
বিশ্ববাজারে পোশাক উৎপাদনের মানদণ্ড ও প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন সংক্রান্ত উদ্যোগ তুলে ধরবে বাটেক্সপো ২০২৬-এর ‘ইমপ্যাক্ট জোন’।
বাটেক্সপোর এ ‘ইমপ্যাক্ট জোনে’ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পুনর্ব্যবহার, চক্রাকার অর্থনীতি ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহারে পোশাকশিল্পের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জন তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি লিঙ্গসমতা, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশুযত্ন এবং মাতৃসেবার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বিজিএমইএ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবর্তনশীল নীতিমালা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল পণ্য পরিচিতিপত্রসহ বিভিন্ন ডিজিটাল অনুসরণযোগ্যতা ও পণ্য শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও প্রদর্শন করা হবে এবারের বাটেক্সপোতে। প্রচলিত নিয়মনীতি পরিপালনের গণ্ডি ছাড়িয়ে টেকসই উৎপাদন, স্বচ্ছতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতার মাধ্যমে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি তুলে ধরাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
ইমপ্যাক্ট জোন সম্পর্কে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, জলবায়ু সুরক্ষা, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও চক্রাকার অর্থনীতির যুগে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প যে সামগ্রিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটবে এ আয়োজনে। এটি কেবল নিয়মনীতি পরিপালনের বিষয় নয় বরং বৈশ্বিক বাজারে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে শিল্পের দায়িত্বশীল অগ্রযাত্রার প্রতিফলন।
এবিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান বলেন, বৈশ্বিক টেকসই উৎপাদনের পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণের পাশাপাশি এ রূপান্তরে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতাও বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে অর্জন করতে হবে। এ আয়োজনে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, চক্রাকার অর্থনীতি, শ্রমিককল্যাণ ও ডিজিটাল অনুসরণযোগ্যতায় শিল্পের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে।
উল্লেখ্য, পিডিএসের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বিজিএমইএর ব্যবস্থাপনায় বাটেক্সপোর রজতজয়ন্তী সংস্করণ আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
আরটিভি/এসআর




