ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হাবিপ্রবি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

হাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত হাবিপ্রবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক।

জানা গেছে, গত ১২ মে ১৯ জন অভিভাবকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি অভিযোগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষার্থী ভর্তির সময় ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়, বিদ্যালয় চলাকালীন কোচিং করানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নামে প্রতি মাসে ৫০ টাকা করে নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের নিজস্ব লাইব্রেরি থেকে বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করার অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ গ্রহণ, শিশু শ্রেণির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, সরকার প্রদত্ত ল্যাপটপ ব্যবহার না করা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু না করা এবং অন্য শিক্ষকদেরও তা চালু করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত পাঠদান না করিয়ে আগের দিনই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। চারু ও কারুকলা পরীক্ষার দিন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ঝাড়ু, হারপিক ও সাবান নেওয়া এবং উপবৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও টাকা দাবির অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রধান শিক্ষক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়ই অশোভন আচরণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি ‘আমার কেউ কিছু করতে পারবে না, আমার ওপরে সবাইকে ম্যানেজ করা আছে’, এমন মন্তব্য করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভুয়া। প্রাথমিক শাখায় প্রায় ১৪০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অথচ অভিযোগপত্রে মাত্র ১৯ জন অভিভাবকের স্বাক্ষর রয়েছে। বাকি ১২১ জন অভিভাবক কেন স্বাক্ষর করেননি, সেটিও দেখা দরকার।

অভিযোগপত্রে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল বলেও দাবি করেন তিনি। প্রধান শিক্ষক বলেন, কিছু অভিভাবক আমাকে জানিয়েছেন, গাছের চারা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগপত্রে থাকা স্বাক্ষর যাচাইয়ের বিষয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে হাবিপ্রবির একজন অধ্যাপকের স্বাক্ষর ও মোবাইল নম্বর রয়েছে। ওই অধ্যাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটি জাল স্বাক্ষর হতে পারে।

অন্যদিকে, অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করা কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বললে তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা দাবি করেন।

এক অভিভাবক বলেন, আমার দুই সন্তান ওই স্কুলে পড়ে। বেশিরভাগ অভিযোগই সত্য। চাইলে এসে সরেজমিনে যাচাই করতে পারেন। স্কুলের টয়লেট থেকে ছোট ছোট সাপ বের হয়। বাচ্চারা সেখানে কীভাবে টয়লেট করবে? আমরা জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছেও গিয়েছিলাম। আমার মেয়ে বৃত্তি পরীক্ষা দিয়েছে, সেই পরীক্ষার জন্য টাকা চাওয়া হয়েছে, কিন্তু কোনো রশিদ দেওয়া হয়নি।

আরেক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে ওই স্কুলে পড়ে। তার বড় বোনও পাঁচ বছর প্রাথমিকের ওই স্কুলে পড়েছে। তখন যে পরিস্থিতি ছিল, এখন তার চেয়েও খারাপ হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগের পর হাবিপ্রবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা তদন্ত করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) সানজিদা শারমিন বলেন, তদন্তের রিপোর্ট আপনারা অচিরেই পাবেন। আমাদের যে তদন্ত কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন, তারা টিওকে রিপোর্ট দিয়েছেন। টিও হয়তো সামনে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। ওই স্কুলটি আমার তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) চৈতন্য কুমার রায় বলেন, আমরা সেখানে তদন্ত করেছি এবং তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

দিনাজপুরের সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান সিদ্দিক বর্তমানে রংপুরে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বলেন, গত মাসের ২৪ তারিখে দিনাজপুরে আমার শেষ কর্মদিবস ছিল। বর্তমানে রংপুরে কর্মরত আছি। আমি আসার সময় তদন্তটি দিনাজপুরের টিওকে দিয়ে এসেছি। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তদন্ত প্রতিবেদনটি আমি পাইনি। এখন আমার আসার ২০ দিন হয়ে গেছে। তাই এ বিষয়ে এখন আমি কিছু বলতে পারছি না। তবে তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি শক্তভাবে দেখার জন্য বর্তমান টিও আবুল কালামকে বলেছি।

এ বিষয়ে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালামের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, এটার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিপোর্ট আমাদের কাছে আসছে। আমরা ব্যবস্থা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে শিগগিরই পাঠানোর ব্যবস্থা করব। আমার কাছে রিপোর্ট জমা হয়েছে দুই-তিন দিন হলো। আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পরই এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা পেশার স্বকীয়তা ও অধিকার রক্ষায় তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। 
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
বেরোবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের সামনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। কর্মসূচির উদ্বোধনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ প্রত্যেককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ক্যাম্পাসের কোথাও যাতে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপাচার্য বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সব এলাকা যেন এডিস মশার প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত থাকে, সে জন্য সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসহ সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান উপাচার্য। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. মাসুদ রানা, বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মো. হারুন-আল-রশীদ, শহিদ মুখতার এলাহী হলের প্রভোস্ট ড. এ. টি. এম. জিন্নাতুল বাশারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
বেরোবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বেরোবিতে ৪ শিক্ষক পেলেন নতুন দায়িত্ব, ৩ হলে প্রভোস্ট
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়র (বেরোবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালকসহ তিনটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট পদে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি অফিস আদেশ প্রকাশিত হয়। এতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা। বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট পদে দায়িত্ব পেয়েছেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদ। শহিদ মুখতার এলাহী হলের প্রভোস্ট পদে দায়িত্ব পেয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. জিন্নাতুল বাশার। এ ছাড়া ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিনা আহসানকে শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর এবং তিনটি আবাসিক হলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিমিত্তে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বেরোবিতে ৪ শিক্ষক পেলেন নতুন দায়িত্ব, ৩ হলে প্রভোস্ট
ফল প্রকাশে বিলম্ব, একাডেমিক ভোগান্তিতে বুটেক্স শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সব বিভাগের ফলাফল প্রকাশ হয়নি। এতে রি-এডমিশন, পরবর্তী সেমিস্টারের একাডেমিক পরিকল্পনাসহ উচ্চশিক্ষায় আবেদনের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
ফল প্রকাশে বিলম্ব, একাডেমিক ভোগান্তিতে বুটেক্স শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রদলের ৮ নেতা বহিষ্কার
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন অনিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে জবি ছাত্রদলের আট নেতাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নাহিয়ান বিন অনিককে দেওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নোটিশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় দায়িত্বশীল পদে থাকা অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে কেন তাঁর বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। নোটিশে নাহিয়ান বিন অনিককে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে জবি ছাত্রদলের আট নেতাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এ বিষয়ে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত আট নেতা হলেন—জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন, সাঈদ হাসান ইমন এবং সদস্য মো. রবিউল ইসলাম, জাকির হোসেন রানু, রাকিব হোসেন, ওবায়দুল ইসলাম, আহমেদুল কবীর বাধন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। নাহিয়ানকে দেওয়া শোকজ নোটিশ ও আট নেতাকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
জবি ছাত্রদলের ৮ নেতা বহিষ্কার
আরও পড়ুন
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
অসময়ের তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়েছেন আতিয়ার
২৮ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, দুশ্চিন্তায় পরিবার
‘দিনাজপুরের মানুষ নিজেদের বঞ্চিত ভাবার সুযোগ নেই’