ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পাবিপ্রবিতে তিন বছর ধরে অকেজো ভিটিএস সেবা, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

‎ ‎পাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) । ছবি: পাবিপ্রবি সংবাদদাতা

প্রায় তিন বছর ধরে অচল হয়ে আছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) পরিবহন পুলের ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস)। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোর অবস্থান আগে থেকে জানতে না পেরে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
‎
‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রহরী থেকে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি শিক্ষার্থীবাহী বাস এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অ্যাম্বুলেন্সসহ মোট ১৯টি যানবাহনে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস) চালু করা হয়।

আরও পড়ুন

তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন ২০২২ সালের ১৫ অক্টোবর এ সেবার উদ্বোধন করেন। তবে উদ্বোধনের এক বছরের মধ্যেই ভিটিএস সেবা বন্ধ হয়ে যায়। দেখতে দেখতে প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেবাটি আর চালু হয়নি।
‎
‎খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, ভিটিএস সেবার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রহরীকে প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হতো। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্ট থেকে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে স্থানান্তর করা হতো। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়মিত বিল পরিশোধ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ভিটিএস সেবা বন্ধ করে দেয়। এরপর দীর্ঘ তিন বছরেও সেবাটি পুনরায় চালু করা হয়নি।
‎
‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আগে ভিটিএস চালু থাকায় বাস কখন ক্যাম্পাসে পৌঁছাবে বা কোথায় অবস্থান করছে, তা সহজেই জানা যেত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে সেবাটি বন্ধ থাকায় বাস ধরতে অনেক আগেই নির্ধারিত স্থানে গিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক সময় বাসের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা না থাকায় বাস মিস করে ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে দেরি হচ্ছে।
‎
‎তাদের ভাষ্য, প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবা সচল থাকলে যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হতো এবং অযথা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো না। বিশেষ করে দূরপাল্লার রুটের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টা থেকে ৮টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাম্পাস থেকে মোট সাতটি বাস ছেড়ে যায়। এর মধ্যে তিনটি দূরপাল্লার বাস সুজানগর, মাধপুর ও ঈশ্বরদী রুটে চলাচল করে। এছাড়া দুপুর ১১টা ১০ মিনিটে চারটি এবং দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ছয়টি বাস শহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনটি দূরপাল্লার বাসসহ মোট সাতটি বাস ক্যাম্পাস থেকে যাত্রা করে। রাতে ৭টা ১৫ মিনিট ও ৮টা ৩০ মিনিটে দুটি করে মোট চারটি বিআরটিসি বাস শহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
‎
‎তবে বাসগুলোতে ভিটিএস সক্রিয় না থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। কোনো কারণে বাস মিস হলে অনেককেই দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে ক্যাম্পাসে ফিরতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎
‎দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভিটিএস সুবিধা না থাকায় তারা বাসের সঠিক অবস্থান জানতে পারেন না। ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, যা তাদের পড়াশোনা ও একাডেমিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
‎
‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত ভিটিএস সেবা পুনরায় চালু করে পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা হোক। একই সঙ্গে বাসের সময়সূচি ও অবস্থান অনলাইনে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
‎
‎লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাব্বাস শেখ মিজান বলেন, একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে চালু থাকা ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম শিক্ষার্থীদের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ, সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য করেছিল। তিন বছর ধরে সেই প্রযুক্তি অচল, অথচ এটি পুনরায় চালুর দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। প্রযুক্তিনির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি নিঃসন্দেহে হতাশাজনক।

নতুন আবাসিক হল চালুর ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু বাসসেবা সেই অনুপাতে বাড়েনি। বিশেষ করে রাতে শহর থেকে ক্যাম্পাসে ফিরতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতা, অতিরিক্ত ভাড়া ও নানা দুর্ভোগের মুখোমুখি হন। তাই সময়ের দাবি, বাসসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম পুনরায় চালু করে একটি আধুনিক ও স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
‎
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আজ আমি নির্ধারিত সময়ে বাসস্ট্যান্ডে এসে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করি। বাস না আসায় অন্য একটি গাড়িতে করে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে রওনা হই। কিন্তু মাঝপথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসটিকে যেতে দেখি। ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু থাকলে লাইভ লোকেশন দেখে সহজেই বাসে উঠতে পারতাম।
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. মীর হুমায়ুন কবির বলেন, আমি পরিবহন প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার সময় ভিটিএস প্রযুক্তি চালু ছিল না। এটি আগের প্রশাসনের সময়ে ছিল। তবে শিক্ষার্থীরা যেহেতু বিষয়টি দাবি করছে, তাই আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরব। সাবেক উপাচার্যকেও বিষয়টি জানিয়েছিলাম। বর্তমান উপাচার্যের কাছেও শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি উপস্থাপন করব।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমসহ ১১ জন।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য সকালের নাস্তা পৌঁছে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া আলটিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও উপাচার্য ভবন না ছাড়ায় গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।  একই সঙ্গে ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ বিষয়ে পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খাঁন বলেন, নবনিযুক্ত উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকবেন। গতকাল তাকে বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরও তিনি স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকেছেন। আমরা অবরুদ্ধ সবাইকে সকালের খাবার পৌঁছে দিয়েছি। এর আগে, গতকাল সোমবার সকালে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাকে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়ায় তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। আরটিভি/এসআর
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড.শেখ শরীফুল ইসলাম। তবে প্রশাসন কীভাবে তাকে সহায়তা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক সম্মানের সাথে বের হয়ে যাওয়ার আল্টিমেটামের ঘোষণা প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি চুয়েট উপাচার্য। গণমাধ্যমকর্মীরা এবিষয়ে আজ সকালে উপাচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। নিজ কক্ষের সামনে থেকে তিনি বলেন, আমরা এখানে খুবই অমানবিক অবস্থায় আছি। এ অবস্থায় আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি।তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে এটা তাদের ব্যাপার। প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে নতুন উপাচার্য। বিকেলে হাটহাজারী এলাকায় স্থানীয় ছাত্রদল কর্তৃক চুয়েটগামী বাসের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এই আল্টিমেটাম আন্দোলন আরও তীব্র হয়। আরটিভি/এসআর
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)  উপাচার্য ভবনে এখনও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রানা, চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অনেক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত এখনো উপাচার্য ভবন থেকে বের হতে পারেননি তারা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১ টা থেকে অবরুদ্ধ থাকার পর রাত আটটায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক উপাচার্য ভবন ত্যাগ করার আল্টিমেটাম প্রদান করলেও উপাচার্য এখন পর্যন্ত এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।  ভেতরে আটকে পড়া নতুন উপাচার্য জানান,তার কাছে শিক্ষার্থীদের কোনো লিখিত দাবি নেই তার কাছে। কোনো বক্তব্যও নেই। তারা যদি লিখিত আকারে দেয়, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিকে অবহিত করতেন। এছাড়া জানা যায়, অবরুদ্ধ অবস্থায় গতকাল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তার সাথে থাকা দুজন।  এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার সাথে চারজন এলামনাই সদস্য আছেন, একজন আমার বন্ধু, দুজন বড়ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। তারা আন্দোলন করুক, সমস্যা নাই। কিন্তু আমি দপ্তরে আসলাম নয়টায়, তাঁর দুই-তিন ঘন্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেয়াটা অমানবিক। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত সোমবার সকাল নয়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের ফটকের তালা ভেঙে চুয়েট ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন উপাচার্য। এ খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ এবং তাকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।  ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। গতকাল সোমবার তাঁরা অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ পরিস্থিতিতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আরটিভি/এসআর
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অবরুদ্ধ উপাচার্য ভবনের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুইজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
নজরুল কলেজে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ’ অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ-২০২৬’।
নজরুল কলেজে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ’ অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
৫০ শয্যার হাসপাতাল: এক্স-রে আছে-ফিল্ম নেই, জেনারেটর আছে-তেল নেই
২ মাস ধরে বন্ধ যবিপ্রবির প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ
হল কার্ড ছাড়াই শিক্ষাজীবন শেষ, পাবিপ্রবির দুই হলে এখনও মেলেনি পরিচয়পত্র
কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পাবিপ্রবিতে ‘ক্যারিয়ার হাব’, ব্র্যাকের সঙ্গে সমঝোতা