
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়া যাচ্ছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র একটি ৩৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ডিসিসিআইয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিসিসিআই’র সভাপতি তাসকীন আহমেদের নেতৃত্বে ৩৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর সফর করবে। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন প্রতিনিধিদলের সব কর্মকাণ্ডে সার্বিক সহযোগিতা করছে। সফর শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরবে প্রতিনিধি দলটি।
ডিসিসিআই জানায়, সফরকালে ঢাকা চেম্বারের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলটি আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর সময়ে যথাক্রমে ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফেকচারার্স ও ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুবি সেশনে অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠিতব্য বিজনেস ম্যাচ মেকিং (বিটুবি) সেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।
২৪ সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম হালাল পণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস (মিহাস)-২০২৬’ -এ অংশ নেবে ঢাকা চেম্বার। এর মধ্য দিয়ে হালাল শিল্পখাতের মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে প্রতিনিধিদল।
এছাড়া, এ সফরে মালয়েশিয়া সরকারের পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রী টিয়ং কিং সিং এবং উপ অর্থমন্ত্রী লিউ চিং টংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছে ডিসিসিআিই।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় কর্মরত মোট বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশি, যারা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২,২৯৩ ও ২৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এছাড়া মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা এরই মধ্যে বাংলাদেশে ৭৫৫ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে। যার মধ্যে টেলিযোগাযোগ, বিদ্যুৎ, কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল, নির্মাণ এবং টেক্সটাইল প্রভৃতি খাত উল্লেখযোগ্য।
আরটিভি/এমএ



