ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কনডমের ব্র‍্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডরে বাড়ছে সচেতনতা-স্বাস্থ্য সুরক্ষা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
ছবি : আরটিভি

আধুনিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিবাহিত দম্পতিদের সুরক্ষিত শারীরিক সম্পর্ক ও পরিবার পরিকল্পনায় উৎসাহিত করতে পরিচিত মুখপাত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বের নামি দামি কনডম ব্র‍্যান্ডের সাথে, কনডমের ব্র‍্যান্ড এ‍্যাম্বাসিডর হিসেবে জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ, সংগীতশিল্পী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, ইনফ্লুয়েন্সাররা নিজেদের যুক্ত করছেন। যা কি না জনস্বাস্থ্য যোগাযোগ কৌশলে (Behavior Change Communication) একটি যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিচিত মুখের অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যবিষয়ক বার্তা সহজভাবে পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি কনডম নিয়ে সামাজিক সংকোচ ও ভুল ধারণা কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পাশের দেশে রনবীর সিং, কার্তিক আরিয়ান, রাধিকা আপটেক-এর মত জনপ্রিয় অভিনয় তারকারা, বিভিন্ন সময়ে কনডম ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড Sensation Condoms এর ডিজিটাল ব্র্যান্ড এ‍্যাম্বাসিডর হিসেবে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুকতাদির নিজেকে যুক্ত করেছেন। যা নেটিজেন ও মার্কেটিং বিশ্লেষকদের কাছে ব‍্যপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বাংলাদেশে সোস‍্যাল মার্কেটিং কম্পানি (SMC) দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনা ও জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের সহযোগী হয়ে কাজ করছে। কনডম প্রচারণায় তাদের সুদক্ষ‍্য ও কৌশলগত পদক্ষেপ সব সময় মার্কেটিং বিশ্লেষক মহলে সমাদৃত।

মার্কেটিং বিশ্লেষকদের মতে, কনডমের ব্র‍্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডর নিযুক্ত করার বিষয়টি সামাজিক আচরণ পরিবর্তনের একটি অংশ, যা তথ্যকে আরও সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
বিশ্বব্যাপী এমন ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো সঠিক স্বাস্থ্য বার্তা পৌঁছে দেওয়া, কনডম নিয়ে ভুল ধারণা কমানো, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, দায়িত্বশীল আচরণ উৎসাহিত করা।

সংশ্লিষ্টদের অভিমত, কনডম নিয়ে সামাজিক সংকোচ দূর করতে গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য সংস্থা, চিকিৎসক সমাজ, ইনফ্লুয়েন্সার ও সেলিব্রিটিদের সমন্বিত উদ্যোগ ও সকলকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও প্রসারের আহ্বান জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শফিকুর রহমান কাঠমান্ডুর স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওয়ালটনের গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউটরস মিট অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা বিপণনের মাধ্যমে বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও জোরালোভাবে প্রচারের আহ্বান জানান।
বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও প্রসারের আহ্বান জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সম্মেলনে আমন্ত্রিত ডিলারগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, 'সোর্ড ব্লেড'-এর হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পণ্যের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেন।
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
মা দিবস উপলক্ষে হাসি-আনন্দ-গানে মায়ের সাথে বড় সেলিব্রেশনে প্রতিবারের মতো এবারও চপস্টিক আয়োজন করেছে ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’। 
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
মোজো সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার।
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
আরও পড়ুন
সুখী দম্পতিরা ঘুমের আগে যে ৫ অভ্যাস মেনে চলেন
সাইনবোর্ডে লেখা ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’, ভেতরে কনডমের কারখানা
মাদকসেবী দম্পতি আটক, ডোপ টেস্ট শেষে ৮ মাসের কারাদণ্ড 
চা বাগান থেকে নবদম্পতির মরদেহ উদ্ধার