ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

৮ দাবি নিয়ে ইবিতে সংবাদ সম্মেলন

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম
ছবি: আরটিভি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ, মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির সঞ্চালনায় দাবি পেশ করেন শাখা সভাপতি ইউসুব আলী।

এ সময় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ এমাদুর রহমান, স্কুল অ্যান্ড কলেজ সম্পাদক জায়েদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক সোয়াইব আহম্মেদ, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফরহাদ রেজা ওসামা এবং প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ নাকিব উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পাঁচটি আবাসিক হলের সভাপতিসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ; রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় সুপারিশ বা প্রশাসনিক প্রভাবের ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ বন্ধ; মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও নীতিমালা অনুসরণ করে সিট বরাদ্দ; বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত; প্রতিটি হলের সিট বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করা; যেন কোনো শিক্ষার্থী বা সংগঠন সিট বাণিজ্য বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না পায়; হলগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ ও রাজনৈতিক অপচর্চা বন্ধ করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত; সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হলের ডাইনিংয়ে সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি দ্রুত সময়ে মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ ও শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার কিংবা দলীয় লোকজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে আশ্রয় দেওয়ার জায়গা হতে পারে না। হলের সিট একজন শিক্ষার্থীর অধিকার এবং তা মেধা, বৈধতা, জ্যেষ্ঠতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে বণ্টন করা উচিত।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে দীর্ঘদিন ধরে সিট বণ্টন নিয়ে বৈষম্য, অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি শহীদ জিয়াউর রহমান হলে বৈধ সিট না থাকা সত্ত্বেও একজন রাজনৈতিক কর্মীর দীর্ঘদিন অবস্থানের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য হলেও অবৈধভাবে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের অভিযোগ সামনে এসেছে।

ইউসুব আলী বলেন, একজন বৈধ শিক্ষার্থী আবাসিক সিটের জন্য অপেক্ষা করবে, অথচ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ অবৈধভাবে হলে অবস্থান করবে— এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার প্রশ্নে উপরোক্ত দাবি গুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা সংঘাত চাই না, আমরা ন্যায়সংগত সমাধান চাই। আমরা দখলদারিত্ব চাই না, আমরা শিক্ষার্থীদের অধিকার চাই। আমরা দলীয় প্রভাব চাই না, আমরা মেধা ও বৈধতার ভিত্তিতে আবাসিক ব্যবস্থা চাই।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি যথাযথ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে, আমরা তা স্বাগত জানাব। একই সঙ্গে কোনো ধরনের অনিয়ম, বৈষম্য কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার খর্ব করা হলে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট হল হবে শিক্ষার্থীদের জন্য, সিট হবে মেধার ভিত্তিতে, প্রশাসন হবে নিরপেক্ষ, ক্যাম্পাস হবে নিরাপদ।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১৬ শিক্ষার্থীকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাবিতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে মতিহার হল প্রশাসন।  
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাবিতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান 
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
টানা দুই সপ্তাহ ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনের ১৫তম দিনে ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানান তারা। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর চুয়েট ক্যাম্পাসের বাইরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে প্রেসক্লাব এলাকায় পাঁচটি বাসে করে শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চুয়েটের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে ছিল— ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ এবং ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার অ্যাপিল’। পাশাপাশি ‘দফা এক, দাবি এক, অনলাইন ভিসির পদত্যাগ’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ -সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা এর নিন্দা জানাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য নজির যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা সবাই একজনকে উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সায়েম স্যারকেই উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করবে। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব, মাহিরা তাজরিন ও যুলকারনাইন মিহাদ। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চুয়েটের চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকায় হাজারো শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, বরং একটি ব্যাখ্যাহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ন্যায্য পুনর্বিবেচনা চাচ্ছে। বক্তব্যে আরও বলা হয়, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং চুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ ফিরিয়ে আনাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিনের কার্যকালের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের বিষয়ে সরকারের দ্রুত ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা স্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। সরকারের এমন নীরবতা ও উদাসীনতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। বাধ্য হয়েই আজ ক্যাম্পাসের বাইরে এসে আমাদের দাবি জানাতে হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে চুয়েটের চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হোক এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা হোক। প্রসঙ্গত, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওই দিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর পর থেকে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে টানা ১৫ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখনও দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চুয়েটের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, প্রধান উপদেষ্টা ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারর্সন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিবাদ
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় আহতদের দেখতে রামেকে শিবির সভাপতি
বাঁচার আকুতি ইবি শিক্ষার্থী ফাতেমার, প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা
ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক’ অভিযান