ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

যে ৮ মডেলের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে এসএসসি পরীক্ষায়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
প্রতীকী ছবি

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। এ ছাড়া সাধারণ ক্যালকুলেটরও ব্যবহার করা যাবে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

ক্যালকুলেটরের নির্দিষ্ট মডেল উল্লেখ করে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা কেন্দ্রসচিব ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

মডেলগুলো হলো—
১. এফএক্স ৮২এমএস
২. এফএক্স ১০০এমএস
৩. এফএক্স ৫৭০এমএস
৪. এফএক্স ৯৯১এমএস
৫. এফএক্স ৯৯১ইএক্স
৬. এফএক্স ৯৯১ইএস
৭. এফএক্স ৯৯১ইএস প্লাস
৮. এফএক্স ৯৯১সিডব্লিউ।

এসব মডেলের ক্যালকুলেটর এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবহার করা যাবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী- আগামী ২১ এপ্রিল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। লিখিত বা তত্ত্বীয় পরীক্ষা পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।

আরও পড়ুন

এছাড়া লিখিত বা তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে। ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বর ফর্দ এবং ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষার বর্ধিত সময়ের ফরম পূরণ চলছে। ফরম পূরণ শেষ হবে ২৪ জানুয়ারি। ‘সোনালী সেবার’ মাধ্যমে ফরম পূরণ ফি পরিশোধ করা যাবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কাজ শেষ করতে হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে বাকৃবিতে ‘মিট দ্য গভর্নর’ 
ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ ও ‘বাংলা কিউআর’ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও প্রথমবারের মতো বাকৃবিতে এ আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেন ও ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। গভর্নর এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন। অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও দ্রুত ক্যাশলেস ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যাপকভাবে চালু হয়েছে। বাংলাদেশও গভর্নরের রূপরেখা অনুযায়ী দ্রুত ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যাবে। বাকৃবি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে গবেষণায় অনেক দূর এগিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার গতি বজায় রাখতে এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে ডাচ-বাংলা ব্যাংকসহ ব্যাংকিং খাতকে সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে হবে। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে দেশে ক্যাশলেস লেনদেন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে রিকশা ও ছোট দোকানেও যেন সহজে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়, সে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের পাশাপাশি, বাকৃবির শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা এবং সিএসআর ফান্ডের আওতায় বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগে ডাচ-বাংলা ব্যাংক সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানে ‘বাংলা কিউআর’-এর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের লেনদেন করা সম্ভব হওয়ায় খুচরা টাকার সমস্যাও থাকবে না। একই সঙ্গে লেনদেনের খরচ কমবে। বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের কম, যা একসময় ১০ শতাংশ ছিল।  তিনি বলেন, কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়লে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় সম্ভব হতে পারে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) শূন্য করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহক ১০০ টাকা দিলে মার্চেন্টও ১০০ টাকা পাবেন। এ ছাড়া বর্তমানে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিউআর কোড সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এ ব্যয় অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে। আরটিভি/এসএস
ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে বাকৃবিতে ‘মিট দ্য গভর্নর’ 
দুইবার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বারের চেষ্টায় জজ হলেন শরিফুল
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সিভিল জজ/জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ ফলাফল প্রকাশিত হয়। তিনি ১৬তম ও ১৭তম বিজেএসে ভাইভা দিয়েছিলেন, তবে সফল হননি। ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তিনি সফল হয়েছেন। আরটিভির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি জানান, ‘দুইবার ভাইভা দিয়েছি— দুইবারই স্বপ্নটা পূরণ হয়নি। তৃতীয়বারও যখন ভাইভা বোর্ডের সামনে দাঁড়ালাম, মনে শুধু একটাই কথা ছিল— চেষ্টা আমার, ফলাফল আল্লাহর হাতে। আজ সেই তৃতীয় চেষ্টায়— আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাকে সফল করেছেন।’ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘অনুভূতিটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, অপেক্ষা, ব্যর্থতা ও নতুন করে শুরু করার পর যখন ১৮তম বিজেএসে সিভিল জজ/জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার খবর পেলাম, তখন প্রথমে নিজের কাছে বিশ্বাসই হচ্ছিল না। সবচেয়ে বেশি যে অনুভূতিটা হয়েছে, সেটা হলো— আলহামদুলিল্লাহ, এতদিনের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। তবে এটাকে শুধু নিজের অর্জন হিসেবে দেখি না। আমার পরিবার, শিক্ষক, বন্ধু এবং যারা বিভিন্ন সময়ে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন— এই সাফল্যের পেছনে তাদের প্রত্যেকের অবদান আছে।’ সফলতার গল্প জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার কাছে এই সাফল্যের গল্পটা মূলত ধৈর্য ও লেগে থাকার গল্প। বিজেএস এমন একটি পরীক্ষা, যেখানে শুধু মেধা থাকলেই হয় না, দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিজের ভুলগুলো সংশোধন করার মানসিকতাও প্রয়োজন। আমার জীবনে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার পরিবারের সহযোগিতা। তারা আমাকে সবসময় মানসিকভাবে শক্তি দিয়েছে।  পাশাপাশি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময়ে দিকনির্দেশনা পেয়েছি। আরেকটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল— ব্যর্থতাকে শেষ হিসেবে না দেখে সেটাকে শেখার সুযোগ হিসেবে নেওয়া। আগের প্রচেষ্টাগুলোতে যে-সব জায়গায় ঘাটতি ছিল, সেগুলো চিহ্নিত করে পরবর্তী প্রস্তুতিতে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয়, এই ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত কাজে দিয়েছে। যারা এখন জজ হওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য পরামর্শ হিসেবে তিনি বলেন, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, ধারাবাহিক থাকুন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। Bare Act-কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধারার ingredients, exception এবং application বোঝার চেষ্টা করুন। বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন। নিয়মিত লিখিত উত্তর লেখার অনুশীলন করুন। শুধু পড়বেন না। নিজেকে প্রশ্ন করুন- এই বিধানটি আদালতে কীভাবে প্রয়োগ হবে?  সাম্প্রতিক আইন, গুরুত্বপূর্ণ রায় ও সাংবিধানিক বিষয়গুলো সম্পর্কে আপডেট থাকুন। বিজেএস একটি দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা। একবার বা দুবার ব্যর্থ হলেই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিজের ভুলগুলো খুঁজে বের করে আবার শুরু করতে হবে। কতবার চেষ্টা করেছেন, সেটা বড় কথা নয়, প্রতিবার চেষ্টা করার পর আপনি কতটা উন্নতি করেছেন— সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা দেশের বিচার বিভাগে সহকারী জজ পদে নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। আরটিভি/এসএস
দুইবার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বারের চেষ্টায় জজ হলেন শরিফুল
অনলাইনে উপাচার্যের যোগদান, চুয়েট শিক্ষার্থীদের ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের অনলাইনে যোগদান প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনের পঞ্চম দিনে ‘রেড কার্ড’ কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
অনলাইনে উপাচার্যের যোগদান, চুয়েট শিক্ষার্থীদের ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনলো রাবি 
যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় নতুন করে ডেমোনেস্ট্রেশন বা ডেমো ক্লাস যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়োগের যোগ্যতায় আংশিক কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে চলমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার অন্যান্য বিষয়গুলো বহাল রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন করে ডেমোনেস্ট্রেশন যুক্ত করা এবারের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার অন্যতম পরিবর্তন। এখন থেকে প্রার্থীদের ডেমো ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদানের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। তবে, শিক্ষক পদে আবেদনের ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকার বিদ্যমান শর্ত বহাল রয়েছে। সিন্ডিকেট সূত্রে আরও জানা যায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো প্রার্থী স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করলে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে স্নাতক পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম হলে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে এক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ বাধ্যতামূলক। এই পরিবর্তন শুধু অনার্স/মাস্টার্স পরীক্ষায় যারা শুধু প্রথম স্থান অর্জন করবেন, সেই সব প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া দেশের বাইরে থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সহযোগী ও অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাক্রমের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।  সিন্ডিকেট সদস্য জানান, কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে যোগ্য কোনো প্রার্থীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর— কোনো পরীক্ষাতেই সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা প্লানিং কমিটি সুপারিশ করতে পারবে। পরে সিন্ডিকেটের অনুমোদন নিয়ে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ থাকবে। নতুন নীতিমালায় প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রেও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির সমষ্টিগত জিপিএ ন্যূনতম ৯ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৮ দশমিক ৫ হতে হবে। একই সঙ্গে যে-কোনো একটি পরীক্ষায় জিপিএ ৪ থাকতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষক পদে আবেদনকারী থিসিস গ্রুপের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার পাবে।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকা প্রার্থীদের শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানের দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। ‘শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৭’-এ বিভিন্ন অনুষদের ক্ষেত্রে প্রথম থেকে সপ্তম স্থান পর্যন্ত থাকার শর্ত শিথিল করে আবেদনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়। একই সঙ্গে কিছু অনুষদে আবেদনের ন্যূনতম সিজিপিএ কমিয়ে ৩ করা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এবার ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিদ্যমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় ডেমোনেস্ট্রেশন, থিসিস গ্রুপ ও পিএইচডি ধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয় হলো শিক্ষক নিয়োগ। প্রশাসন ও উপাচার্যের নৈতিক অবস্থান শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। তাই শুরু থেকেই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং গত ১৭ বছরের শিক্ষক নিয়োগের অভিজ্ঞতাও বিবেচনায় নিয়েছি। তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ নীতিমালায় প্রার্থীর অ্যাকাডেমিক ফলাফল, প্রকাশনা, ডিগ্রি ও ডেমনস্ট্রেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডেমোনেস্ট্রেশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, কারণ ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও বক্তব্য উপস্থাপনের সক্ষমতাও একজন শিক্ষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন নীতিমালার সুবিধা-অসুবিধা পর্যালোচনা করে দুর্বলতাগুলো কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। উপাচার্য আরও বলেন, এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই প্রশাসন কোনো ধরনের আপস করবে না। কোনো প্ররোচনা বা সুপারিশ কাজে আসবে না; প্রার্থীর নিজের যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে তিনি শিক্ষক হওয়ার যোগ্য কিনা। সম্প্রতি আইবিএর নিয়োগেও আমরা ডেমোনেস্ট্রেশন নিয়েছি এবং অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছি। আরটিভি/এসএস
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনলো রাবি 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মো. নূরুল ইসলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। তিনি এর আগে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭৯,১১.০০২.২০২৬-১০২ নম্বর প্রজ্ঞাপনের (ঙ) নম্বর শর্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ-যেটি আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত তিনি উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী উপাচার্য পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক নেতৃত্বে আসছেন। আরটিভি/এসকে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মো. নূরুল ইসলাম
আরও পড়ুন
উত্তরপত্রে মোবাইল নম্বর পেয়ে শিক্ষার্থীকে বাসায় ডাকেন শিক্ষক, অতঃপর...
২০২৭ সালের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর পরিকল্পনা নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা