ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘ক্লারিয়ন কল ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ইংলিশ মিডিয়াম ও ইংলিশ ভার্সনের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্লারিয়ন কল ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৬’।

২০২৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এ আয়োজন করে আসছে জনপ্রিয় ইংরেজি ম্যাগাজিন ক্লারিয়ন কল। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর সাতটি অঞ্চলের ১১টি ভেন্যুতে একযোগে অলিম্পিয়াডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি এবং ও-লেভেলের শিক্ষার্থীরা তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

এবারের আয়োজনে ৮৪টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী এবং তিন শতাধিক ভলান্টিয়ার অংশ নেয়।

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের যুক্তিভিত্তিক চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তোলাই এ অলিম্পিয়াডের মূল উদ্দেশ্য।

অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী স্ট্যান্ডার্ড ফাইভের শিক্ষার্থী কাজী শিরিন হাসান অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, প্রথমবার ম্যাথ অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। প্রশ্ন কিছুটা কঠিন ছিল, তবে খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে। আমি আবারও অংশ নিতে চাই।

স্ট্যান্ডার্ড এইটের শিক্ষার্থী ফায়াজ হকের মা ইয়াসমিন হক বলেন, এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া উচিত। এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনেক কিছু শিখতে পারছে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন

ধানমন্ডির লক্সব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রিন্সিপাল উসমান গণি আজম খান বলেন, অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে। অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনেও এ ধরনের প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লারিয়ন কলের এডিটর কর্নেল (অব.) আশরাফ আদ-দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা ও প্রতিভার বিকাশ এবং তাদের কৃতিত্বের যথাযথ মূল্যায়নের লক্ষ্যেই আমাদের এ আয়োজন। আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠুক।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপনে এ পোস্টারিং কর্মসূচি করে সংগঠনটি। সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্টারে ‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদ’, এবং ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে কি হবে?’ লেখা মোট তিনটি শিরোনাম দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ার আগেই নিরাপত্তা কর্মীরা এসব পোস্টার সরিয়ে নেয়।  এদিকে ‘নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত করতে ও অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারেং কার্যক্রম’ উল্লেখ করে এসব পোস্টারের ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সংগঠনটির শাখা আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হাফিজ। নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, একই সময়ে একদিকে সিগারেটের টাকা পরিশোধ নিয়ে দোকানি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা কর্মীরা সেইদিকে যখন নজর দিই, সেই সুযোগে এসব পোস্টার লাগিয়ে পালায় ছাত্রলীগ। ঘটনার একই সূত্র কিনা বা ইন্ধন আছে কিনা প্রশাসন খতিয়ে দেখছে। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এ কাজের সাথে যারা জড়িত ও ইন্ধন দিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দুষ্কৃতকারীদের ঠাঁই হবে না। আরটিভি/এসআর
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত
‘স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়তে ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন প্রতিপাদ্য’কে সামনে রেখে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সহযোগিতায় দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এসময় ফার্মাসিস্ট শপথ পাঠ ও  কেক কাঁটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শেষ হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে ফার্মাসিস্ট দিবস উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সিনিয়র ম্যানেজার (হিউম্যান রিসোর্স) মো. ফয়সাল ইকবাল। অনুষ্ঠানে কিনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সিনিয়র ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার।  এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেরদুল হক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, আপনারাই দেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এই মেধাভিত্তিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। অর্জিত জ্ঞানকে মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর সৎ মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, চিকিৎসাব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টরা হলেন মেডিকেশন এক্সপার্ট। ওষুধের ভুল প্রয়োগ রোধ এবং রোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে ফার্মাসিস্টদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই শিক্ষার্থীদের নিজেদের একজন দক্ষ ও যোগ্য ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উপাচার্য আরও বলেন, একাডেমিয়া ও ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির এই মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক বাস্তবতার সুদৃঢ় যোগাযোগ তৈরি করবে। পাবনা অঞ্চল বাংলাদেশের ঔষধশিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। ফলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা সরাসরি দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার যে সুযোগ পাচ্ছে, তা তাদের আন্তর্জাতিক মানের ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কিনোট স্পিকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের ওষুধের সঠিক ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। অনেক সময় আমরা ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করেই সেবন করি, যা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। ফার্মাসিস্টদের এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নেও তাদের কাজ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত
১০ তলা ভবনে লিফট নেই, ভোগান্তিতে বাকৃবির খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রীদের ‎আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে নির্মিত ১০ তলা ভবনবিশিষ্ট বেগম খালেদা জিয়া হল চালু হয় গত বছর সেপ্টেম্বরে। তবে উদ্বোধনের এক বছর পার হলেও এখনও লিফট ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়নি। ৩৫০ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই হলে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় হাজারে পৌঁছেছে।  ফলে বহুতল এই ভবনে নিয়মিত সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করতে গিয়ে দৈনন্দিন যাতায়াত ও জরুরি চিকিৎসাসেবায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের।  শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ তলা আবাসিক হলে লিফট নাই এরকম দেখি নাই। হলে লিফট না থাকায় শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনকে চরম দুর্ভোগের মুখে ফেলে দেয়। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে ক্লাস শেষে এবং অন্তত তিন বেলা খাবারের প্রয়োজনে এই দীর্ঘ সিঁড়ি ভাঙা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রান্তির কারণ।  তবে সবচেয়ে ঝামেলায় আমাদের পড়তে হয় যখন ১০ তলার কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে। তাকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে হেলথকেয়ার নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসা শেষে পুনরায় উপরে তুলে আনা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার স্বার্থে এমন ভবনে লিফট সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ‎পশুপালন অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের এবং হলের ৮ম তলায় অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্লাস শেষে অনেক ক্লান্ত থাকি। এরপর এত ওপরে উঠতে গিয়ে আরও কাহিল হয়ে পড়ি। অনেক সময় ক্লাসের ফাঁকে এক থেকে দুই ঘণ্টা বিরতি থাকলেও রুমে ফিরতে পারি না।  তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস দিনে দুই সময়ে হওয়ায় হলে আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। আমাদের ক্যান্টিনও নিচতলায়। খাবার নিতে নিচতলা পর্যন্ত যেতে হয়, যা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের। আবার ক্যান্টিনের খাবারের মানও তেমন ভালো নয়। ভবনের ‎১০ম তলায় অবস্থান করা প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ১০ তলায় সিট বরাদ্দ পাওয়ায় অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। একবার ওপরে উঠলে আবার নিচে নামতে ইচ্ছা করে না। এ কারণে অনেক সময় দিনে এক বেলা খাবার খাই। একবার নিচে নেমে খাবার নিয়ে আসি। সকালের খাবার তো খাওয়াই হয় না।  তিনি বলেন, শুক্রবার ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকায় খাবারের কষ্ট আরও বেশি হয়। এ ছাড়া আমাদের রান্না করার কোনো সুযোগ নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে কোনো কিছু রান্না করে খাওয়ারও উপায় থাকে না। তাই অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।‎ ‎শিক্ষার্থীদের এই উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বিষয়ে উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এটি সমাধানের জন্য অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। ‎​নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা শিক্ষক ও হাউজ টিউটররা দফায় দফায় মিটিং করেছি। লিফট স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আমি আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত একটি লিফট চালু হয়ে যাবে। লিফট চালু হলে ছাত্রীদের উঠানামার কষ্ট অনেকখানি কমে যাবে।​ ১০ তলা পর্যন্ত সিড়ি দিয়ে উঠানামা করা কতটা কষ্টের এবং অমানবিক তা আমরা অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে গভীরভাবে অনুভব করি।‎ ‎লিফট চালুর অগ্রগতি নিয়ে প্রধান প্রকৌশল মুহ. এনামুল হক বলেন, খালেদা জিয়া হলের জাপানি প্রযুক্তির নতুন লিফটটির মেশিনসহ এটি স্থাপনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিন তলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে।  তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহার করার পর লিফটটি স্থায়ীভাবে চালু করা হবে আপাতত আমরা একটি লিফট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্য লিফটগুলোর যন্ত্রাংশ আসলেও কাজ শুরু হয়নি এবং নিয়মিত সার্ভিসিং বজায় রেখে এটি চালুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। আরটিভি/এসআর
১০ তলা ভবনে লিফট নেই, ভোগান্তিতে বাকৃবির খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা
নতুন উপাচার্যের যোগদানের বিরোধিতায় চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের যোগদান প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।   শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনের (টিএসসি) সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা ‘ভিসি হিসেবে কাকে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। দুপুর ২টায় মিছিলটি টিএসসি থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের যোগদানকে ঘিরে তাদের অবস্থান জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচি-দেয়াল লিখন এর ঘোষণা দেন। মিছিলে অংশ নেওয়া তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম হোসেন সুজন বলেন, গতকাল আমরা জেনেছি, উপাচার্য পদে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম যোগদানপত্র পাঠিয়েছেন। এর প্রতিবাদেই আজ আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি। গতকাল আমাদের শিক্ষকরা রোববার থেকে পূর্ণ কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা কোনোভাবেই অধ্যাপক শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে চাই না। এর আগে বৃহস্পতিবার উপাচার্য হিসেবে যোগদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত যোগদানপত্র পাঠান অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।  ওই পত্রে তিনি চুয়েটের উপাচার্য পদে যোগদানের কথা উল্লেখ করেন। এরই প্রতিবাদে তার যোগদান প্রত্যাখ্যান করে আজ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আরটিভি/এসআর
নতুন উপাচার্যের যোগদানের বিরোধিতায় চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সরকারি নিয়োগে রাজনৈতিক বৈষম্য বন্ধের আহ্বান জকসুর
মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে দ্রুত নিয়োগ এবং রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের ভিত্তিতে বৈষম্য বন্ধের দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পুলিশ ভেরিফিকেশন বা অন্যান্য যাচাইপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কিছু প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা ও বৈষম্যের অভিযোগ সামনে এসেছে।  এ পরিস্থিতিতে জকসু বলছে, কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ বা বৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তার সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা হওয়ার কারণ হতে পারে না। এক বিবৃতিতে জকসু জানায়, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রধান ভিত্তি হওয়া উচিত মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও নির্ধারিত আইনগত শর্ত। কোনো নাগরিকের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা বৈধ রাজনৈতিক পরিচয়কে চাকরির যোগ্যতা নির্ধারণের মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। সংগঠনটি আরও জানায়, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে যোগ্য কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা ন্যায়সংগত নয়। বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও কঠোর প্রতিযোগিতার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও অনেক চাকরিপ্রার্থী নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই সরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, পক্ষপাত বা বৈষম্যের সুযোগ না রেখে পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ সব ধরনের যাচাইপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জকসুর দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া, রাজনৈতিক পরিচয় বা বৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে কাউকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত না করা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নিরাপত্তা যাচাই নির্দিষ্ট আইনগত মানদণ্ডের মধ্যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। এ ছাড়া চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপ্রক্রিয়া অযথা বিলম্বিত না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা এবং সরকারি চাকরিতে দলীয় প্রভাব ও রাজনৈতিক বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে মেধাভিত্তিক, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। জকসুর ভাষ্য মতে, একজন নাগরিকের রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, তার যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতাই সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত। এ কারণে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সব প্রার্থীর নিয়োগ মেধা, যোগ্যতা ও আইনগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। আরটিভি/এসআর
সরকারি নিয়োগে রাজনৈতিক বৈষম্য বন্ধের আহ্বান জকসুর
আরও পড়ুন
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ অনুদান, নতুন নিয়মে আবেদন নিচ্ছে সরকার
গুরুতর আহত রুয়েটের রাফিদ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হলো ঢাকায়
রাবির ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
কায়রোর আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন বরণে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা