ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

প্রশিক্ষণ ছাড়াই প্রতিমা গড়ে নজর কাড়ল বিপন

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
ছবি: আরটিভি

বয়স মাত্র ১৪ বছর। পড়াশোনা করছে সপ্তম শ্রেণিতে। এই বয়সেই কাদামাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরি করে সবার নজর কেড়েছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বিপন পোদ্দার। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই নিজের মেধা, আগ্রহ ও সৃজনশীলতা দিয়ে একের পর এক প্রতিমা তৈরি করছে সে। ছোটবেলার শখ থেকে শুরু হওয়া এই কাজ এখন তার জীবনের বিশেষ ভালো লাগায় পরিণত হয়েছে। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি পূজা-অর্চনা ও মন্ত্র পাঠেও তার রয়েছে বিশেষ দক্ষতা।

বিপনের প্রতিমা তৈরির হাতেখড়ি মাত্র সাত বছর বয়সে। ছোটবেলা থেকেই কাদামাটি নিয়ে খেলতে পছন্দ করত সে। খেলতে খেলতেই একদিন নিজের হাতে তৈরি করে ফেলে একটি প্রতিমা। তার তৈরি প্রতিমা দেখে প্রশংসা করেন পরিবারের সদস্যরা। সেই প্রশংসা ও উৎসাহই তাকে প্রতিমা তৈরিতে আরও আগ্রহী করে তোলে। এরপর ধীরে ধীরে নিজের চেষ্টায় তৈরি করতে থাকে বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতিমা।

প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই পূজা-অর্চনার প্রতিও আগ্রহ জন্মে বিপনের। নিজে নিজেই শিখে নেয় পূজার নিয়মকানুন ও বিভিন্ন মন্ত্র পাঠ। পরে পরিবারের সদস্য ও পাড়ার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মন্দিরে পূজা করতে শুরু করে সে। তার উচ্চারিত মন্ত্রগুলোও বেশ নির্ভুল বলে জানান স্থানীয়রা। এখনো বেশিরভাগ সময় মন্দিরে পূজা-অর্চনার দায়িত্ব পালন করে বিপন। অল্প বয়সেই প্রতিমা নির্মাণ ও পূজার কাজে তার এমন পারদর্শিতা অবাক করে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীকে।

প্রথম দিকে ছোট ছোট প্রতিমা তৈরি করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে তার দক্ষতা ও কাজের পরিধি। একপর্যায়ে বাড়ির উঠানের এক কোণে নিজেই তৈরি করে ছোট্ট একটি মন্দির। সেখানে নিজের হাতে গড়া প্রতিমা স্থাপন করে শুরু করে পূজা-অর্চনা। তবে প্রতিমার আকার বড় হতে থাকায় একসময় ছোট মন্দিরে আর জায়গা হচ্ছিল না। পরে ঠাকুমা আলো রানী পোদ্দারের সহযোগিতায় তৈরি করা হয় বড় একটি মন্দির। এর নাম দেওয়া হয় ‘রাজাপুর পোদ্দার পাড়া মন্দির’।

মন্দিরের প্রতিমা তৈরির দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নেয় বিপন। মাটি দিয়ে প্রতিমার কাঠামো তৈরি থেকে শুরু করে রং করা, কাপড় পরানো ও গহনা দিয়ে সাজানো—সব কাজই করে নিজের হাতে। কোনো প্রশিক্ষিত কারিগরের কাছে না শিখেও নিজের চেষ্টায় প্রতিমা তৈরির এই দক্ষতা অর্জন করেছে সে। তার তৈরি প্রতিমা দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ মন্দিরে আসেন। প্রতিমার নিখুঁত গড়ন ও সাজসজ্জা দেখে প্রশংসা করেন তারা। এতে প্রতিমা তৈরির প্রতি বিপনের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

এবার রাজাপুর পোদ্দার পাড়া মন্দিরে পাঁচ দিনব্যাপী কাত্যায়নী পূজার আয়োজন ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে বিপন। এ পূজার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিমাগুলো ইতোমধ্যে তৈরি করে ফেলেছে সে। এখন চলছে প্রতিমায় রং করা, কাপড় পরানো ও গহনা দিয়ে সাজানোর প্রস্তুতি। নির্ধারিত সময়ের আগেই সব কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন পরিবারের সদস্য ও পূজার আয়োজকেরা। তাদের প্রত্যাশা, বিপনের হাতে তৈরি প্রতিমা এবারের পূজায় দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।

বিপন পোদ্দার বলে, ‘লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের ভালো লাগা থেকেই আমি প্রতিমা তৈরি করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন পূজার জন্য অনেক প্রতিমা বানিয়েছি। আগে ছোট প্রতিমা তৈরি করতাম, এখন বড় প্রতিমা তৈরি করি। প্রতিমা বানাতে আমার খুব ভালো লাগে। ভবিষ্যতে আরও বড় ও সুন্দর প্রতিমা তৈরির ইচ্ছা আছে।’

বিপনের বাবা বিকাশ পোদ্দার বলেন, ‘সাধারণত পাল সম্প্রদায়ের মানুষ প্রতিমা তৈরির কাজ করেন। তাদের ছোট-বড় অনেকেই এ কাজে দক্ষ। কিন্তু আমার ছেলে পাল সম্প্রদায়ের না হয়েও নিজের প্রতিভা ও আগ্রহ থেকে যেভাবে প্রতিমা তৈরি করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার তৈরি প্রতিমাগুলো দেখতে খুব সুন্দর হয়। আমরা তার এই প্রতিভা দেখে আনন্দিত।

মা রিতা রানী পোদ্দার বলেন, আমার ছেলে কখনো প্রতিমা তৈরির কোনো প্রশিক্ষণ নেয়নি। নিজের মেধা ও আগ্রহ কাজে লাগিয়ে ছোটবেলা থেকেই প্রতিমা তৈরি করে যাচ্ছে। দিন দিন তার কাজ আরও ভালো হচ্ছে। সরকারি বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সহযোগিতা পেলে সে আরও ভালোভাবে প্রতিমা তৈরির কাজ করতে পারত। আমরা চাই, তার এই প্রতিভা বিকশিত হোক।

ঠাকুমা আলো রানী পোদ্দার বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিপনকে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছি। প্রতিমা তৈরির প্রতি তার আগ্রহ দেখে ভালো লাগত। পরে যখন বড় মন্দির তৈরির প্রয়োজন হয়, তখন আমিই উদ্যোগ নিয়ে সহযোগিতা করি। মন্দিরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসও সংগ্রহ করে দিয়েছি। ওর এই কাজের প্রতি আমার সব সময়ই সমর্থন রয়েছে।

আরেক ঠাকুমা সাধনা রানী পোদ্দার বলেন, বিপন ছোট বয়সেই যে প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে, তা আমাদের গর্বের বিষয়। নিজের চেষ্টায় সে এত সুন্দর প্রতিমা তৈরি করছে। আমরা চাই, তার কাজ আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়ুক। এ জন্য ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের কাছে বিপনের প্রতিভা বিকাশে সহযোগিতার আহ্বান জানাই। আগামী কাত্যায়নী পূজায় তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করছি।

মন্দিরের পুরোহিত পরিমল চক্রবর্তী বলেন, বিপন আমাদের পাড়ার গর্ব। তার তৈরি প্রতিমা দিয়ে পূজার আয়োজন করতে পারায় আমাদের খরচও অনেক কমে গেছে। অন্য জায়গা থেকে প্রতিমা তৈরি করাতে হলে কারিগরকে টাকা দিতে হতো। কিন্তু বিপন বিনা পারিশ্রমিকে প্রতিমা তৈরি করে দেয়। এত অল্প বয়সে তার এমন দক্ষতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক অরুণ পোদ্দার বলেন, এ বছর কাত্যায়নী পূজায় বিপনের তৈরি প্রতিমা দিয়েই পূজা হবে। তার হাতে তৈরি প্রতিমাগুলো দেখতে খুব সুন্দর হয়েছে। পূজার সময় দর্শনার্থীরা প্রতিমাগুলো দেখার সুযোগ পাবেন। আমরা সবাইকে রাজাপুর পোদ্দার পাড়া মন্দিরে এসে বিপনের হাতের কাজ দেখার আমন্ত্রণ জানাই। তার মতো প্রতিভাবান কিশোরের পাশে সবাই দাঁড়ালে সে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে পারবে।

পরিবারের সদস্য ও মন্দিরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যাশা, যথাযথ উৎসাহ ও সহযোগিতা পেলে বিপনের প্রতিভা আরও বিকশিত হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির এই আগ্রহ একদিন তাকে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ করে দেবে— এমনটাই আশা তাদের।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কৃষকের ছদ্মবেশে দুই ‘মাটিখেকো’ ধরলেন ভূমি কর্মকর্তা 
পটুয়াখালীর গলাচিপায় কৃষকের ছদ্মবেশে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করেছেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. জাকির হোসেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
কৃষকের ছদ্মবেশে দুই ‘মাটিখেকো’ ধরলেন ভূমি কর্মকর্তা 
সাড়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দিলেন বিপ্লব
টাঙ্গাইল শহরে সাড়ে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিপ্লব নামে এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় শিশুটির কান্না ও বাধা দেওয়ার কারণে ইট দিয়ে মুখ ও নাক থেঁতলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সাড়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দিলেন বিপ্লব
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় খ্যাপা শেয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ‎চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।  ২০১৬ ও ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দুইবার জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ‎ফেসবুক পোস্টে হুমায়ুন কবির লেখেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’ ‎  ‎জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে ভয়ে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশ করতেও অনাগ্রহী ছিলেন, তখন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। ওই সময়ে আমাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজ আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছি। ‎  ‎তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ‎‎অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই। ‎ ‎ তিনি বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’ আরটিভি/এসআর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
৫২ বছরে এইচএসসি পাস করে নজির গড়লেন শেফালী
জীবনের ৫২টি বসন্ত পেরিয়ে যখন অনেকেই শিক্ষাজীবনের ইতি টেনে দেন, তখন নতুন করে বই হাতে তুলে নিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকার শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক দায়িত্ব ও জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। তার স্বপ্ন এখন উচ্চশিক্ষা অর্জনের।
৫২ বছরে এইচএসসি পাস করে নজির গড়লেন শেফালী
আরও পড়ুন
নিষেধাজ্ঞাতেও পদ্মাপাড়ে চলছে ইলিশের জমজমাট বেচাকেনা
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা
২৫ কেজি ধানের শীষে ব্যতিক্রমী সোনালি দুর্গাপ্রতিমা
পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রী ও যুবককে অমানবিক নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল