ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

হঠাৎ এনবিআরের বিশেষ সতর্কবার্তা 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
ফাইল ছবি

আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র অর্থ আত্মসাৎ করছে জানিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশে বিশেষ এক সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সোমবার (১ জুন) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে, দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি প্রতারক চক্র আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

এনবিআর জানায়, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় যারা চাকরি পাবেন, তাদেরও অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে; এমন মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে প্রতারণা করাই এ চক্রের মূল উদ্দেশ্য। যেসব প্রার্থী নিজ অযোগ্যতার কারণে চাকরি পাবেন না, তাদের কারও কারও কাছ থেকে নেওয়া অর্থ প্রতারক চক্রটি ফেরত দিতে পারে। তবে, যারা নিয়মিত প্রক্রিয়ায় যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পাবেন, তাদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থ এই চক্রটি আত্মসাৎ করবে।

আরও পড়ুন

জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, আয়কর বিভাগের চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং আয়কর বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন করবে।

কাজেই আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে অর্থ সংগ্রহকারী কোনো দুষ্ট চক্রের তথ্য পেলে তা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের অফিসে অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে টেলিফোন নম্বর ০২-২২২২১৭৭৭৭ এবং ইমেইল [email protected]এ যোগাযোগ করা যাবে। এ ধরনের প্রতারণার ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিমানের জ্বালানির দাম লিটারে ৬ টাকা ৩২ পয়সা বাড়ল
দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট এ-১ এর দাম প্রতি লিটারে ৬ টাকা ৩২ পয়সা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বিমানের জ্বালানির দাম লিটারে ৬ টাকা ৩২ পয়সা বাড়ল
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিকল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
দেশে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া সারের পেটেন্ট প্রাপ্তি টেকসই কৃষি ও গ্রিন টেকনোলজির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব ‘গেম-চেঞ্জার’ যুগের সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক আঞ্চলিক শিপিং হাবে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। বন্দরের অবকাঠামো আধুনিকায়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিশ্বখ্যাত বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বন্দরের দীর্ঘদিনের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে জাহাজের অবস্থানকাল (টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম) এবং কনটেইনার বন্দরে পড়ে থাকার সময় (ডুয়েল টাইম) কমানো এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো, ভৌত অবকাঠামো আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থান এবং বিস্তৃত পশ্চাৎভূমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অঞ্চলটিকে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ও শিপিং লজিস্টিকসের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চালু ও নির্মাণাধীন কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিশ্বের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার মেগা প্রকল্প, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বঙ্গোপসাগর শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় (বিআইজি-বি) কাঠামোর আওতায় মাতারবাড়ী বন্দরে জাপানের অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের আগ্রহ দেশের বন্দর, নৌপরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরকালে দেশটি মাতারবাড়ী বন্দরে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বাসসকে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দীর্ঘদিন ধরে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি, পণ্য খালাসে বিলম্ব এবং কনটেইনার দীর্ঘ সময় বন্দরে পড়ে থাকার মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। উন্নত বন্দরগুলোতে কনটেইনারের অবস্থানকাল দুই দিনের কম হলেও এ বন্দরে তা নয় দিনের বেশি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী জাহাজের গড় অবস্থানকালও আড়াই দিনের বেশি। তিনি বলেন, বন্দরের দক্ষতা পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক হলো জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম। অর্থাৎ জাহাজ বন্দরে আসার পর পণ্য ওঠানো-নামানো শেষ করে ছেড়ে যেতে যে সময় লাগে। অতীতে চট্টগ্রাম বন্দরে এ সময় ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত লাগত। জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অনেক মেইন লাইন অপারেটর (এমএলও) বাংলাদেশে জাহাজ ও কনটেইনার পাঠাতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল। বন্দর সূত্র জানায়, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড ৩৪ লাখ টিইইউস (টোয়েন্টি-ফুট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার, ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন সাধারণ পণ্য এবং ৪ হাজার ২৭৩টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। দেশের সমুদ্রপথে পরিবাহিত সাধারণ পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার বাণিজ্যের ৯৮ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বন্দরে প্রায় ২১ লাখ ৪০ হাজার টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। বন্দরের সেবা সহজ ও দ্রুত করতে সম্প্রতি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফলে কনটেইনার ও পণ্যগ্রহীতাদের বিলিং কার্যক্রম টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। বন্দরের পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) কাঠামোর আওতায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরের পোর্ট অব সিঙ্গাপুর অথরিটির (পিএসএ) সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালস ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এটি চালু হলে বছরে আট লাখের বেশি টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়বে। গত ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্বখ্যাত বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১৫ বছর মেয়াদি একটি কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ঈসা কাজিম প্রতিনিধিত্ব করেন। চুক্তি অনুযায়ী, বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ পরিচালনাকারী নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে বন্দরের সার্বভৌম কর্তৃত্ব, জমি এবং মূল সম্পদের মালিকানা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারের অধীনেই থাকবে। চুক্তির আর্থিক শর্ত অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড অগ্রিম প্রায় ৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ করবে। এর ২৫ শতাংশ চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এবং বাকি ৭৫ শতাংশ কার্যক্রম শুরুর আগে পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রথম ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি এক হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করবে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি টিইইউস কনটেইনারের বিপরীতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ হারে রয়্যালটি পাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা নির্ধারিত ফি দেবে। চুক্তিতে বছরে ন্যূনতম ১২ লাখ ৩০ হাজার টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের নিশ্চয়তাও রাখা হয়েছে। বন্দর সূত্র জানায়, চুক্তিতে পরিচালন দক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর কর্মদক্ষতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত মান অর্জনে ব্যর্থ হলে আর্থিক জরিমানার বিধানও রয়েছে। ক্রেনের উৎপাদনশীলতা কিংবা ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইমের মতো সূচকে টানা তিন মাস নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হলে এ জরিমানা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনশক্তির কর্মসংস্থান, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যের স্থানীয় সংরক্ষণ এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার শর্তও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বে টার্মিনাল প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নতুন ব্রেকওয়াটার, নেভিগেশন চ্যানেল, জেটি এবং রেল ও সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এসব অবকাঠামো চালু হলে ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার টিইইউস ধারণক্ষমতার বড় জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বন্দরের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ৩০ লাখ টিইইউস বাড়বে। অন্যদিকে, বড় ড্রাফটের জাহাজ ভেড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি এবং মূল বন্দরের জেটিতে জাহাজের চাপ কমাতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে। বন্দরের কার্যক্রমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জিজিআই পোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তিও এ উদ্যোগকে সহায়তা করছে। ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ কাগজবিহীন করতে ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে পণ্য খালাসের নথিপত্র প্রক্রিয়ায় ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হয়েছে। ডেলিভারি অর্ডারের আবেদন থেকে শুরু করে বন্দরের গেট দিয়ে পণ্যবাহী যানবাহনের চূড়ান্ত বহির্গমন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ধাপ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে সিস্টেমে ধারাবাহিক যাচাইব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। এতে নথি জালিয়াতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের সুযোগ কমেছে। পাশাপাশি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীরা যেকোনো সময় দূর থেকেই তাদের ফাইলের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারছেন। বন্দরের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করতে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় শুল্ক কর্তৃপক্ষ কোনো কনটেইনার আটকে রাখা বা তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট তথ্য সিস্টেমে পৌঁছে যাবে। ফলে শুল্ক বিভাগের ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত ওই কনটেইনারের পরবর্তী কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে। সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কনসেশন চুক্তি, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, আধুনিক ভারী যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং ডিজিটাল রূপান্তরসহ বহুমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সক্ষম প্রবেশদ্বারে পরিণত হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রম আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন ‘স্মার্ট বন্দরে’ রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে ব্যাপক ডিজিটাল রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বন্দরের কার্যক্রম আধুনিকায়ন, পরিবহন ব্যয় কমানো, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বন্দরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আরটিভি/এসআর  
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা
বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় সংকটের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় দেশীয় উৎস থেকে দৈনিক ১ হাজার ৭৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী, কর্মসূচিটি দুই পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ চলবে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)-র একজন কর্মকর্তা বাসস’কে জানান, দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো, আমদানিনির্ভর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতা কমানো এবং গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ক্রমবর্ধমান ব্যবধান কমাতে কাজ করছেন তারা। পরিকল্পনা কমিশনের আরেক কর্মকর্তা জানান, মোট ১৫০টির মধ্যে ১০৪টি নতুন কূপ খনন করা হবে। বাকি ৪৬টি কূপে ওয়ার্কওভার কার্যক্রম চালানো হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ৭৭টি কূপকে প্রকল্প বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি প্রকল্পের আওতায় ৭৭টি কূপ এবং সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত চারটি ওয়ার্কওভার কূপ রয়েছে। কর্মকর্তা বলেন, ‘এ পর্যন্ত অনুমোদিত ৫১টি কূপের মধ্যে ৩২টির কাজ শেষ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ১১টি কূপের কাজ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে এবং বাকি আটটির কাজ এখনো শুরু হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ১০টি প্রকল্পের আওতায় আরও ২৬টি কূপের অনুমোদন চাওয়া হবে। অবশিষ্ট ৭৩টি কূপকে পর্যায়ক্রমে প্রকল্প বা পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের আওতায় আনা হবে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বাসসকে বলেন, গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো এবং দেশের নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ জোরদার করতে সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তিনি বলেন, ‘নতুন কূপগুলো থেকে পাওয়া গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করবে। এতে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমবে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আরও গ্যাসকূপ খননে সরকার কাজ করছে।’ পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া ৩২টি কূপ থেকে দৈনিক অতিরিক্ত ২৭০ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে দৈনিক ১৩৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের মাধ্যমে ১১টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক অতিরিক্ত ৫৮ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে দৈনিক ৪১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে থাকা ১১টি কূপের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর আওতায় রয়েছে সুন্দরলপুর সাউথ-১, ভোলা নর্থ-৩, ভোলা নর্থ-৪, শাহবাজপুর নর্থ ইস্ট-১, শ্রীকাইল ডিপ-১, মোবারকপুর ডিপ-১ ও ফেঞ্চুগঞ্জ সাউথ-১। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)-এর আওতায় রয়েছে তিতাস-২৯, বাখরাবাদ-৭ ও তিতাস-৩১ ডিপ। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)-এর আওতায় রয়েছে রশিদপুর-১৩। অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ১০টি প্রকল্পের মধ্যে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপ খনন প্রকল্প রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত টার্নকি ঠিকাদারের সাহায্যে কূপ দুটি খনন করা হবে। গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৫ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে এ চাহিদা দৈনিক ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে, দৈনিক গ্যাস সরবরাহের গড় পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিটের (এফএসআরইউ) মাধ্যমে সরবরাহ করা আমদানিকৃত পুনর্গ্যাসীকৃত এলএনজি থেকে দৈনিক ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায়, যা মোট সরবরাহের ৪১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো দৈনিক ৮৯০ মিলিয়ন ঘনফুট বা মোট সরবরাহের ৩৩ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করে। আর দেশীয় রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর অবদান দৈনিক ৭২৬ মিলিয়ন ঘনফুট বা ২৬ শতাংশ। দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিজিএফসিএল দৈনিক ৪৮০ মিলিয়ন ঘনফুট, এসজিএফএল ১৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাপেক্স ১০৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করে। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে শেভরন দৈনিক ৮৬১ মিলিয়ন ঘনফুট এবং ক্রিসএনার্জি বাংলাদেশ ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করে। এ পর্যন্ত দেশে ২৬২টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ১১৯টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। এসব কূপের মধ্যে দেশীয় কোম্পানিগুলোর পরিচালনায় রয়েছে ৭৬টি এবং আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর পরিচালনায় রয়েছে ৪৩টি। কোম্পানিভিত্তিক কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা প্রথম পর্যায়ে বাপেক্সের লক্ষ্যমাত্রা ২১টি কূপ খনন, যার মধ্যে নয়টির কাজ শেষ হয়েছে। বিজিএফসিএল-এর ১৩টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সাতটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসজিএফএল-এর লক্ষ্যমাত্রা ১৬টি কূপ, যার মধ্যে ১৩টির কাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট ১০০টি কূপের কাজ করা হবে। এর মধ্যে ৬৯টি নতুন কূপ খনন এবং ৩১টি কূপে ওয়ার্কওভার কার্যক্রম চালানো হবে। এ পর্যায়ে বাপেক্স ৬৮টি কূপের কাজ করবে। এর মধ্যে ৫২টি নতুন কূপ খনন এবং ১৬টি কূপে ওয়ার্কওভার করা হবে। বিজিএফসিএল ২১টি কূপের কাজ করবে, যার মধ্যে নয়টি নতুন কূপ খনন ও ১২টি ওয়ার্কওভার রয়েছে। এসজিএফএল ১১টি কূপের কাজ করবে। এর মধ্যে আটটি নতুন কূপ খনন এবং তিনটি ওয়ার্কওভার করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫২টি নতুন কূপ খননের জন্য বাপেক্স ১৪টি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে এবং সাতটি প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় এখনো কোনো কূপ খনন সম্পন্ন হয়নি। বিজিএফসিএল নয়টি নতুন কূপ খননের জন্য চারটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে দুটি প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; কোনোটি এখনো অনুমোদন পায়নি। এসজিএফএল আটটি নতুন কূপ খননের জন্য পাঁচটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে দুটি প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ক্ষেত্রেও কোনো প্রকল্প এখনো অনুমোদন পায়নি। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির পর্যালোচনা পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) কয়েকটি কূপ খনন ও জরিপ প্রকল্প নিয়ে সভা করেছে। বাপেক্সের তিনটি কূপ খনন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সেমুতাং-৭ মূল্যায়ন ও উন্নয়ন কূপ; বেগমগঞ্জ-৭ মূল্যায়ন কূপ; এবং চরলক্ষ্যা-১ অনুসন্ধান কূপ। বাপেক্সের নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্পের  ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১০ কোটি টাকা। বাপেক্সের আরেকটি প্রকল্পে তিনটি কূপ খননের প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সুন্দলপুর-৫ মূল্যায়ন ও অনুসন্ধান কূপ এবং সুবর্ণচর-১ ও নোয়াখালী-১ অনুসন্ধান কূপ। কোম্পানির নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৪০৬ কোটি টাকা। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের তিনটি কূপ খনন প্রকল্পে রয়েছে বিয়ানীবাজার-৩ মূল্যায়ন ও অনুসন্ধান কূপ; এবং কৈলাসটিলা-১০ ও বাতিছিয়া-১ অনুসন্ধান কূপ। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৮৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বাপেক্সের জকিগঞ্জে দুটি কূপ খনন প্রকল্পে রয়েছে জকিগঞ্জ-২ মূল্যায়ন কূপ এবং জকিগঞ্জ-৩ অনুসন্ধান কূপ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া বাপেক্স ১৯৭ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে চরফ্যাশন এলাকায় ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করবে। সরকারের আশা করছে, পর্যায়ক্রমে কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের পাশাপাশি অনুসন্ধান ও ভূকম্পন জরিপ জোরদার করা হলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়বে এবং দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আরটিভি/এসআর  
২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা
আরও পড়ুন
এনবিআরে হঠাৎ বড় রদবদল, একযোগে ৩৬ কর্মকর্তাকে বদলি
এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
বাংলাদেশিদের ভিসা নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের বিশেষ সতর্কবার্তা
বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিলো হ্যানয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস