
হঠাৎ দৌলতদিয়ার মৌসুমীর ঘরে অভিযান, যা পাওয়া গেল
শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির