ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা: মাহদী আমিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সকল শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার যেসব জায়গায় সংযোজন, বিয়োজন ও পরিমার্জন প্রয়োজন, আমরা তা বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের মতামতের ভিত্তিতে করব। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ থাকবে।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্রীড়া বিষয়টি নতুন সাবজেক্ট হিসেবে চালু করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়টিও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হবে। পাশাপাশি ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি বিষয় থাকবে, যেখানে নৈতিকতা, মূল্যবোধ, দায়িত্বশীলতা এবং একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়গুলো শেখানো হবে।

আরও পড়ুন

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদ নির্ভর না হয়ে বাস্তব জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার বিকাশ ঘটবে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার ফলাফল বা সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব, প্রযুক্তি ও কর্মদক্ষতায়ও সমানভাবে এগিয়ে যাক। শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের অংশ হিসেবে নতুন পাঠ্যক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রীড়া শিক্ষা, সংস্কৃতি শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে একটি নতুন বিষয়। এই বিষয়গুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, নাগরিক দায়িত্ববোধ, সামাজিক আচরণ ও বাস্তব জীবনের দক্ষতা গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেয়া হবে। বিদ্যমান শিক্ষাকাঠামোর মধ্যেই একটি বিস্তৃত অধ্যায়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা হবে। দীর্ঘ ১৬ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা একদিনে কিংবা এক বছরে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।

নতুন কারিকুলাম প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন বই প্রণয়ন ও ছাপানোর জন্য সরকারের হাতে মাত্র তিন থেকে চার মাস সময় ছিল। ফলে সব পরিবর্তন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তবে চলমান সংস্কার কার্যক্রম আগামী বছর আরও বিস্তৃত হবে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, আমরা বাস্তবতাকে মাথায় রেখে কাজ করছি। তিন-চার মাসে শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে আগামী বছর আরও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে এবং ধীরে ধীরে একটি আধুনিক, দক্ষতাভিত্তিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা খাতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রায় ১৪ লাখ ট্যাব প্রয়োজন হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় প্রকল্প। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ বিষয়ে পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষার প্রসার নিয়ে তিনি বলেন, দেশে কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে স্কিলস কম্পিটিশন, ক্যারিয়ার ফেয়ার এবং সরাসরি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

মাহদী বলেন, আমরা চাই কারিগরি শিক্ষা একটি সম্মানজনক শিক্ষাধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই যেন শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, সেই ব্যবস্থা তৈরি করা হবে।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) নৈতিক ও কার্যকর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘Working Smarter with AI: Practical Productivity for Academics’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আয়োজিত সেমিনারটির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও একাডেমিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেমিনারে মূল বক্তা ও রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন লন্ডনে Wipro Ltd.-এর পরিচালক এনামুল হক। তিনি উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, বিশেষ করে পাঠদান, গবেষণা, একাডেমিক লেখালেখি ও প্রশাসনিক কাজে AI ব্যবহারের বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরেন। সেমিনারে AI ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, গবেষণার সততা, তথ্যের গোপনীয়তা এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত AI disclosure বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের তথ্য প্রকাশসংক্রান্ত নীতিমালা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় একটি সরাসরি প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাহিত্য পর্যালোচনা (Literature Review), নথি বিশ্লেষণ, একাডেমিক লেখালেখি এবং গবেষণা ব্যবস্থাপনায় AI কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তা তুলে ধরা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা। প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে সেমিনারটি শেষ হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের AI ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।   আরটিভি/ এসকেডি
এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
সিগারেটের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে ইবিতে তুমুল কাণ্ড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক শিক্ষার্থী ও দোকানদারের মধ্যে ১০ টাকার সিগারেট কেনার টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পকেট গেটে অবস্থিত ‘ইবি মার্ট’-এ এই ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাজিব (ছদ্মনাম, ২৩-২৪) দোকানির কাছ থেকে ১০ টাকার সিগারেট কিনেন। পরে নগদ টাকা না থাকায় বিকাশে টাকা পরিশোধের কথা জানান দোকানিকে। তখন টাকার পরিমাণ কম হওয়ায় তর্কে জড়ায় দোকানি। এসময় ওই শিক্ষার্থী পাশের দোকান (ইবি মার্ট) থেকে টাকা ধার নিতে যায়। পরক্ষণেই দোকানি এসে পুনরায় তর্কে জড়িয়ে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এসংক্রান্ত একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী দোকানদার (ইবি মার্ট) জানান, শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা দেওয়ার জন্য ক্যাশ আউট করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এরপর শিক্ষার্থী ইবি মার্টে এসে ১০ টাকা চান। তিনি টাকা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা পরিশোধ করেন। এরপর দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন এবং কাছে গেলে তার কলার ধরে ও থাপ্পড় মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি দোকানের বাইরে গিয়ে মীমাংসা করার জন্য তারা উভয়কে বাইরে যেতে বলেন। পরে বাইরে গিয়েও কিছু সময় তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে দোকানদার নিজ দোকানে ফিরে যান। ঘটনার বিষয়ে ওই শিক্ষার্থী রাজিবের দাবি, তিনি দোকান থেকে একটি ক্যামেল (সিগারেট) কেনার পর টাকা পরিশোধ করতে গেলে তার কাছে নগদ টাকা ছিল না। তিনি দোকানদারকে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বললেও দোকানদার জানান, ‘তার কাছে এসব মাধ্যম নাই’। পরে টাকা ক্যাশ আউট করে দেওয়ার জন্য তিনি ইবি মার্টের দিকে আসেন এবং দোকানদারও তার পিছু নেন। রাজিব আরও বলেন, ইবি মার্টে এসে তিনি ১০ টাকা নিয়ে দোকানদারকে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পরিশোধ করেন। টাকা দেওয়ার পরও দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন। কাছে গেলে তার শার্টের কলার ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে তার গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানদারের বলেন, ওই শিক্ষার্থী প্রথমে সিগারেট চান এবং সিগারেট নেওয়ার পর দোকানে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ সেটি সেবন করেন। পরে টাকা না দিয়ে দোকান থেকে চলে যাওয়ার সময় তিনি বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বলেন। দোকানদার দাবি করেন, শিক্ষার্থী টাকা পরিশোধ না করেই চলে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি শিক্ষার্থীর পিছু নেন।  দোকানদারের ভাষ্য, বরিশাল হোটেলের (ক্যাম্পাস সংলগ্ন) সামনে যাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী দৌঁড়ে ইবি মার্টের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি টাকা না দিয়ে দৌঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে শিক্ষার্থী প্রথমে তার কলার ধরে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করেন দোকানদার। পরে দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে চলে যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী সেখানে আসেন বলে দাবি করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি থামিয়ে তাদের চলে যেতে বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরিস্থিতি শান্ত করে অফিসে আলোচনা করার জন্য উভয়পক্ষকে বলা হয়েছে। আরটিভি/ এসকেডি
সিগারেটের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে ইবিতে তুমুল কাণ্ড
‘প্রীতিলতা দিবস’ উপলক্ষে চবিতে স্মরণসভা
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রীতিলতা হলে স্মরণসভা, চিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ‘মিট দ্য প্রীতি লেডিস’ নামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিপ্লবী প্রীতিলতার জীবন, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘প্রীতিলতা দিবস’ উপলক্ষে চবিতে স্মরণসভা
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে চুয়েটের সকল আবাসিক হল থেকে মশাল হাতে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হয়। স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হবার পর শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার। উই ওয়ান্ট সায়েম স্যার’ ইত্যাদি ধ্বনিতে স্লোগান দেয়।সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত  মিছিলটি চুয়েটের যানবাহন শাখা সংলগ্ন সড়কটি প্রদক্ষিণ করে বাস্কেটবল মাঠে মিলিত হয়। সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে পরবর্তী দিনের দেয়াল লিখন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।  এছাড়াও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন শিক্ষার্থীরা। মোমবাতি দিয়ে সেখানে ‘৫৬’ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলেন তারা। যার মাধ্যমে অধ্যাপক ড.আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের উপাচার্য হিসেবে ৫৬ দিনের মেয়াদ কালকে ফুটিয়ে তোলা হয়। মশাল মিছিল নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, আঁধারে সবার হাতে একসঙ্গে জ্বলে ওঠা মশাল আন্দোলনের সুদৃঢ় ঐক্য প্রদর্শন করে।সায়েম স্যার একজন বহুমুখী গুণসম্পন্ন মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার গত ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিলো।  তিনি বলেন, কিন্তু হঠাৎ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা টা কোনো ভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না। তাই তাকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে। আমাদের একটাই দাবি—সায়েম স্যারকে আবারও উপাচার্য হিসেবে চাই। আরটিভি/এসআর
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
আধুনিক রোবোটিক্স নিয়ে সেরা গবেষণার স্বীকৃতি পেল রুয়েট
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোকে হারিয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)। 
আধুনিক রোবোটিক্স নিয়ে সেরা গবেষণার স্বীকৃতি পেল রুয়েট
আরও পড়ুন
শিক্ষাকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি করার আহ্বান মাহদী আমিনের
তেজগাঁও কলেজে নেতৃত্ব তৈরি হয়: মাহ্‌দী আমিন
পলাতক ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় করতে হবে: মাহদী আমিন
বাংলাদেশ সফরে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা: মাহদী আমিন