
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চাচি সোনা বানুকে (৪৫) হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজা ফারুক হোসেনের (৩২) বিরুদ্ধে।
এ সময় ফারুকের চাচা খলিল হোসেন (৫০), বোন মমিনা খাতুন (৩৫) ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জোসনা বেগম (২৬) আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার উত্তর বারবান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
নিহত সোনা বানু ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী। অভিযুক্ত ফারুক একই গ্রামের মৃত জয়নাল জোদ্দারের ছেলে। তিনি দুবাই প্রবাসী। প্রায় তিন মাস আগে ছুটিতে দেশে ফেরেন।
স্বজনদের দাবি, দেশে ফেরার পর থেকে তার আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় এবং তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে ফারুক তার মা ও ছেলে মাহমুদুলকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। তাদের উদ্ধারে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে গেলে ফারুক ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রথমে চাচি সোনা বানুকে কুপিয়ে জখম করেন। পরে চাচা, বোন ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকেও কুপিয়ে আহত করেন। গুরুতর আহত সোনা বানু ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পরে স্থানীয় লোকজন ফারুককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। আহত তিনজনকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওছার আলী আরটিভি নিউজকে জানান, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরটিভি/এসএস


