ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজ

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজ। ছবি: রাবি সংবাদদাতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৯ আবাসিক হলে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজ ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা, শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৫ আগস্ট) প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সহযোগিতায় এই বিশেষ গণভোজের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা মোট ১৩ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক হলে ৪৪০ জন, শাহ্ মখদুম হলে ৬৬০ জন, নবাব আব্দুল লতিফ হল ৬২০ জন, সৈয়দ আমীর আলী হল ৫৫৩ জন, শহীদ শামসুজ্জোহা হল ৭২০ জন, শহীদ হবিবুর রহমান হল ১ হাজার ২৬২ জন, মতিহার হল ৮০০ জন, মাদার বখশ হল ৯৫০ জন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ৮৫০ জন, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ৯৯২ জন, বিজয় ২৪ হল ৮০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

আরও পড়ুন

এছাড়া, মন্নুজান হল ১ হাজার ১২ জন, রোকেয়া হল ৯২৮ জন, তাপসী রাবেয়া হল ৫৭০ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৬৬০ জন, রহমতুন্নেসা হল ৭৩৬ জন, জুলাই ৩৬ হল ১ হাজার ২৪০ জন, বিজয় ৭১ এবং শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ডরমিটরিতে ৩৭ জন শিক্ষার্থী এই গণভোজে অংশ নেন। বিশেষ এই গণভোজে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারে পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, ডাল মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিবেশন করা হয়।

মতিহার হলের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান রাজু বলেন, প্রশাসনের উদ্যোগে হল থেকে আজকে যে খাবার বিতরণ করা হলো তার মান খুবই ভালো ছিলো। এমন আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। সুন্দর রান্নার জন্য রাধুনিকেও ধন্যবাদ জানাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও মাদারবক্স হলের প্রাধ্যক্ষ ড. শাহ হোসেন আহমেদ মেহেদী বলেন, আজকের আয়োজনে আমরা সবগুলো হল মিলে ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন জন্য আয়োজন করেছি। আমরা মনে করছি শিক্ষার্থীদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি সার্বিকভাবে সফল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আয়োজনের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরাসরি কোন অভিযোগ আসেনি। তবে এতবড় আয়োজনে দুই-এক জনের একটু সমস্যা হতে পারে। যেহেতু অনেকগুলো পাত্রে রান্না হয় কোনকিছু কমবেশি হতেই পারে। আমরা একই মেনুতে রান্না করে সর্বোচ্চ ভালো করার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই সন্তুষ্ট বলে আমার মনে হয়।

4cd6d212-d87f-4a25-8b08-ed74c14f53cb

জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. এস এম কামরুজ্জামান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা। এটাতো একটা আনন্দের দিন এবং সবাই এটাকে উৎযাপন করছে সেজন্যই আমরা আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছি। ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন শিক্ষার্থী টোকেন কিনেছিলো এবং এর বাইরেও অনেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। আয়োজনে সবকিছু ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি।

জুলাইয়ে তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই মানে আমাদের শক্তি, সাহস এবং আমাদের পথচলা। জুলাই গত ১৭ বছরের বঞ্চনা থেকে একটা মুক্তির দিন। জুলাই সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্ন অন্যায় নির্যাতনের জবাব।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা, সাড়ে ১০ টায় আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন উপাচার্য, এর অল্প সময় পর সিনেট ভবন চত্বরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় বৃক্ষরোপণ করেন, বেলা ১১টায় সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারুণ্যের প্রত্যয়; গণতন্ত্রের অঙ্গীকার ও নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দিনব্যপী আয়োজনে সমাপ্ত হয়।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিআইইউতে পর্দা নামল দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের 
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) পুরাতন ক্যাম্পাসে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ক্লাবের আয়োজনে ‘কালচারাল ফেস্ট ২.০— আন্তবিভাগ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শীর্ষক এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন সংগীতশিল্পী বখতিয়ার হোসাইন, যিনি ‘বখতিয়ার–দ্য আর্টম্যান’ নামে পরিচিত।  এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাশরুর এনান, যিনি ‘কেটো ভাই’ নামে পরিচিত, নাজিব নিনাদ ও ফারহান পিরোম। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ক্যাম্পাসে উৎসবের শেষ দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা তুলে ধরা, সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানো এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করাই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। উৎসবে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও চিত্রকলা— এই চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিটি বিভাগে বিজয়ীদের জন্য ছিল ক্রেস্ট, বৃত্তি ও সনদ। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ২০টির বেশি পণ্যের স্টল বসে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি এসব স্টল ঘিরেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী।  তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ক্লাব এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও ডিআইইউর আয়োজন সম্পর্কে আগ্রহী হচ্ছে। এ অগ্রগতির পেছনে ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য, প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা ও পরামর্শকদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে। দুই দিনব্যাপী আয়োজনের প্রশংসা করে অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ২০টির বেশি স্টল বসেছে। এসব স্টলের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং এর সাংস্কৃতিক ক্লাব সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাঁরা নিজেদের পরিচিতজনদের কাছেও বিশ্ববিদ্যালয়টির কথা তুলে ধরতে পারবেন, যা এর পরিচিতি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, পয়লা বৈশাখ, ঈদ পুনর্মিলনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ক্লাব। তাঁর মতে, সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয়, ঐতিহ্য ও আত্মার প্রতিচ্ছবি। সাংস্কৃতিক চর্চা শুধু গান, কবিতা, নাচ কিংবা অভিনয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, মানবিকতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক চেতনা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতেও সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এবং সব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, উৎসবে বাইরের শিল্পীদের অংশগ্রহণ আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করবে এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়াবে বলে তিনি আশা করেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সেদিকে সবার নজর রাখা প্রয়োজন। তিনি উৎসবের সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শেষ হয় দুই দিনব্যাপী এ আয়োজন। আরটিভি/এসআর
ডিআইইউতে পর্দা নামল দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের 
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজের নেতৃত্বে নাজমুল-তাওহীদ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হাল্ট প্রাইজের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. নাজমুল হোসেন গাজী এবং ডেপুটি ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হয়েছেন তাওহীদ আহমেদ। কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ খান, নাবিয়ান বিন খালিদ, ফারজানা জাহান, তাসমিয়া ইসলাম তিশা, ওবায়দুর রহমান ও রুহিন হোসেন রুমি। এ ছাড়া ২৪ ব্যাচ থেকে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রুকাইয়া আফিয়া নেহা, শাহরিয়ার ইসলাম শিহাব, আহনাফ তাহমিদ, জান্নাতুল ফেরদৌস মহিমা, আব্দুল মুকিত সৌরভ, ইথুন কুমার সাহা, আশরাফুল আলম, মুজাহিদ ইসলাম ও সাউদিয়া জামান সিনথী। ২৫ ব্যাচ থেকে সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাহমিদুল ইসলাম, ফারিহা জান্নাত, সাইফ রসুল খাঁন, মাইশা পারভিন, মোহাইমিনূর হাসান সানী, মো. ফাহিম ফয়সাল, মাহফুজ আহমেদ, মাসরুরুল হাসান তানজিম ও সাবিত হাসান অর্ক। অন্যদিকে, ২৬ ব্যাচ থেকে জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গালিব মোঃ আবদুল্লাহ্, মো. নাদিম হাসান, রাহুল কাঞ্জিলাল, মো. নাইমুল ইসলাম কাব্য, মো. ফারহান লাবীব, ওয়াসিয়া মুরসালাত মেধা ও আবিদ হাসান তালুকদার। নতুন কমিটির ক্যাম্পাস ডিরেক্টর মো. নাজমুল হোসেন গাজী বলেন, হাল্ট প্রাইজ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজে বের করার একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। হাল্ট প্রাইজের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হিসেবে আমার লক্ষ্য হলো, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু করার সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে উৎসাহিত করা। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা এমন কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করুক, যা পরিবেশ রক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই মেধা ও সক্ষমতা রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমন কিছু উদ্যোগ উঠে আসবে, যা ভবিষ্যতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে। আরটিভি/এসআর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজের নেতৃত্বে নাজমুল-তাওহীদ
কুয়েটে পাঁচ শিক্ষকসহ ৭ জন চাকরিচ্যুত
ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ এবং নিয়োগে বয়সসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) পাঁচ শিক্ষক, একজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাতজনকেই দীর্ঘদিন সাময়িক বরখাস্ত করে রাখা হয়েছিল। বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকেরা হলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শিল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত তালুকদার, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিবিড় মণ্ডল এবং হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসরুরা মোস্তফা ও সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার রোমান। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারী হলেন উপরেজিস্ট্রার নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রী এবং অফিস সহকারী সত্যজিৎ কুমার দত্ত। রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, তদন্ত শেষে কয়েকজনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। তাদের কেউ কেউ জবাব দিয়েছেন, আবার কেউ দেননি। পরে সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঁচ শিক্ষক, একজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
কুয়েটে পাঁচ শিক্ষকসহ ৭ জন চাকরিচ্যুত
জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চলছে রাবির যৌথ পাঠদান কর্মসূচি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ এবং জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের যৌথ উদ্যোগে Collaborative Online International Learning (COIL) পদ্ধতিতে সমন্বিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে। 
জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চলছে রাবির যৌথ পাঠদান কর্মসূচি
কাজ করিয়ে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অভিযোগ রাকসুর সাবেক নেতার বিরুদ্ধে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজাইনের কাজ করিয়ে পারিশ্রমিক পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। 
কাজ করিয়ে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অভিযোগ রাকসুর সাবেক নেতার বিরুদ্ধে
আরও পড়ুন
জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চলছে রাবির যৌথ পাঠদান কর্মসূচি
তিন যুগ পর রাবি রেল স্টেশনে থামবে দুই ট্রেন
নীলফামারীতে ট্রেন থামিয়ে অবরোধ, পাঁচ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক চলাচল
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে সেই রাবি শিক্ষার্থীকে