ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

অর্ধযুগেও শেষ হয়নি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ, ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
ছবি: আরটিভি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সদরে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজ ছয় বছরেও শেষ হয়নি। অথচ মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল।

দীর্ঘ সময় ধরে ধীরগতিতে কাজ চলার পর গত ছয় মাস ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে নির্মাণকাজ। এতে মসজিদটি চালু হওয়ার অপেক্ষায় থাকা স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা পরিষদ চত্বরে ১১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদটির কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস বিল্ডার্স। ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার শর্তে ২০১৯ সালের ৩ এপ্রিল নির্মাণকাজ শুরুর কথা ছিল। তবে জায়গা নির্ধারণ, পুরোনো মসজিদ ভাঙা, পুকুর ভরাট, করোনা মহামারি, বন্যা ও অর্থায়নসংক্রান্ত জটিলতাসহ নানা কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে ২০২০ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলায় ১২টি এবং জেলা সদরে একটি, মোট ১৩টি মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসব মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। তবে প্রকল্পের অংশ হিসেবে তাহিরপুরে নির্মাণাধীন মসজিদটির কাজ দীর্ঘ সময়েও শেষ হয়নি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মডেল মসজিদগুলোতে ইসলামিক প্রশিক্ষণ ও অটিজম সেন্টার, নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, সম্মেলনকক্ষ, অতিথিকক্ষ এবং ফুলের বাগানসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকার কথা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মাণাধীন মসজিদটির কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকলেও সেখানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় এক বৃদ্ধকে নির্মাণসামগ্রী দেখাশোনা করতে দেখা গেছে। ৬ বছর ধরে টিনশেড একটি অস্থায়ী বিল্ডিংয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। কবে নাগাদ আবার কাজ শুরু হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, উপজেলা সদরে একটি আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় তাঁরা আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ না হওয়ায় তাঁদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন।

স্থানীয় মুসল্লি হারুন অর রশিদ বলেন, মডেল মসজিদটি নির্মাণ হলে আমরা সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব জায়গায় নামাজ আদায়ের সুযোগ পেতাম। কিন্তু ছয় বছরেও কাজ শেষ হলো না। আমরা স্থানীয়রা গত বছর কাজের ধীরগতির কারণে মানববন্ধন করেছি। পরে কিছুদিন কাজ করতে দেখা যায়। এখন আবার ছয় মাস ধরে কাজ বন্ধ। আমরা চাই, দ্রুত জটিলতা নিরসন করে নির্মাণকাজ শেষ করা হোক।

আরেক মুসল্লি ইমরান হোসেন বলেন, সরকার এত টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, অথচ মসজিদটি এখনো চালু করা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে মূলত এত দিনেও নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মসজিদটি চালু করা।

স্থানীয় যুবক তানিম আহমদ লিংকন বলেন, আমরা দেখেছি বিভিন্ন জায়গায় মডেল মসজিদের কাজ শেষ এবং কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে। আমাদের উপজেলা মডেল মসজিদের কাজ কবে যে শেষ হবে আল্লাহই ভালো জানেন। আমরা চাই ভালো কোনো ঠিকাদার দিয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করে হস্তান্তর করা হোক।

এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে তাহিরপুর উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ অর্ধযুগেও শেষ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, খুব দ্রুত নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে আবার কাজ শুরু হবে।

সুনামগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তাহিরপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মামলা চলছে। মামলায় আমরা জয়ী হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে অন্য কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হবে। আশা করছি খুব দ্রুত আবার কাজ শুরু হবে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী বলেন, আমি এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। আমার বাসভবনের সামনেই মসজিদটির নির্মাণকাজ হচ্ছে। কাজ বন্ধ দেখে আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন, দ্রুত কাজ শুরু হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
আরও পড়ুন
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
এত সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর কোথাও দেখিনি: ইউএনডিপি প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জে প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫
সুনামগঞ্জে মাইকিং করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক