ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

কুবিতে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন

কুবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী আটজন স্থানীয় ব্যক্তি এবং অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ইতিহাসে অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। রাষ্ট্র গঠনের দায়িত্ব আমাদের সবার। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আগামী প্রজন্ম গর্ব করে এ দেশকে নিজেদের বলতে পারবে। আজকের তরুণরাই আগামী দিনের নীতিনির্ধারক।

অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এ দিনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ইতিহাস শুধু আমাদের অতীতের কথা মনে করিয়ে দেয় না, ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যতের পথও দেখায়। প্রতিরোধের প্রকৃত শিক্ষা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী হওয়া, প্রতিহত করা, সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।

অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিন্ডিকেট সভাতেই ১১ জুলাইকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় যুগ যুগ ধরে এ দিনটিকে ধারণ করবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা শান্ত ও নম্র হলেও সময়ের প্রয়োজনে প্রতিবাদী, প্রতিরোধী এবং বিজয়ী। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তারা প্রমাণ করেছে, দায়িত্ব পালনের সময় এলে তারা সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, প্রতিরোধ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসনের সদস্য, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আমি আন্তরিক সম্মান জানাই। তাদের সম্মিলিত অংশগ্রহণই এই আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছে। ১১ জুলাইয়ের আন্দোলনের সূচনার কারণের পাশাপাশি কেন এ দিনটিকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল ছাত্রসমাজের সাহস, ঐক্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান। সেই সময় মায়েদের সাহসী উপস্থিতি, ভাইদের ছাত্রীদের সুরক্ষায় মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা এবং সবার পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনই এই প্রতিরোধকে সফল করে তুলেছিল।

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করা সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে মুখ্য আলোচক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ডিনবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জবি ছাত্রদলের দুই নেতাকে শোকজ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাতে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় সংগঠনটির দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ।
জবি ছাত্রদলের দুই নেতাকে শোকজ
পবিপ্রবিতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ চালুর ঘোষণা
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ কনফারেন্স কক্ষে হিউম্যান রিসোর্স (এইচআর) ক্লাব আয়োজিত ‘১০ম ব্যাচ মেজর সেমিস্টার: উৎকর্ষের পথে যাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পবিপ্রবিতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ চালুর ঘোষণা
ইবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে থাকছে না রোল, আসছে ‘কোডিং পদ্ধতি’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রচলিত পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে। খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর না রেখে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আরটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। উপাচার্য বলেন, কোডিং সিস্টেমে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আগামী ২৮ তারিখের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হবে। এ বিষয় উপাচার্য গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতি নিয়োগকে কেন্দ্র করে নিজ বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগের দাবি জানাতে গেলে তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপাচার্য বলেন, ‘তোমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আসো। অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের যে-কোনো সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসবে, আমি সমাধান করব। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রোল লেখার নিয়ম তুলে দিয়ে কোডিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে।’ পরীক্ষার খাতায় রোল নম্বরের বদলে কোডিং সিস্টেম চালুর এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইবি শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, এর মাধ্যমে খাতা মূল্যায়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকবে এবং মূল্যায়নে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আরটিভি/এসএস
ইবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে থাকছে না রোল, আসছে ‘কোডিং পদ্ধতি’
গ্যাস সংকটে জবির ক্যাফেটেরিয়া, ব্যাহত হচ্ছে রান্নার কার্যক্রম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ক্যাফেটেরিয়ায় নিয়মিত গ্যাসসংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে রান্নার কার্যক্রম। পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় বিকল্প হিসেবে লাকড়ির চুলায় রান্না করতে হচ্ছে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষকে। এতে প্রতি মাসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ক্যাফেটেরিয়ায় প্রতিদিন প্রায় ৫-৬ হাজার শিক্ষার্থীর খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। তবে সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাফেটেরিয়ার রান্নার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে একটি গ্যাসলাইন থেকে। অভিযোগ রয়েছে, ওই লাইন থেকেই আরও কয়েকটি স্থাপনায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি সংযোগ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবনে গেছে বলে জানা গেছে। ফলে ক্যাফেটেরিয়ায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় নিয়মিতভাবে গ্যাসের চুলা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের আবাসনসহ একাধিক স্থাপনায় একই গ্যাসলাইন থেকে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থাপনায় গ্যাস ব্যবহারের ফলে বিশেষ করে রান্নার ব্যস্ত সময়ে ক্যাফেটেরিয়ায় গ্যাসের চাপ আরও কমে যায়। ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্যাসসংকটের কারণে নিয়মিত রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক সময় লাকড়ির চুলায় রান্না করতে হয়। শুধু লাকড়ির পেছনেই প্রতি মাসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ক্যান্টিনের পরিচালন ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়িকভাবেও ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, লাকড়ির চুলায় রান্না করতে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। ফলে শিক্ষার্থীদের সময়মতো খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। গ্যাসের সমস্যা সমাধান হলে রান্নার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন নতুন খাবারের আইটেম চালু করা সম্ভব হবে। তারা আরও জানান, গ্যাসসংকটের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। সমস্যাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবাই অবগত আছেন। সংশ্লিষ্ট সবাই জানার পরও এখনো এমন কোনো ব্যবস্থা হয়নি, যাতে ক্যান্টিনে নিয়মিত পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যায়। গ্যাসসংকটের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. রইচ উদ্দিন বলেন, এখন দেশের প্রায় সব জায়গাতেই গ্যাস সংকট রয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে আমাদের ক্যাফেটেরিয়ার মেইন লাইনটিও বৈধ কিনা তা নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। আমরা দ্রুতই চেষ্টা করছি, যেন সমস্যাটি স্থায়ী সমাধান করা যায়। এদিকে গ্যাসসংকটের কারণে ক্যাফেটেরিয়ায় খাবার পেতে দেরি হওয়ার অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরাও। এক শিক্ষার্থী বলেন, অনেক সময় ক্যান্টিনে খাবার অর্ডার করার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। দ্রুত ক্লাস থাকলে খাবার খেয়ে সময়মতো ক্লাসে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। গ্যাসের সমস্যার কারণে যদি এমনটা হয়ে থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত দ্রুত এর সমাধান করা। আমরা সময়মতো খাবার পাচ্ছিনা, অথচ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসায় অবৈধভাবে গ্যাসের সাপ্লাই দেয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরও বেশি সজাগ থাকা উচিত। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যান্টিনে খাবারের আইটেমও খুব বেশি বৈচিত্র্যময় নয়। গ্যাসের সমস্যা সমাধান হলে যদি নতুন নতুন খাবার যুক্ত করা যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো হবে। ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষের দাবি, গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে রান্নার সময় কমার পাশাপাশি খাবার তৈরির সক্ষমতাও বাড়বে। এতে শিক্ষার্থীদের সময়মতো খাবার সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে এবং নতুন নতুন খাবারের আইটেমও যুক্ত করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ক্যাফেটেরিয়ায় নিয়মিত গ্যাসসংকটের কারণে একদিকে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষকে বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে, অন্যদিকে এর প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহের ওপর। তাই ক্যাফেটেরিয়ার জন্য পর্যাপ্ত ও পৃথক গ্যাসসংযোগ নিশ্চিত করে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা। আরটিভি/এসএস
গ্যাস সংকটে জবির ক্যাফেটেরিয়া, ব্যাহত হচ্ছে রান্নার কার্যক্রম
ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ৪২ সদস্যের প্রস্তুতি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর বরাত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  কমিটিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের শিক্ষক, হলসমুহের প্রভোস্ট, প্রশাসনিক দপ্তরের পরিচালক, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, ছাত্র-শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিষয়ক দপ্তরের প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এ কমিটি প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করবে। এ ব্যাপারে কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছি। সবাইকে নিয়ে আরও চিন্তা ভাবনা করে আগাবো। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নিরাপত্তা জনিত ইস্যু নিয়ে কাজ করছি। সার্বিক বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিব। কোনো ধরনের যাতে ঘাটতি না থাকে সেই বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি। প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ‘শহীদ আবরার ফাহাদ হল’ উদ্বোধনে আগামী মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর গুলশানস্থ কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসএস
ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি
আরও পড়ুন
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে আজ
এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না
ইউরোপীয় কমিশনের পিআইসি নিবন্ধন পেল কুবি
কুবিতে বেসিন ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার বেহাল দশা