ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতনির্ভরতা কমানোর ডাক দিয়ে সেই ভারত থেকেই আমদানি বেড়েছে সর্বোচ্চ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
ফাইল ছবি

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এই পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনদিন পরই শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে বাংলাদেশের। সেইসঙ্গে ভারতনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার কথা তোলেন ড. ইউনূসসহ তার সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

এ প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা জানান, ভারতের পাশাপাশি সরকার টু সরকারের মাধ্যমে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে। সে মাসেই আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে ভারতনির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস খোঁজার কথা জানায় ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। ভারত থেকে স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি বন্ধ করা হয় গত বছরের এপ্রিলে। এছাড়া দেশটি থেকে নিউজপ্রিন্ট, গুঁড়া দুধ, সাইকেল ও মোটর পার্টস, সিরামিকওয়্যার, স্যানিটারিওয়্যার, টাইলসসহ আরো অনেক পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় এনবিআর। এমনকি বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাকও তীব্র হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

অথচ, গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) এসব হাঁকডাক আর পদক্ষেপের কোনও প্রভাবই পড়তে দেখা যায়নি দেশের আমদানি খাতে। বরং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ (গত বছরের ডিসেম্বরে অর্থ বিভাগ থেকে প্রকাশিত) থেকে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের পণ্য আমদানির প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ভারত থেকেই গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়েছে এবং সেটা ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রয়েছে ভারত থেকে সরকারি ক্রয়েরও।

ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে ভারতের বন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে বাংলাদেশের পণ্য যাওয়ার ব্যবস্থা গত বছরের ৯ এপ্রিল প্রত্যাহার করে ভারত। এর কয়েকদিন পরই ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘোষণা দেয় যে ভারত থেকে সুইং সুতা ও কিছু কাঁচামাল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ করা হবে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সিদ্ধান্তটি। সর্বশেষ স্থানীয় শিল্প পণ্যের উৎপাদন সক্ষমতার সুরক্ষা নিশ্চিতে ভারত থেকে সুতা আমদানিতে সেফগার্ড ডিউটি আরোপের ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে নীতিনির্ধারক ও খাতসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

শিল্পায়ন, রফতানিমুখী উৎপাদন ও ভোগ্যপণ্যের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। অর্থমূল্য বিবেচনায় বাংলাদেশের আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস দেশ চীন। দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস ভারত। মোট আমদানির ৪৪ শতাংশের বেশি হয় এ দুই দেশ থেকে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে ঘিরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে আস্থার সংকট তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় সময়ে সময়ে সীমান্তে উত্তেজনা, কূটনৈতিক ভাষার কঠোরতা, ভিসা ও কনস্যুলার সেবা সীমিত করা এবং পুশ-ইনসহ নিরাপত্তা ইস্যু সামনে এসেছে।

এরপর ২০২৫ সালে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল, স্থলবন্দরভিত্তিক আমদানি-রফতানি সীমাবদ্ধকরণ, কাঁচা পাট ও সুতা রফতানি-আমদানিতে বিধিনিষেধের মতো ঘটনায় দুই দেশের টানাপড়েন কূটনীতি ও রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও ছড়িয়ে পড়ে।

কিন্তু, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি যেখানে হয়েছে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সেখানে শুধু ভারত থেকে আমদানি ব্যয়ে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

দেশভিত্তিক আমদানি ব্যয় নিয়ে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এ বলা হয়েছে, মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়, যা দেশের মোট আমদানির ৩০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। মোট আমদানিতে ভারতের অংশ ছিল ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

পণ্য আমদানি ব্যয়ের অর্থমূল্য বিবেচনায় সর্ববৃহৎ উৎস চীন হলেও গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধি ছিল ভারতের চেয়ে কিছুটা কম। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চীন থেকে আমদানি হয় ১ হাজার ৯০৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের পণ্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৫২ কোটি ২০ লাখ ডলারের।

অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত থেকে আমদানি হয় ৮৯৮ কোটি ৯০ লাখ ডলারের পণ্য। কিন্তু, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে হয়েছে ৯৬৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পণ্য। এ হিসেবে, এক বছরের ব্যবধানে ভারত থেকে পণ্য আমদানি বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন

চীন ও ভারতের পর বাংলাদেশের পণ্য আমদানির তৃতীয় বৃহৎ উৎস যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ২৫০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের পণ্য। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ২৮৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের পণ্য। এ হিসেবে অর্থমূল্য বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি কমেছে ১৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, গত অর্থবছরে পণ্য আমদানির প্রধান বাজারের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকেও আমদানি কমেছে, ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। এছাড়া পণ্য আমদানি কমেছে তাইওয়ান থেকে, ৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

প্রকৃতপক্ষে, তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, বিদ্যুৎ উৎপাদন, নির্মাণ ও ভোক্তা বাজার—বাংলাদেশের সব খাতই কোনো না কোনোভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানি নির্ভরতা কমাতে স্থানীয় শিল্পে সক্ষমতা বাড়ানো ও আমদানির উৎস বৈচিত্র্যকরণ এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য গত পাঁচ দশকে ক্রমেই বড় হয়েছে। দুই দেশের মোট বাণিজ্যের ৮৫ শতাংশই ভারত থেকে আমদানি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরির্বতন কিংবা এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের সম্পর্কের তিক্ততায়ও এ পরিস্থিতির বদল ঘটেনি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের বাণিজ্য বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মূলত বাজার অর্থনীতির নিজস্ব গতিপথে।

কূটনৈতিক মহলের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক বহুস্তরীয় এবং জটিল। সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আমাদের আন্তঃনির্ভরশীলতা আছে অনেক লেয়ারে। সম্পর্ক বহুমাত্রিক। মানে হচ্ছে একটা রাজনৈতিক কাঠামোর সম্পর্ক আছে। একটা কূটনৈতিক কাঠামোর সম্পর্ক আছে। একটা অর্থনৈতিক কাঠামোর সম্পর্ক আছে। আরো আছে মানুষে মানুষে সম্পর্ক। এখন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোটাতে টেনশন চলছে, এটা আমরা জানি। রাজনৈতিক বাতাবরণের যে অবস্থা আমরা দেখছি তার ভিন্ন প্রতিফলন দেখছি অর্থনৈতিক জায়গায়। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বাতাবরণের টেনশন হলেও অর্থনীতি ও মানুষের জায়গায় কিন্তু এখনো সেই যোগাযোগ আছে। এ কারণেই আমদানিতে আমরা প্রবৃদ্ধি দেখতে পাচ্ছি।’

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন দীর্ঘমেয়াদি হলে পরিণতি কী হতে পারে, সে বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, রাজনৈতিকভাবে যদি সরকার সিদ্ধান্ত নেয় যে ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক কমিয়ে ফেলব, তখন ব্যবসা-বাণিজ্য করার সুযোগ থাকবে না। কিন্তু আমরা ধরে নিচ্ছি যে এ আদান-প্রদানটা এখনও বাধার মুখে পড়েনি। তবে, রাজনৈতিক সম্পর্ক যদি খারাপ চলতে থাকে, তাহলে একটা না একটা সময় গিয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ২৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) আপগ্রেডেশনের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএম সেবা, কার্ড সার্ভিসসহ সব ধরনের ডিজিটাল ও আর্থিক লেনদেন।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
আরও পড়ুন
‘শাশুড়ি চায় বেতন, শ্বশুর ফ্ল্যাট’, ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিলেন নারী প্রযুক্তিবিদ
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে পালানোর চেষ্টা যুবকের, অতঃপর...
ভারতে জেন-জি আন্দোলনের পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশ: নেহা বোরা
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান