ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইবির নতুন হলে আবাসন বঞ্চিত থিওলজি অনুষদের শিক্ষার্থীরা

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ও নতুন হল । ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ দেওয়া হলেও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের তিনটি বিভাগ এবং কলা অনুষদের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা। প্রথমবারের মতো নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হলের একটি ব্লকে প্রায় ৪০০ নবীন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা হলেও সেখানে স্থান হয়নি তাদের। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। তবে তাদের জন্য নতুন করে আবাসনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র ডি ইউনিটের অধীন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এবং কলা অনুষদের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মোট ৩৩০ শিক্ষার্থীর প্রথম মেধাতালিকার ভর্তি কার্যক্রম গত ১০ থেকে ১২ মে সম্পন্ন হয়। সে সময় তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো আটটি আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এরপর গত ৮ জুলাই নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হলে নবীন শিক্ষার্থীদের আসন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই অনুযায়ী গুচ্ছভুক্ত ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম ৮ থেকে ১৬ জুলাই চলাকালে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের পুরোনো আটটি হলের পাশাপাশি নতুন হলেও আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ভর্তি কার্যক্রম আগেই শেষ হওয়ায় ডি ইউনিটের শিক্ষার্থীরা নতুন হলে আসন বরাদ্দের সুযোগ পাননি। এতে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন

ডি ইউনিটের একাধিক নবীন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে আরটিভিকে বলেন, আমাদের ভর্তির সময় নতুন হলের কাজ শেষ হয়নি বলে সেখানে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু মাত্র দেড় মাস পরই অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা সেই হলে আসন পেয়েছেন। আমরা বৈষম্যের শিকার হয়েছি। আমাদেরও নতুন হলে আবাসন বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানাই।

ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকেন্দার আলী আরটিভিকে বলেন, ডি ইউনিট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র ইউনিট। আমাদের ভর্তি কার্যক্রম নতুন সিদ্ধান্তের আগেই শেষ হয়েছে। তবে বিষয়টি আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি।

প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন বলেন, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের তিনটি বিভাগ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম আগেই শেষ হওয়ায় এসব শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ হলে আসন পায়নি। বর্তমান প্রশাসন নতুন হলের একটি ব্লকে শিক্ষার্থীদের আবাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান বলেন, ডি ইউনিটভুক্ত চারটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ হলে প্রাথমিকভাবে ১০০টি আসন বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে অন্য হলে পরিশোধ করা আবাসন ফি যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন হলে স্থানান্তর করা যায়, সে বিষয়ে আইসিটি সেলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আইন ডিসিপ্লিনের ছয় শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ ব্যাচের মাহবুবা সুলতানা এবং ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাসিম বিল্লাহ, হাফসা বিনতে আইয়ুব, সজল আহমেদ বাপ্পী, কামরুজ্জামান বাদশা ও ২০ ব্যাচের নাজমুল ইসলাম সিয়াম। মেধাতালিকায় হাফসা বিনতে আইয়ুব ৭ম, সজল আহমেদ বাপ্পী ৮ম, নাজমুল ইসলাম সিয়াম ৩০তম, কামরুজ্জামান বাদশা ৫৭তম এবং নাসিম বিল্লাহ ৬৫তম স্থান অর্জন করেছেন। বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে নাসিম বিল্লাহ বলেন, “সর্বপ্রথম সৃষ্টিকর্তার নিকট অশেষ শুকরিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর আমরা ছিলাম তৃতীয় ব্যাচ। আমাদের সিনিয়র ব্যাচ যখন জুডিশিয়ারির পরীক্ষা দিতেন, আমরা খুবই আগ্রহ নিয়ে তাদের সাফল্যের খবর শোনার জন্য অপেক্ষা করতাম। অনেক পরিশ্রমের পরও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সাফল্য ধরা দিচ্ছিল না। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় আমাদের ছয়জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, আমাকে এই দিনে নিয়ে আসার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের শিক্ষকদের, আমাদের সিনিয়রদের, আমার জুনিয়রদের, আমার খাজা হলের সকল মানুষের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি মানুষের। অনেক অনেক ধন্যবাদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। সকলের নিকট দোয়া চাই, যেন বিচারক হিসেবে ন্যায় ও সুষ্ঠু বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। এছাড়াও সজল আহমেদ বাপ্পী বলেন, আইন ডিসিপ্লিন তথা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে দোয়া চাই, যাতে সারাজীবন ন্যায়ের পথে থাকতে পারি এবং মানুষের জন্য সবসময় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারি। এ বিষয়ে আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক পুনাম চক্রবর্তী বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবারই প্রথমবারের মতো বিচারক হিসেবে কয়েকজন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আইন ডিসিপ্লিন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই প্রথম ১৪ জন ভাইভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে ছয়জন জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এটি শুধু আইন ডিসিপ্লিনের জন্য নয়, পুরো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীরাও যেন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভালো করতে পারে, সে জন্য আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন দেশের অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা আয়োজন করে। প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিকসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়। আরটিভি/টিআর  
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী
ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সংলগ্ন একটি ছাত্রীনিবাস থেকে এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিসিএস গলির শেষপ্রান্তে অবস্থিত ফজিলা ছাত্রীনিবাসের তৃতীয় তলার ৩০১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে মেসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ওই ছাত্রীকে সর্বশেষ দেখা যায়। এরপর থেকে তাকে আর বাইরে দেখা যায়নি। বুধবার সন্ধ্যায় বারবার ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় মেসের মালিক ও কয়েকজন ছাত্রী হাতুড়ি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তাকে জানালার সঙ্গে কাপড় দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি প্রায় ৮-৯ মাস ধরে ওই ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। এর আগে তিনি দিনাজপুর শহরের অন্য একটি মেসে থাকতেন। খবর পেয়ে দিনাজপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনগতভাবে পরিবারের সম্মতিতে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হালিম বলেন, প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখে আমাদের কাছে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে আমরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। তার মধ্যে আত্মহত্যার কিছু প্রাথমিক লক্ষণ ছিল। পোস্টমর্টেমের পর এসব বিষয় নিশ্চিত করে বলা যাবে। ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বাকি প্রক্রিয়া শুরু হবে। আরটিভি/টিআর
ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’
১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় স্বামী, এবার জজ হলেন স্ত্রী
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৮তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী চৈতি বিশ্বাস। এর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তার স্বামী উদাস গোস্বামী একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবনে আছেন। এবার স্ত্রীর সাফল্যে পরিবারে যোগ হয়েছে নতুন আনন্দ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা গেছে, চৈতি বিশ্বাস পরীক্ষায় সফল হয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তার স্বামীও এর আগে একই পরীক্ষার মাধ্যমে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। দুজনের এই সাফল্যের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও আইন অঙ্গনে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী দুজনের বিচার বিভাগে যুক্ত হওয়াকে অনেকে অনুপ্রেরণাদায়ক ঘটনা হিসেবে দেখছেন। স্ত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উদাস গোস্বামী লিখেছেন, জজ-ম্যাজিস্ট্রেট দেখার প্রতি ছোটবেলা থেকেই খুব আগ্রহ ছিল। এখন ঘুম থেকে উঠেই একজন জজ দেখার সৌভাগ্য হবে। স্রষ্টার অশেষ কৃপায় তোমার (তার স্ত্রী) পরিশ্রম তোমাকে সম্মানিত করেছে। স্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ১৮তম জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তোমাকে অভিনন্দন, প্রিয়তমা সহধর্মিণী চৈতি বিশ্বাস। বাবা তার এত প্রিয় বউমার এই সাফল্য অল্প সময়ের ব্যবধানে দেখতে পারলেন না—এটাই আফসোস। যাহোক, আবারও অভিনন্দন, জজ সাহেবা। আরটিভি/টিআর
১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় স্বামী, এবার জজ হলেন স্ত্রী
নোবিপ্রবিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজিটাল স্ক্রিনে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় অণুজীববিজ্ঞান (মাইক্রোবায়োলজি) বিভাগের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দলের’ সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং পুরো বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ কর্তৃক বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইক্রোঅর্গানিজম ডে-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চলাকালে ডিজিটাল স্ক্রিনে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শন করা হয়। এ ঘটনায় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা ইতোমধ্যে সেই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনকে আহ্বায়ক, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনকে সদস্য এবং প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমানকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এ সময়কালে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিওর শেষ অংশে শেখ হাসিনার ছবি ভেসে ওঠে। বিষয়টি উপস্থিত অতিথিদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। পরবর্তীতে পুনরায় শুধু অডিওর মাধ্যমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। ঘটনাটিকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি অবমাননাকর এবং চাকরির শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ঘটনার বিষয়ে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যস্ততায় প্রজেক্টরে চালানো ইউটিউব ভিডিওটি আগে পর্যালোচনা করা হয়নি। এ কারণে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই ভুলটি ঘটে যায়। আরটিভি/টিআর
নোবিপ্রবিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি
ইবির আইন অনুষদের বাজিমাত, সিভিল জজ হলেন ১৯ জন
অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদ থেকে ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সহকারী জজ পদে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন— আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ হোসেন ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ও অ্যাডভোকেট সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মেহবুবা মোহিনী, শাকির আলম, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, শারমিন খাতুন ও ইয়াসমীন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের খালিদ লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন। আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ. এইচ. হাবিব; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানি এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রায়হান। আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতির তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
ইবির আইন অনুষদের বাজিমাত, সিভিল জজ হলেন ১৯ জন
আরও পড়ুন
ইবিতে ৫ কেজি লোহা চুরি করে ৪ লাখ টাকার মামলা খেলেন ভ্যানচালক
ইফা’র নতুন বোর্ড অব গভর্নরস গঠন, যুক্ত আছেন ইবি উপাচার্যও
৭ বছরে ২৪ জন, শেষ দুই বছরে ইবিতে বিদেশি ভর্তি শূন্য
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা