ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অভিভাবকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে, জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়ন করা হবে। তবে পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি পরে জানানো হবে।

একই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। তবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিশুদের ওপর অল্প বয়সে পরীক্ষার চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ভর্তিতে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি চালু করা হয়। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

করোনা মহামারির সময় ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এতদিন সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল।

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর শিক্ষাবিদদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এত কম বয়সে শিশুদের পরীক্ষার মুখোমুখি করা মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এবং এতে সামাজিক বৈষম্য বাড়তে পারে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, ভর্তি পরীক্ষা কোচিংনির্ভরতা বাড়ায় এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের শিশুরা এতে পিছিয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। এতে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে এবং শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। বিকাশ, নগদ ও রকেটের এজেন্ট কিংবা স্থানীয় দোকানদারের পরিচয় ব্যবহার করে ফোনে জাল নোট লেনদেনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। পরে থানায় মামলা করার হুমকি দিয়ে চক্রটি দাবি করছে বড় অঙ্কের টাকা।
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মার্কেটিং বিভাগের আয়োজন এবং ‘মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ’ (এমআইবি)-এর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’।
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।  আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আলী চৌধুরী আবিদ ও শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন। প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবনটির সামনে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।  এক পক্ষের দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে মারামারির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আহত এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার নাক ও চোখের নিচে আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।  ওই শিক্ষার্থীর দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন। অন্য পক্ষের কোর্ট তৈরির দাবির পক্ষে কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা প্রমাণ ছিল না। অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কোর্ট তৈরি করব বলে সেখানে বাঁশ পুঁতে জায়গাটি নির্ধারণ করে রেখেছিলাম। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কারণে সেখানে আরও কিছু বাঁশ পোঁতা হয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে তাদের বাঁশের সঙ্গে আমাদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের নির্ধারিত জায়গায় তারা কোর্ট তৈরি করতে চায়। বিষয়টি জানালে তারা মেনে নেওয়ার কথা বলে।  ‘কিন্তু আজ আমাদের বিভাগের কয়েকজন জুনিয়র কোর্ট তৈরি করতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন। পরে প্রক্টর স্যার এসে বিষয়টি মীমাংসা করলে আমরা চলে যেতে চাই। এ সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এএইচএম খুরশিদ আলম বলেন, এ ঘটনায় মোট তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের নাকে আঘাত লেগেছে, একজনের মাথায় সামান্য ক্ষত হয়েছে এবং অন্যজনের হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।  ‘হাতে আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর হাড় ভাঙার আশঙ্কায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক্স-রে করানো হয়। তবে পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষতেও ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনজনই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক স্বপ্নিল রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনায় বসেছেন। এখনো ঘটনার চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  আরটিভি/এসআর  
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রশাসনিক ভবনে তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে একপর্যায়ে কক্ষে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রায় আট ঘণ্টা ধরে অধ্যক্ষ কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি বিদায় অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি চলায় দুই আবাসিক শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে অডিটোরিয়ামের এক রাতের বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের ‘দফা এক দাবি এক, প্রিন্সিপালের পদত্যাগ’ এবং ‘প্রিন্সিপালের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পূজার ছুটির আগে কলেজ অডিটোরিয়ামে তিনটি আবাসিক হলের পাঁচ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি রাত ১০টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠান শেষ হতে ভোর ৪টা থেকে ৫টা বেজে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক হলের আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ। শিক্ষার্থীদের দাবি, পরে তারা অধ্যক্ষের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়।  এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাতে বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান তারা। কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করেই তারা প্রতিবাদ শুরু করেছেন।  আরটিভি/এসআর  
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
আরও পড়ুন
স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে