ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক, ব্যবহার ও কী সুবিধা?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
ছবি প্রতীকী

ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হচ্ছে সর্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা—‘বাংলা কিউআর’। এর ফলে দেশের আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থায় নগদ অর্থের ব্যবহার কমে আসার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ী পর্যন্ত সর্বত্র একটি অভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা জানান, এর ফলে প্রতারণা কমার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, দেশে ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সমন্বিত, নিরাপদ এবং সবার জন্য সহজলভ্য করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একাধিক প্রতিষ্ঠানের আলাদা কিউআর কোড থাকে, যা গ্রাহক ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্যই জটিলতা তৈরি করে। বাংলা কিউআর চালু হলে একটি কিউআর কোড দিয়েই সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেন করা যাবে।

আরও পড়ুন

এটি বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত একটি ইউনিফায়েড বা সমন্বিত কিউআরভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে একটি মাত্র কিউআর কোড ব্যবহার করে গ্রাহক যে কোনো অংশগ্রহণকারী ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপ থেকে অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। অর্থাৎ, বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য আলাদা আলাদা কিউআর কোড প্রদর্শনের প্রয়োজন হবে না।

নগদ লেনদেন কমিয়ে ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তুলতেই বাংলা কিউআর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা কোনো ধরনের খুচরা টাকা বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের ঝামেলা ছাড়াই নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। একই সঙ্গে লেনদেন হবে আরও সহজ, নিরাপদ ও সুরক্ষিত।

দোকান, রেস্তোরাঁ, সুপারশপ, অনলাইন স্টোর, সেবাকেন্দ্রসহ যেসব স্থানে কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণ করা হয়, সেসব সব মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ৩০ জুনের মধ্যে পুরোনো কিউআর কোড সরিয়ে বাংলা কিউআর স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে।

বাংলা কিউআর চালুর ফলে গ্রাহকরা যে কোনো সমর্থিত ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একই কিউআর স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদেরও একাধিক কিউআর কোড প্রদর্শনের ঝামেলা থাকবে না। একটি কিউআর কোডই সব ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের জন্য যথেষ্ট হবে। এছাড়া লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ সহজ হবে, নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি কমবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।  বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (এপিসিএস) স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক চালনা কার্যক্রমে সহায়তা দিতে যুক্ত করা হয়েছে অপারেটর ইনফরমেশন সাপোর্ট সিস্টেম (ওআইএসএস)। রাশিয়ার বাইরে রোসাটমের নির্মিত কোনও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের তৈরি নীতি ও কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
জাতীয় মাছ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ নিয়ে কাজের অংশ হিসেবে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন...
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
আরও পড়ুন
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
দেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ
দেশের রিজার্ভ আবারও বাড়ল
টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক